<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911</id><updated>2011-10-31T10:50:10.328+06:00</updated><category term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category term='ইন্টারনেট'/><category term='প্রস্তাব'/><category term='দুর্ঘটনা'/><category term='প্রযুক্তি'/><category term='বিতর্ক'/><category term='সাহিত্য'/><category term='ইভটিজিং'/><category term='ভিন্ন মত'/><category term='বুদ্ধ'/><category term='ট্রলারডুবি'/><category term='দিন বদল'/><category term='সিডি/ডিভিডি'/><category term='ভাষা'/><category term='সংবাদ'/><category term='রাখাইন'/><category term='বধ্যভূমি'/><category term='দুর্নীতি'/><category term='রোহিঙ্গা'/><category term='কম্পিউটার'/><category term='সমাজ'/><category term='শিক্ষা'/><category term='নারী নির্যাতন'/><category term='প্রবন্ধ'/><category term='ছবি'/><category term='মুক্তিযুদ্ধ'/><category term='নামকরণ'/><category term='মেডিকেল কলেজ'/><category term='কিংবদন্তি'/><category term='আলোচনা'/><category term='ক্রস ফায়ার'/><category term='পরামর্শ'/><category term='সমালোচনা'/><category term='ইতিহাস'/><category term='নিবন্ধ'/><category term='রাজনীতি'/><title type='text'>বিপ্রতীপ</title><subtitle type='html'>&lt;i&gt;চিন্তন-মননের আমার প্রকাশভঙ্গি&lt;/i&gt;</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>51</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1826260910717619573</id><published>2011-10-29T11:03:00.001+06:00</published><updated>2011-10-31T10:50:10.442+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিবন্ধ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাহিত্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবন্ধ'/><title type='text'>মানসপটে আবদুল হক চৌধুরী</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="mbl notesBlogText clearfix"&gt;&lt;div&gt;&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em; text-align: right;"&gt;&lt;img alt="" class="photo_img img" height="320" src="https://fbcdn-photos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/393341_1889346093582_1839370750_1330515_1690342891_a.jpg" width="184" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;u&gt;&lt;span class="fbUnderline"&gt;[২৬ অক্টোবর ছিল চট্টল গবেষক আবদুল হক চৌধুরীর প্রয়াণ দিবস। তাঁর মৃত্যুর পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত অধুনালুপ্ত &lt;i&gt;দৈনিক বাংলাদেশের স্বাধীনতা &lt;/i&gt;-র  ১০ নভেম্বর ১৯৯৪ তারিখের সংখ্যায় আমি তাঁকে নিয়ে একটি লেখা লিখেছিলাম।  লেখাটি তাঁর প্রয়াণ দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলিস্বরূপ এখানে হুবহু তুলে দিলাম।]&lt;/span&gt;&lt;/u&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: large;"&gt;২৭&lt;/span&gt; অক্টোবর ১৯৯৪, বৃহস্পতিবার বিকালে বেতার ভবনের বার্তা কক্ষে গিয়ে সেদিনের &lt;i&gt;দৈনিক আজাদী&lt;/i&gt; পত্রিকাটি পড়ার জন্য চোখের সামনে মেলে ধরলাম। প্রথম পৃষ্ঠার এক জায়গায় আমার চোখ আটকে গেল। বড়-বড় অক্ষরে লেখা &lt;i&gt;চট্টগ্রামের খ্যাতিমান গবেষক আবদুল হক চৌধুরী আর নেই&lt;/i&gt;।  হেডিংটা পড়েই কতক্ষণ বাকরুদ্ধ ছিলাম বলতে পারব না। বুকের ভেতরটা কেমন জানি  মুচড়ে উঠল। পরে প্রকৃতিস্থ হয়ে পুরো নিউজটা পড়লাম। পুরো নিউজটা পড়ে বুঝলাম  ততক্ষণে তাঁর মৃতদেহ দাফন করা হয়ে গেছে। একটুও জানান না দিয়ে প্রচার বিমুখ  গুণীব্যক্তিটি এভাবে চলে গেলেন, বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় বই-কী। সেদিন নানা  ব্যস্ততার কারণে বিকাল অবধি কোনো দৈনিকই পড়ে হয়ে ওঠেনি। আমার আফশোস, সকালেও  যদি জানতাম তা হলে ডিসি রোডস্থ &lt;i&gt;মনীষা&lt;/i&gt; -য় না হোক অন্তত মহসিন কলেজ  মাঠে হলেও তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধাটুকু জানাতে পারতাম। তাঁকে শেষ  শ্রদ্ধাটুকুও জানাতে পারলাম না, এ দুঃখবোধ চিরদিন বয়ে বেড়াতে হবে আমাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মরহুম  আবদুল হক চৌধুরীর সঙ্গে আমার পরিচয় হয় ১৯৯১-এর মাঝামাঝি সময়ে। পরিচয়ের  মাধ্যম ছিলেন চট্টগ্রাম বেতারের প্রাক্তন উপ-মুখ্য প্রযোজক ও আমার  অগ্রজপ্রতিম প্রয়াত উ চ নু (উ বা)। পরিচয়ের পর থেকে আরাকান বিষয়ক গ্রন্থ ও  তথ্যের প্রয়োজনে তিনি ডিসি রোডস্থ আমার বাসায় মাঝে-মধ্যে আসতেন। আমিও তাঁর  বাসভবন &lt;i&gt;মনীষা&lt;/i&gt; -য় যেতাম মাঝে-মধ্যে। তখন আমার সঙ্গে থাকতেন মিরসরাই  ডিগ্রি কলেজের (তৎকালীন) প্রভাষক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ) মং উ সাং। আমি  এবং প্রভাষক মং উ সাং আরাকানের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিকে  মাঝে-মধ্যে লিখে থাকি। তাই মরহুম আবদুল হক চৌধুরী ও আমাদের দু'জনের মধ্যে  আন্তরিক সম্পর্ক হতে বেশিদিন লাগেনি। মরহুম চৌধুরীর লেখা &lt;i&gt;চট্টগ্রাম নামের নতুন উৎস&lt;/i&gt; এবং &lt;i&gt;চেরাগী পাহাড় নামের নতুন উৎস&lt;/i&gt; শীর্ষক নিবন্ধ দু'টির তথ্যপঞ্জিতে প্রয়াত উ চ নু (উ বা) এবং প্রভাষক মং উ সাঙের নাম উল্লেখ রয়েছে। তাঁর &lt;i&gt;রাউজান নামের নতুন উৎস&lt;/i&gt;  নিবন্ধটি লেখার সময় তাঁকে আমি প্রয়োজনীয় তথ্য জোগান দিয়েছিলাম। বলা  বাহুল্য, মরহুম আবদুল হক চৌধুরী আমার শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি ছিলেন, বয়সে তিনি  আমার প্রয়াত জনকের কাছাকাছি। তাই তাঁকে আমি চাচা বলে ডাকতাম। তিনিও আমাকে  স্নেহের চোখে দেখতেন। জীবদ্দশায় তিনি যতবার আমার বাসায় এসেছিলেন,  প্রত্যেকবারই আসতেন খুব ভোরে। এসে নীচ থেকে &lt;i&gt;মং হ্লা, মং হ্লা&lt;/i&gt; কিংবা &lt;i&gt;পিন্টু,  পিন্টু&lt;/i&gt; বলে ডাকতেন নয় তো সরাসরি উপরে এসে দরজায় নক করতেন। একবার খুব ভোরে  (দিনটা ছিল সম্ভবত একুশে ফেব্রুয়ারি) এসে বললেন, &lt;i&gt;চলো, তোমাকে নিয়ে এক জায়গায় যাব &lt;/i&gt;। তাঁর কথানুযায়ী তৈরি হয়ে বাসা থেকে বেরোলাম। নিয়ে গেলেন &lt;i&gt;আলমাস&lt;/i&gt;  সিনেমা হলের কাছে এক বাসায়। ওটা ছিল খ্যাতিমান চিত্রকর মুর্তজা বশীরের  বাসা। সেখানে শ্রদ্ধেয় মুর্তজা বশীরের সংগৃহীত দু-একটি আরাকানি (পঞ্চদশ  শতকের) মুদ্রার গায়ে উৎকীর্ণ আরাকানি তথা রাখাইন লিপির পাঠোদ্ধার করতে হল  আমাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরিশ্রমী গবেষক মরহুম আবদুল হক চৌধুরীর লেখা বেশ ক'টি দীর্ঘ নিবন্ধের কপি করে দিয়েছিলাম আমি &lt;i&gt;বাংলা একাডেমী পত্রিকা&lt;/i&gt; -র জন্য। তা ছাড়া বাংলা একাডেমী থেকে সদ্য প্রকাশিত তাঁর &lt;i&gt;প্রচীন আরাকান: রোয়াইঙ্গ্যা, হিন্দু ও বড়ুয়া বৌদ্ধ অধিবাসী&lt;/i&gt;  গবেষণা গ্রন্থে যতগুলো আরাকানি বৌদ্ধ তথা রাখাইন রাজার নাম রয়েছে সেগুলোর  (পাণ্ডুলিপি জমা দেওয়ার আগে) সঠিক বানান (রাখাইন উচ্চারণ অনুযায়ী) লিখে  দিয়েছিলাম। বছর দুয়েক আগে আমার প্রয়োজনে &lt;i&gt;কক্সবাজারের ইতিহাস&lt;/i&gt; গ্রন্থটা দু-একদিনের জন্য ধার চাইতে গিয়েছিলাম তাঁর বাসভবনে অর্থাৎ &lt;i&gt;মনীষা&lt;/i&gt;  -য়। সেদিন আমাকে বললেন যে, রাখাইন সম্প্রদায় সম্পর্কিত তিনটি লেখা তাঁর  প্রয়োজন। লেখাগুলো হচ্ছে-- জন্ম, বিয়ে এবং মৃত্যু সম্পর্কিত। তন্মধ্যে  ইতিপূর্বে একটা মাসিকে প্রকাশিত &lt;i&gt;রাখাইন সমাজে বিয়ে&lt;/i&gt; শীর্ষক আমার  লেখাটা তিনি সংগ্রহ করেছেন বলে জানালেন। বাকি রইল জন্ম এবং মৃত্যু অর্থাৎ  অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পর্কিত দু'টি লেখা। লেখা দু'টি শীঘ্রই তৈরি করে  দেওয়ার জন্য তিনি আমাকে তাগাদা দিলেন। তাঁর কথানুযায়ী আমি আমার অভিজ্ঞতা  এবং মাউইয়ের (মাসি) কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে &lt;i&gt;রাখাইনদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া&lt;/i&gt;  শীর্ষক লেখাটি তৈরি করলাম এবং একটা দৈনিকে পাঠিয়ে দিলাম। পরে ওই পত্রিকার  ফোটোকপি তাঁর অর্থাৎ মরহুম চৌধুরীর কাছে দিয়ে এলাম। কিন্তু প্রয়োজনীয়  খুঁটিনাটি তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারিনি বলে রাখাইন সম্প্রদায়ের জন্ম বিষয়ক  লেখাটা এতদিন তৈরি করা হয়ে ওঠেনি। সম্প্রতি আমি এ সম্পর্কিত সব তথ্য সংগ্রহ  করেছি। কিন্তু লেখাটা তৈরি করার আগেই তিনি অকস্মাৎ চলে গেলেন। একেবারে  ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। মরহুম আবদুল হক চৌধুরীর প্রয়োজনেই আমি লেখাটা তৈরি করতে  চেয়েছিলাম। এবং তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভসঞ্চার থেকে শুরু করে সন্তান  ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় রীতিনীতির খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নোট করে রাখলাম।  কিন্তু লেখাটা ছাপানো আকারে তাঁর হাতে তুলে দিতে পারলাম না। এ অপারগতা  আমাকে চিরদিন খোঁচা দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শ্রদ্ধেয় আবদুল হক চৌধুরী আলাপকালে  প্রায়ই বলতেন যে, আমাদের অর্থাৎ আমি এবং প্রভাষক মং উ সাঙের সঙ্গে অন্তত  আরও পাঁচ বছর আগে পরিচিত হলে ভালো হত। তা হলে আরাকানের ইতিহাস আরও  তথ্যসমৃদ্ধ এবং বিস্তারিত আকারে লিখতে পারতেন। আমাদের সঙ্গে আরও আগে পরিচিত  না হওয়ায় তিনি সবসময় আক্ষেপ করতেন। মৃত্যুর মাস দুয়েক আগে একটা সংকলনের  সৌজন্য কপি পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলাম। সেটাই ছিল তাঁর  সঙ্গে আমার শেষ দেখা। সেদিন বললেন, &lt;i&gt;আমার হার্টের অসুখ। কয়েকদিনের মধ্যে  ভারত যাব, চিকিৎসা করানোর জন্য। তার পর ফিরে এসে কক্সবাজার যাব।  কক্সবাজারে গিয়ে প্রত্যক্ষ করব তোমাদের (অর্থাৎ রাখাইনদের) সামাজিক  রীতিনীতি ও আচার-আচরণ &lt;/i&gt;। কিন্তু তাঁর আর কক্সবাজার যাওয়া হল না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্কুল জীবনে তাঁর গ্রন্থের (&lt;i&gt;চট্টগ্রামের সমাজ ও সংস্কৃতি&lt;/i&gt;)  সঙ্গে আমার পরিচয়। তাঁর ওই গ্রন্থ পড়েই আমি আমার পিতৃভূমি আরাকান সম্পর্কে  সর্বপ্রথম জানি। পরবর্তীতে তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ সংগ্রহ করেছি এবং পড়েছি।  অস্বীকার করব না, আরাকানের ইতিহাস নিয়ে যাঁরা গবেষণা করেন এবং লেখালেখি  করেন তাঁদের মধ্যে আমার দৃষ্টিতে মরহুম আবদুল হক চৌধুরী অন্যদের তুলনায়  বহুগুণে নিরপেক্ষ। তাই আমি প্রয়োজনে তাঁর বই থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে থাকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যক্তি  আবদুল হক চৌধুরী আজ আমাদের মাঝে নেই তা সত্য। কিন্তু তাঁর পরিশ্রমের  ফসলগুলো আমাদের বুক-শেলফগুলোতে স্থান করে নিয়েছে। তিনি তাঁর গ্রন্থের  মাধ্যমে আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল ধরে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1826260910717619573?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1826260910717619573/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1826260910717619573' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1826260910717619573'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1826260910717619573'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2011/10/blog-post_29.html' title='মানসপটে আবদুল হক চৌধুরী'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3874928642602025051</id><published>2011-10-02T20:38:00.001+06:00</published><updated>2011-10-02T20:50:14.406+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিবন্ধ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবন্ধ'/><title type='text'>কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ 'রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়'</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: large;"&gt;বাং&lt;/span&gt;লাদেশের সবচেয়ে নিম্নশিক্ষার হার  অধ্যুষিত মফস্বল শহর হচ্ছে কক্সবাজার। পর্যটননগরী কক্সবাজারের গোড়াপত্তন  থেকে অদ্যাবধি এই অঞ্চলে শিক্ষার যতটুকু সম্প্রসারণ ঘটেছে তার মুখ্য  ভূমিকায় রামু থানার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ  বিদ্যালয়ের নাম উল্লেখযোগ্য। কক্সবাজার জেলার (তৎকালীন মহকুমা) সর্বপ্রথম  উচ্চ বিদ্যালয় এটি। রামুর তদানীন্তন ধনাঢ্য রাখাইন পরিবারের সন্তান প্রয়াত  দানবীর পোয়েজা (বণিক অর্থে) উ-খিজারী এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন ১৯১৯  খ্রিস্টাব্দে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উ-খিজারীর জন্ম (জনশ্রুতিতে) ১৮৮৩  খ্রিস্টাব্দে। তিনি ছিলেন বর্মি তথা রাখাইন ভাষায় একজন সুশিক্ষিত বোদ্ধা।  বাংলা ভাষায়ও সমভাবে দক্ষ ছিলেন তিনি। বঙ্গবাসী হিসাবে তাঁর স্বদেশপ্রীতি  ছিল অপরিসীম। কর্মজীবনে বণিক হলেও তিনি ছিলেন অসাধারণ বিদ্যানুরাগী  ব্যক্তিত্ব। তাই তখনকার অন্ধকার যুগেও উ-খিজারী ভাবতে পেরেছিলেন জন্মভূমিকে  শিক্ষার আলোকে আলোকিত করবার কথা। তাঁর সেই দূরদর্শিতার ফল হচ্ছে আজকের এই  রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/--SmN096FdAY/Toh2jsoR8mI/AAAAAAAAAyY/kBR4S7-DCrU/s1600/RKMHS.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://1.bp.blogspot.com/--SmN096FdAY/Toh2jsoR8mI/AAAAAAAAAyY/kBR4S7-DCrU/s320/RKMHS.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;২.৩৫ একর জমির উপর  সর্বপ্রথম বিদ্যালয়টি নির্মিত হয় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে। বিদ্যালয় ভবনটির  নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে ব্যয় হয় তৎকালীন মুদ্রায় ৭০ হাজার টাকা (বর্তমান  অর্থাৎ ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দের মুদ্রায় হিসেব করলে দাঁড়ায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা)।  এই বিদ্যালয় ভবনটির নির্মাণশৈলীও ছিল আলাদা বৈশিষ্ট্যের। এটি ছিল সম্পূর্ণ  সেগুন কাঠের তৈরি। উ-খিজারী সুদূর রেঙ্গুন থেকে সিদ্ধ করা প্রচুর সেগুন  কাঠ এবং সুদক্ষ কাঠমিস্ত্রী আনিয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করে অপূর্ব  কারুকার্যমণ্ডিত বৌদ্ধ প্যাগোডা স্টাইলের বিদ্যালয় ভবনটি নির্মাণ  করিয়েছিলেন। ঐতিহাসিকভাবেই এটি তৎকালীন কক্সবাজার মহকুমার সর্বপ্রথম  স্থাপিত উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে স্থাপন করা হলেও  বিদ্যালয়ের নথিপত্রে দেখা যায় যে, এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ১৯১৯  খ্রিস্টাব্দে স্বীকৃতি লাভ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯২২ খ্রিস্টাব্দ।  মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন তখন তুঙ্গে। সেই  আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত (বার এট ল') এই বিদ্যালয়  প্রাঙ্গণের এক জনসভায় ব্রিটিশবিরোধী বক্তব্য রাখেন। ফলে বিদ্যালয়টি ব্রিটিশ  সরকারের রোষানলে পতিত হয়। বিদ্যালয়ের যাবতীয় সম্পদসহ বিদ্যালয়টিকে  স্থানান্তর করা হয় মহকুমা শহর কক্সবাজারে। বর্তমানে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের পূর্ব দিকে অবস্থিত জরাজীর্ণ কাঠের বেড়া ও টিনের ঘরটিই  রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভগ্নাংশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৩৯  খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সেই যুদ্ধের কাঁপন লাগে  বিশ্বব্যাপী। তার অভিশাপ থেকে রেহাই পায়নি প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই  বিদ্যালয়টি। সামরিক বাহিনীর লোকেরা হুকুমদখল করে নেয় বিদ্যালয় ভবন এবং  বিদ্যালয়ের মাঠ হয়ে ওঠে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ কেন্দ্র। ফলে বিদ্যালয়ের  কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অগত্যা বর্তমান রামু চৌমুহনীর বাস  স্টেশনসংলগ্ন দাঅং (বানানভেদে দং) দীঘির পূর্ব দিকে একচালাবিশিষ্ট একটি  খড়ের ঘরে বেশ কিছুদিন বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম  পরিহাস, এই বিদ্যালয়টির উপর একদিন নেমে এল বিরাট বিপর্যয়। ১৯৬৩  খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ। দুর্ঘটনাজনিত এক অগ্নিকাণ্ডে এই বিদ্যালয়টি  ভস্মীভূত হয়ে যায় সম্পূর্ণভাবে। রামুবাসীর জন্য এই অপ্রত্যাশিত দৈবদশা চরম  আঘাতের বেদনা বয়ে আনলেও সে বেদনায় মুহ্যমান হয়ে থাকেনি রামুবাসী।  সর্বস্তরের জনগণ তাদের প্রাণপ্রিয় বিদ্যালয়টির পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য  প্রসারিত করেছিল সাহায্যের হাত। মরহুম জাফর আলম চৌধুরীর প্রচেষ্টায় তৎকালীন  প্রাদেশিক শাসনকর্তা অনুদান দিয়েছিলেন ২৫ হাজার টাকা (তৎকালীন মুদ্রায়)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৬৪  খ্রিস্টাব্দে বিদ্যালয়টি পুনঃনির্মাণের সময় ১২ কক্ষবিশিষ্ট ১৩৮ ফুট দীর্ঘ ও  ২৮ ফুট প্রশস্ত একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়। ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে ২  কক্ষবিশিষ্ট ৫০ ফুট দীর্ঘ ও ২৭ ফুট প্রশস্ত আরও একটি দ্বিতল ভবন এবং ৮২ ফুট  দীর্ঘ ও ৩৬ ফুট প্রশস্ত একটি মিলনায়তন নির্মাণ করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রামু  খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাঙাগড়ার ইতিহাসে প্রয়াত পোয়েজা উ-খিজারীর  পর যাঁদের অবদান স্মরণীয় তাঁদের মধ্যে মরহুম মেহের আলী বিএল অন্যতম।  বিদ্যালয়টি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য তিনি যা করেছিলেন আজকাল তেমন দৃষ্টান্ত  বিরল। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও একক প্রচেষ্টায় ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক  স্থানান্তরিত এই বিদ্যালয়টি উ-খিজারী প্রদত্ত যথাস্থাসে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।  তাই আজও তিনি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে সম্মানিত ও স্মরণীয়।  মরহুম মেহের আলী সাহেবের জীবদ্দশায় তাঁর এই মহান কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ  বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সভায় জনৈক সদস্য বিদ্যালয়টিকে 'খিজারী-মেহের  আলী উচ্চ বিদ্যালয়' নামকরণের প্রস্তাব উত্থাপন করলে মেহের আলী স্বয়ং  তৎক্ষণাৎ দৃঢ়কণ্ঠে বলেছিলেন, 'খিজারী বিদ্যালয়, খিজারী বিদ্যালয়ই থাকবে।  খিজারীর নামের পাশে কারও নাম থাকতে পারে না।' তাঁর এই উক্তি তাঁর সাচ্চা  হৃদয়ের নির্লোভ উদারতা ও নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-Il_r6lWPZlA/Toh5I9OYU6I/AAAAAAAAAyc/s8amNLsCP2s/s1600/p02.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://3.bp.blogspot.com/-Il_r6lWPZlA/Toh5I9OYU6I/AAAAAAAAAyc/s8amNLsCP2s/s320/p02.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;রামু  খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে মরহুম মেহের আলীর পর যাঁর  অবদান স্মরণীয় তিনি হলেন তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা ও পার্লামেন্ট সদস্য  মরহুম জাফর আলম চৌধুরী। রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামগ্রিক  প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে মরহুম জাফর আলম চৌধুরী ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। ১৯৬৩  খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ বিদ্যালয়টি অপ্রত্যাশিত অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে  গেলে তিনি বিদ্যালয় পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি  তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক গভর্নর মোনায়েম খানকে সশরীরে  আমন্ত্রণ করে এনে বিপর্যস্ত বিদ্যালয়ের করুণ অবস্থা প্রত্যক্ষ করিয়েছিলেন।  যে কারণে প্রত্যক্ষদর্শী গভর্নর তৎক্ষণাৎ জরুরিভিত্তিতে ২৫ হাজার টাকা  অনুদান ঘোষণা করেছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়  বিদ্যালয়টি কেবল ৪ জন শিক্ষক নিয়ে পরিচালিত হত। এই ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে  একমাত্র স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষক ছিলেন বাবু জ্ঞানেন্দ্র বড়ুয়া। তিনি  দীর্ঘ ৪০ বছর এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে অতিবাহিত করেছেন। অগ্নিকাণ্ডের পর  বিদ্যালয়টির পুনঃপ্রতিষ্ঠার সময় মরহুম রশিদ আহমদ মাস্টার ও বিদ্যালয়ের  দপ্তরী আতর আলীসহ বাবু জ্ঞানেন্দ্র বড়ুয়া অক্লান্ত পরিশ্রম করে অনেক অর্থ  সংগ্রহ করেছিলেন। শিক্ষকতার মহান ব্রতে নিবেদিত থেকে বাবু জ্ঞানেন্দ্র  বড়ুয়া জ্ঞান বিতরণ করেছেন জন্মভূমিকে অশিক্ষার অন্ধকার অতল থেকে সুশিক্ষার  আলোর অভিমুখী করার স্বপ্নসাধনায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই বিদ্যানিকেতনের  শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে অনেকে অকাতরে দান করে গেছেন অবৈতনিক শিক্ষকতার  মাধ্যমে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের নাম উল্লেখের দাবি রাখে তাঁরা হলেন অধ্যক্ষ  ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী, উ-মংক্যজ, মাস্টার ফরিদুল আলম, অধ্যাপক দীপক  বড়ুয়া, মনমোহন বড়ুয়া, দয়াল হরি শর্মা, জুবায়ের আলম, জহিরুল আলম, অধ্যাপক  শাহজাহান মনির প্রমুখ। এ ছাড়া যে দু'জনের কথা স্বীকার না করলে বিদ্যালয়  প্রতিষ্ঠার ইতিহাস বর্ণনায় ত্রুটি থেকে যাবে, তাঁরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত  সহকারী শিক্ষক মরহুম রশিদ আহমদ ও দপ্তরী আতর আলী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯১৯  খ্রিস্টাব্দ থেকে অদ্যাবধি সুদক্ষ, অভিজ্ঞ ও ব্যুৎপত্তিসম্পন্ন  জ্ঞানীগুণীদের অসাধারণ মেধায় পরিচালিত হয়ে আসছে এই বিদ্যালয়টি। পূর্ণেন্দু  দস্তিদারের মতো জ্ঞানীর পরশে ধন্য হয়েছে এই বিদ্যালয়। এ ছাড়া আলতাফ মিঞা,  শশীভূষণ ভট্টাচার্য, ব্রজমোহন সাহা, রমেশচন্দ্র গুপ্ত, আলী আহমেদ,  নিকুঞ্জবিহারী নন্দী, জহির উদ্দিন, কেদারেশ্বর চক্রবর্তী, ফজলুর রহমান,  বিভূতিভূষণ সেন, কাসেম আলী, শেখ আবু আহমেদ, সুরেশচন্দ্র দেব, মমতাজউদ্দিন  আহমদ, জাকেরউল্লাহ্, মাহমুদুল হক, অমরনাথ ভট্টাচার্য, মোহাম্মদ আমির,  আক্তার আহমদ ও নন্দিত সংগীতজ্ঞ জগদানন্দ বড়ুয়ার মতো জ্ঞানীগুণী  ব্যক্তিত্বরা শিক্ষাক্ষেত্রে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অবদানকে  সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছুতে অসামান্য ভূমিকা রেখে গেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু দুঃখজনক হলেও বাস্তব যে, এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে অদ্যাবধি জাতীয়করণ করা হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;u&gt;[&lt;span class="fbUnderline"&gt;লেখাটি  ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় বাংলা দৈনিক 'সংবাদ'-এর ২৯ এপ্রিল ১৯৯৩ (মোতাবক  ১৬ বৈশাখ ১৪০০ বঙ্গাব্দ) তারিখের সংখ্যায় ছাপা হয়। লেখাটি রামুর  সাহিত্যসেবী আশীষ কুমার এবং আমি যৌথভাবে তৈরি করেছিলাম। এখানে হুবহু কম্পোজ  করে তুলে দেওয়া হল।&lt;/span&gt;&lt;/u&gt;]&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3874928642602025051?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3874928642602025051/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3874928642602025051' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3874928642602025051'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3874928642602025051'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2011/10/blog-post.html' title='কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ &apos;রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়&apos;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/--SmN096FdAY/Toh2jsoR8mI/AAAAAAAAAyY/kBR4S7-DCrU/s72-c/RKMHS.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7553825313309133649</id><published>2010-11-14T12:17:00.000+06:00</published><updated>2010-11-14T12:17:02.720+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>যেভাবে বাড়ি ও সুযোগ-সুবিধা</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;১&lt;/span&gt;৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে বেগম জিয়া ও তার  দুই ছেলেকে গুলশানে প্রায় তিন একর জায়গার ওপরে বাড়িসহ বিপুল সুযোগ-সুবিধা  দেওয়া হয়। পাশাপাশি সেনানিবাসের শহীদ মইনুল রোডের ৬ নম্বরের বাড়িটিও লিজ  দেওয়া হয় সেনানিবাস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন,  প্রেসিডেন্টস পেনশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯ উপেক্ষা করে শুধু মানবিক কারণে তাদের  এ সুযোগ-সুবিধা দেন তখনকার কর্তাব্যক্তিরা।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,  রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক করে বিপুল  পরিমাণ সুযোগ-সুবিধা খালেদা জিয়া এবং তার দুই পুত্র তারেক রহমান ও আরাফাত  রহমান কোকোকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অথচ কোনো রাষ্ট্রপতি কর্মরত থাকা  অবস্থায় মারা গেলে বা নিহত হলে তার পরিবার কী সুযোগ-সুবিধা পাবে তাও কিন্তু  সুস্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখ আছে। প্রেসিডেন্টস পেনশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯ তে  সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে জিয়াউর রহমানের পরিবার কি ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেতে  পারেন। কিন্তু তারপরও মন্ত্রিসভা বৈঠক করে বিপুল সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার  প্রস্তাব করে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;জানা যায়, ১৯৮১ সালের ১২ জুনের ওই মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে  অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি খালেদা জিয়াকে দুটি নয়, একটি বাড়ি দেওয়ার  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খালেদা জিয়া সেই বাড়িও নিয়েছেন আবার সেনানিবাসের  মইনুল রোডের বাড়িটিও ছাড়েননি। আবার বাড়িটি লিজ নেওয়ার জন্যও আবেদন করেননি।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যেসব  সুবিধা দেওয়া হয়েছে : ১৯৮১ সালের ১২ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে গুলশান মডেল  টাউনে ১৯৬নং রোডের এনই (ডি) ৩বি নং বাড়িটি মাত্র ১০১ টাকা মূল্যে  রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে বেগম জিয়া ও তার দুই ছেলের কাছে বিক্রি করা  হয়। এছাড়া ওই বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, খালেদা জিয়াকে এককালীন ১০ লাখ  টাকা অনুদান, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতির দেওয়া  গাড়ির মূল্য বাবদ এক লাখ ৭৪ হাজার টাকাও দেওয়া হয়। বেগম জিয়ার জন্য একজন  গাড়িচালক, একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন বাবুর্চি, বেয়ারা দু'জন এবং মালি ও  ঝাড়ুদারের একটি করে পদ সৃষ্টি করা হয়। সরকারি খরচে একটি টেলিফোন, তারেক  রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর দেশে-বিদেশে পড়াশোনার ব্যয়ভার বহন এবং তাদের  বয়স ২৫ বছর না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেককে মাসিক দেড় হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার জন্য সরকারি একটি গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়,  যে গাড়ির জ্বালানি খরচ সরকার দেবে। এছাড়া বাড়ির গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ  বিলও সরকার দেবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। আর মইনুল রোডের ৬নং বাড়িটি এক টাকার  বিনিময়ে পারমিচুয়াল লিজের মাধ্যমে কতিপয় শর্তে রেজিস্ট্রিকৃত দলিল মূল্যে  ইজারা দেওয়া হয়। তবে এ বাড়িটি লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে  নেওয়া হয়নি।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আইনগতভাবে যা পাওয়ার কথা : জানা যায়, প্রদত্ত  সুযোগ-সুবিধার প্রায় সবই ছিল বিধিবহির্ভূত। কারণ একজন রাষ্ট্রপতি কর্মরত  অবস্থায় মারা গেলে কি সুযোগ-সুবিধা তার পরিবার পাবে তার সুস্পষ্ট নির্দেশনা  রয়েছে প্রেসিডেন্টস পেনশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৯ তে। এ অর্ডিন্যান্সের ২(৪)  ধারা অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়া এবং দুই পুত্রের শুধু গ্রাচুইটি পাওয়ার কথা।  কাজেই প্রেসিডেন্টস পেনশন অর্ডিন্যান্স সংশোধন না করে মন্ত্রিপরিষদের  বৈঠকে সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক নয় বলে মনে করেন আইনবিদরা।  সুবিধা দিতে হলে প্রেসিডেন্টস অর্ডিন্যান্স সংশোধন না করে দেওয়া যায় না বলে  মনে করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সেনানিবাসের বাড়ি : এছাড়া যে আইন বলে খালেদা জিয়ার  মইনুল রোডের বাড়ি লিজ পাওয়ার কথা সেই আইনেই বলা আছে, লিজ পেতে হলে  সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবশ্যই আবেদন করতে হবে। কিন্তু খালেদা জিয়া বাড়িটির  লিজ পেতে আজও পর্যন্ত কোনো আবেদনই করেননি। আগে থেকেই তিনি যেহেতু বাড়িটিতে  থাকতেন তাই আবেদন না করেই ৩০ বছর ধরে ওই বাড়িটিতেই আছেন।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;জানা যায়,  বাড়িটি লিজ দেওয়ার সময় আবেদন করতে বলার পাশাপাশি লিজের চুক্তিতেও কিছু শর্ত  ছিল। চুক্তিতে এটাও উল্লেখ ছিল, ইজারাদার খালেদা জিয়া এসব শর্তের একটি  ভঙ্গ করলেও সরকার চুক্তি বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করবে। এসব শর্তের মধ্যে  একটি শর্ত ছিল বাড়িটির মূল কাঠামো পরিবর্তন করে কিছু নির্মাণ বা কিছু ভাঙা  যাবে না। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান মইনুল রোডের  বাড়িটির ভেতরে একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;সৌজন্যে : '&lt;b&gt;বাংলাদেশ প্রতিদিন'&lt;/b&gt;, ১৪ নভেম্বর ২০১০, রবিবার&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7553825313309133649?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7553825313309133649/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7553825313309133649' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7553825313309133649'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7553825313309133649'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/11/blog-post.html' title='&lt;b&gt;যেভাবে বাড়ি ও সুযোগ-সুবিধা&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3638899011369011327</id><published>2010-10-11T16:56:00.000+06:00</published><updated>2010-10-11T16:56:39.904+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>বাইনারি এবং ডিজিটাল: দুজনে দুজনার!</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ক&lt;/span&gt;খনো ভেবে দেখেছেন যে সংখ্যা নিয়ে কাজ করতে আদ্যিকালের মানুষদের কেমন সমস্যায় পড়তে হতো? পিথাগোরাসের মতো গণিতবিদ কেন দুই-এর বর্গমূল বের করতে নাকানিচুবানি খেয়েছিলেন? কেনই বা আর্কিমিডিসের মতো মহারথী শেষতক পাই-এর মান দশমিকের পর মাত্র দুই ঘর পর্যন্ত সঠিকভাবে বের করে রণে ভঙ্গ দিলেন? রোমান সংখ্যা পদ্ধতি জেনে থাকলে বলুন তো, রোমান পদ্ধতিতে MMCXLVIII = ? বোধহয় জানেন যে এখানে M = 1000, C = 100, L = 50, X = 10, V = 5 এবং I = 1 বোঝাচ্ছে। কিন্তু এটুকু জানলেই তো হবে না। এই চিহ্নগুলো কোন অবস্থানে বসলে তার হিসাবটা কেমন দাঁড়াবে সেটাও জানা চাই। যেমন, এই উদাহরণে MMCXLVIII = 1000 + 1000 + 100 + 50 - 10 + 5 + 1 + 1 + 1 = 2148। কত জটিল একটি প্রক্রিয়া! দেখতে এমনিতেই বিদঘুটে, তার ওপর আবার মান বের করতে আরেক ফেঁকড়া—কখনো যোগ কখনো বিয়োগ, একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা। এমনতর সংখ্যাপাতন নিয়ে কাজ করতে গেলে তো পিথাগোরাসই হোক আর আর্কিমিডিসই হোক, সে যতই মহাপরাক্রমশালী গণিতজ্ঞ হোন না কেন, আজকালকের প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীর কাছে পাটিগণিতের দৌড়ে গো-হারা হারবেন, তাতে আশ্চর্য কী!&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমরা এখন যে সংখ্যাপাতন ব্যবহার করি সেটা তবে কেমন? সেটা কি রোমান পদ্ধতির চেয়ে ভালো? ওই 2148-এর কথাই ধরুন। এখানে 2, 1, 4 এবং 8 চিহ্নগুলোর মানে কি তা আমরা ভালোই জানি। আমাদের সংখ্যাপাতনে ওই চিহ্নগুলোর একটা বিশেষ নাম আছে—অঙ্ক (digit)। রোমান সংখ্যাপাতনে যেমন কোন চিহ্ন কোথায় বসল সেটা খেয়াল করা জরুরি, তেমনি আমাদের সংখ্যাপাতনেও অঙ্কগুলোর অবস্থান জানা আবশ্যক, নতুবা সংখ্যাটার মান বের করা সম্ভব নয়। 2148-এর 2 এবং 4 যদি একে অপরের সঙ্গে জায়গা বদল করে তাহলে সংখ্যাটা পাল্টে 4128 হয়ে যায়। এমন কেন হয় তা বুঝতে হলে আরেকটু পেছনে তাকাতে হবে। 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9—এই পর্যন্ত এসে দেখা যাচ্ছে, আমাদের অঙ্কের ভান্ডার ফুরিয়ে গেল। কারণ আমরা যেভাবে গুনতে শিখেছি সেখানে অঙ্ক আছে সর্বসাকল্যে দশটি। তাই উপায় না দেখে 9-এর পরে 10 বসাই। এখানে এক অঙ্কের সবচেয়ে বড় সংখ্যা 9-এর পরে চক্রাকারে 0 এসে জুটেছে, তবে একটা পুরো চক্কর ইতিমধ্যে যে দেওয়া শেষ তা বোঝাতেই ওই 0-এর বামে একটা 1 বসেছে। এভাবে 10, 11, 12, 13, ... 19-এর পরে গিয়ে আরেক চক্কর পুরো হওয়ায় 0-এর বামে একটা 2 বসে তৈরি করল 20। এমনিভাবে দুই অঙ্কের সবচেয়ে বড় সংখ্যা 99-এর পরে বসছে 100 এবং এভাবে অসীমতক চলছে তো চলছেই!&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তাহলে দেখা যাচ্ছে, কোনো অঙ্কের ঠিক বাম পাশে যে অঙ্কটি বসছে সেটা আসলে প্রথমোক্ত অঙ্কটি কতগুলো চক্কর সম্পন্ন করেছে তার হিসাব দেয়। 2148-এর ক্ষেত্রে, সবচেয়ে ডানের 8 থেকে বোঝা যায় যে সেটি তার সর্বশেষ চক্করের পর আট ধাপ এগিয়েছে। তার বামে 4 নির্দেশ করছে যে দশ অঙ্কের চারটি চক্কর (4 × 10 = 40) সম্পন্ন করে অবশিষ্ট 8 তার ডানে বসেছে। একইভাবে 4-এর বামে 1 নির্দেশ করছে যে সেখানে একটি চক্কর সম্পন্ন হয়ে 4 বাকি রয়েছে। এটা যেহেতু বাম থেকে তিন নম্বর স্থান, তাই এখানকার এক চক্কর মানে হলো সর্বমোট 1 × 10 × 10 = 100 চক্কর। তাহলে আমরা যে সংখ্যাপাতন ব্যবহার করি সেখানে বিভিন্ন অঙ্ক তার অবস্থান অনুযায়ী বিভিন্ন মান নেয়। 2148-এর মান বুঝতে হলে চক্করের হিসাবটা মাথায় থাকা দরকার। 2148 = (2 × 10 × 10 × 10) + (1 × 10 × 10) + (4 × 10) + 8 &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt; = 2 × 103 + 1 × 102 + 4 × 101 + 8 × 100&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt; রোমানরা সংখ্যার বিভিন্ন চিহ্নের স্থানভিত্তিক মান বের করতে যে হরেক রকমের যোগ-বিয়োগের ব্যবসা ফেঁদেছিল, তার তুলনায় আমাদের সংখ্যাপাতন বেশ সাদামাটা। বাম থেকে যত নম্বর ঘর তার চেয়ে এক কম হবে দশের ঘাত (power) এবং এভাবে যা পাওয়া যাবে ওই ঘরে বসা অঙ্কের যা মান তার সঙ্গে গুণ করুন। তারপর এভাবে পাওয়া সবগুলো মান যোগ করতে হবে। দশটা চিহ্নেই কেল্লাফতে! অসীম পর্যন্ত সংখ্যা লেখা যাচ্ছে। রোমানদের সংখ্যা একটু বড় হলেই সেটাকে লেখার জন্য নিত্যনতুন চিহ্ন আমদানি করতে হতো।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্ন হলো, আমাদের সংখ্যাপাতনে দশটার কম চিহ্ন ব্যবহার করে অসীমতক সংখ্যা লিখে যাওয়া সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব! বর্তমানে প্রচলিত সংখ্যাপাতনের যে বিশেষ রূপটি আমরা দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যবহার করি সেটায় চিহ্ন বা অঙ্ক দশটি, তাই এর আরেক নাম দশমিক বা দশভিত্তিক (decimal) সংখ্যা-পদ্ধতি। এই একই সংখ্যাপাতনে যেকোনো n সংখ্যক (n স্বাভাবিক সংখ্যা) চিহ্ন ব্যবহার করে n-ভিত্তিক সংখ্যা-পদ্ধতি বানানো যায়। উদাহরণস্বরূপ পাঁচভিত্তিক সংখ্যা-পদ্ধতি বানিয়ে দেখা যাক। পাঁচভিত্তিকে অঙ্ক পাঁচটি—0, 1, 2, 3 এবং 4। এর বাইরে আর কোনো অঙ্ক সেখানে ব্যবহার করা চলবে না। দশ ভিত্তিকে যেমন 9-এর পরে 10 বসল তেমনি পাঁচভিত্তিকে 4-এর পরে 10 বসবে। একটু অদ্ভুত লাগছে বটে, তবে দশ ভিত্তিকের 5 এবং পাঁচ ভিত্তিকের 10 একই সংখ্যা নির্দেশ করে! সাধারণভাবে বলা যায়, a1a2a3a4...ak যদি k অঙ্কবিশিষ্ট n-ভিত্তিক সংখ্যা হয় তাহলে তার মান হবে, a1 × nk–1 + a2 × nk–2 + a3 × nk–3 + ... + ak–1 × n1 + ak × n0 &lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt; এটাই হলো আমাদের বহুল ব্যবহূত সংখ্যাপাতনের সাধারণ রূপ। এখানে n-এর মান দশ বসালে সেটা হবে দশ ভিত্তিক সংখ্যাব্যবস্থা, পাঁচ বসালে পাঁচ ভিত্তিক, ত্রিশ বসালে ত্রিশ ভিত্তিক, ষোল বসালে ষোল ভিত্তিক ... ইত্যাদি ইত্যাদি। অবশ্য দশের বেশি ভিত্তি নিয়ে কাজ করতে গেলে নতুন চিহ্ন আমদানি করতে হবে। যেমন: ষোলভিত্তিক সংখ্যাব্যবস্থার অঙ্কগুলো হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, a, b, c, d, e এবং f।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখন প্রশ্ন হলো, আলোচ্য সংখ্যাপাতনে সবচেয়ে সরল সংখ্যা-পদ্ধতি কোনটা হতে পারে? যেটায় সবচেয়ে কমসংখ্যক চিহ্ন ব্যবহার করা লাগে, সেটাই নিশ্চয়ই সবচেয়ে সরল। সবচেয়ে সরল সংখ্যা-পদ্ধতি হলো দুই ভিত্তিক (binary) পদ্ধতি। বাইনারি গণনায় 1-এ এসেই দেখা যাচ্ছে আমাদের অঙ্কের ভান্ডার ফুরিয়ে গেল। কারণ বাইনারিতে অঙ্ক আছে সর্বসাকল্যে দুটি—0 এবং 1। তাই উপায় না দেখে 1-এর পরে 10 বসাই। এখানে এক অঙ্কের সবচেয়ে বড় সংখ্যা 1-এর পরে চক্রাকারে 0 এসে জুটেছে, তবে একটা পুরো চক্কর ইতিমধ্যে যে দেওয়া শেষ তা বোঝাতেই ওই 0-এর বামে একটা 1 বসেছে। এভাবে 10, 11-তে গিয়ে আরেক চক্কর পুরো হওয়ায় 0-এর বামে আরও একটা 0 বসে সেই চক্করও খতম করে তৈরি করল 100। দশ ভিত্তিকে যা 4, বাইনারিতে সেটাই 100। তারপর আসবে 101, 110, 111, 1000, 1001, ... এভাবে অসীমতক চলতে থাকবে। বাইনারিতে 101010-এর মান কত? উপরের সংখ্যাপাতনের ‘চক্করওয়ালা’ সাধারণ সূত্র হতে লেখা যায়, বাইনারিতে 101010 = 1 × 25 + 0 × 24 + 1 × 23 + 0 × 22 + 1 × 21 + 0 × 20 = 42। অর্থাৎ বাইনারিতে যা 101010, দশভিত্তিকে তা-ই 42।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে চারদিক কম্পিউটারে সয়লাব। এই কম্পিউটারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের মূলে আছে বাইনারি—1 আর 0, on আর off, বিদ্যুৎপ্রবাহের উপস্থিতি আর অনুপস্থিতি। বাইনারির ব্যাপারটা যদি না থাকত তাহলে আমরা কম্পিউটার বানাতে পারতাম না। কারণ হলো বিদ্যুতের কিংবা বিজলি বাতির মাত্র দুটি অবস্থা হতে পারে। আছে বা নেই, জ্বলে বা নিভে থাকে। এই আছে বা নেই দিয়ে যদি সব ‘কথা’কে প্রকাশ করা যায় তাহলেই কেবল বিদ্যুৎ দিয়ে ‘কাজ’ করার যন্ত্র বানানো সম্ভব। কম্পিউটার হোক বা মুঠোফোন হোক সবই এই এক আর শূন্যের ভোজবাজি। কম্পিউটারে টাইপ করার বেলায় একসেট ক্যারেক্টার ব্যবহূত হয়। প্রতিটি বর্ণ এক একটি ক্যারেক্টার, প্রতিটি বিরামচিহ্ন এবং কার-ফলা এক একটি ক্যারেক্টার, কিছু ক্যারেক্টার আছে যেগুলো চাপলে কম্পিউটারের পর্দায় সেটার জন্য নির্দিষ্ট কোনো চিহ্ন ভেসে ওঠে না কিন্তু লেখার ধাঁচকে প্রভাবিত করে—সেগুলোও এক একটা ক্যারেক্টার। আমাদের দেশে প্রতিটি মুঠোবার্তার সর্বোচ্চ সীমা 160 ক্যারেক্টার, 160 বর্ণ নয়। এই ক্যারেক্টারগুলোকে আলাদা আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য কম্পিউটারের ভেতরে বাইনারি পদ্ধতিকে কাজে লাগানো হয়। আগে ছিল আসকি সংকেত আর এখন হয়েছে ইউনিকোড। দুটোতেই সব বর্ণকে এক আর শূন্য দিয়ে সাজানো হয়েছে। কাজেই কম্পিউটারের কাজ করতে কোনো অসুবিধা হয় না। এ কারণে বাইনারি পদ্ধতিকে অনেকে ডিজিটাল পদ্ধতি বলে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সবশেষে একটি প্রশ্ন। এই দুনিয়ায় 10 ধরনের মানুষ আছে—যারা বাইনারি বোঝে আর যারা বাইনারি বোঝে না। প্রিয় পাঠক, আপনি কোন দলে?&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt; ডিজিটাল দিনের শুভেচ্ছা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;সৌজন্যে: &lt;b&gt;প্রথম আলো&lt;/b&gt; (১০ অক্টোবর ২০১০, রবিবার)&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3638899011369011327?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='related' href='http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-10/news/100077' title='বাইনারি এবং ডিজিটাল: দুজনে দুজনার!'/><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3638899011369011327/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3638899011369011327' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3638899011369011327'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3638899011369011327'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/10/blog-post.html' title='বাইনারি এবং ডিজিটাল: দুজনে দুজনার!'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-441322436448414425</id><published>2010-09-16T18:01:00.001+06:00</published><updated>2010-09-16T18:02:53.188+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোহিঙ্গা'/><title type='text'>আগে ছিল আশীর্বাদ (!), এখন অভিশাপ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;১&lt;/span&gt;৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে যখন ইস্যুটা শুরু হয় তখন মোটামুটি দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতির সামাল দিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান। পরে ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয়বার যখন একই ইস্যু নিয়ে দেশের পরিস্থিতি বেসামাল তখনকার সরকার প্রধান কিন্তু বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হন। বরং ধর্মীয় আবেগকে প্রশ্রয় দিয়ে সমস্যার স্থায়ী রূপ দেন। স্থানীয় শিক্ষিত বেকার, জনপ্রতিনিধি এবং আমলারা ওই ইস্যুকে কেন্দ্র করে যাঁর-যাঁর আখের গুছিয়েছেন। কেউ-কেউ আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখন কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষ &lt;i&gt;পরিবেশ বাঁচাও-পরিবেশ বাঁচাও&lt;/i&gt; বলে যে চিৎকার দিচ্ছেন তখন কেন তাঁরা দূরদৃষ্টি দিয়ে বিষয়টি বিবেচনা করেননি? এসব ভণ্ড পরিবেশবাদী, জনপ্রতিনিধি ও সংবাদকর্মীদের তখনকার আরাধ্য ছিল একটাই; তা হল, ওইসব অনুপ্রবেশকারীদের দেখভালের জন্য যে-সমস্ত আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা বাংলাদেশে আসন গেড়েছে সেগুলোয় চাকরি পাওয়া, নয় তো ঠিকাদারি জোগাড় করা। ওইসব অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি তকমা লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত পাড়ি জমিয়েছে আমাদের দেশপ্রেমিক (!) জনপ্রতিনিধি আর আমলাদের কল্যাণে। এখন প্রবাসে তাদের অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বাংলাদেশের।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এবার বুকে হাত দিয়ে ভেবে দেখুন তো &lt;b&gt;আমরা কতোটুকু দেশপ্রেমিক, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন এবং বিচক্ষণ?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-441322436448414425?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/441322436448414425/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=441322436448414425' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/441322436448414425'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/441322436448414425'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/09/blog-post_16.html' title='আগে ছিল আশীর্বাদ (!), এখন অভিশাপ'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-2341268178803146942</id><published>2010-09-05T02:29:00.002+06:00</published><updated>2010-09-05T02:42:08.827+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><title type='text'>এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;কা&lt;/span&gt;ন টানলে যেমন মাথা আসে, তেমনি মতিউর রহমান প্রসঙ্গ এলে &lt;i&gt;প্রথম আলো&lt;/i&gt;ও আপনা-আপনি চলে আসে। তিনি যেভাবে &lt;i&gt;ভোরের কাগজ&lt;/i&gt; থেকে দলবলসহ বেরিয়ে এসে &lt;i&gt;প্রথম আলো&lt;/i&gt; জন্ম দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে একে শীর্ষস্থানে নিয়ে এসেছেন তাতে করে আমার বিবেচনায় মতিউর রহমানকে &lt;i&gt;প্রথম আলো&lt;/i&gt; থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখার কোনো অবকাশ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনার পর থেকে &lt;i&gt;প্রথম আলো&lt;/i&gt; যেভাবে সোচ্চার (যেমন: ফলো-আপ রিপোর্ট, সম্পাদকীয়, উপ-সম্পাদকীয় এবং মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশ করে) হয়েছে অন্য কোনো পত্রিকা কি সে রকম সোচ্চার হয়েছে?&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;সেই সফল সম্পাদক মতিউর রহমান সম্পর্কে কিনা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে &lt;a href="http://www.sheershanews.com/index.php?option=com_content&amp;amp;view=article&amp;amp;id=25840:2010-09-03-09-39-52&amp;amp;catid=38:2009-07-14-11-44-15&amp;amp;Itemid=55" target="_blank"&gt;নৌ-পরিবহন মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন!&lt;/a&gt; মতিউর রহমানের দিকে সন্দেহের আঙুল তুলেছেন কে বা কারা? অভিযোগটা কি আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের পক্ষ থেকে, না কি বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ থেকে তোলা হয়েছে?&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-2341268178803146942?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/2341268178803146942/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=2341268178803146942' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2341268178803146942'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2341268178803146942'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/09/blog-post.html' title='&lt;b&gt;এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7434075447192410951</id><published>2010-08-30T02:34:00.001+06:00</published><updated>2010-08-30T02:38:31.071+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বিতর্ক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><title type='text'>'উপজাতি না আদিবাসী ?'</title><content type='html'>&lt;h2&gt;&lt;img src="http://prothom-aloblog.com/img/uploads/52f84fe8ffbaefe9fb570348441c6e49.jpeg" /&gt;&lt;/h2&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-size: x-large;"&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;উ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;পর্যুক্ত শিরোনামটি আমার দেওয়া না, &lt;b&gt;সিকদা৭১&lt;/b&gt; এর কাছ থেকে ধার নেওয়া। &lt;b&gt;সিকদা৭১&lt;/b&gt; এই শিরোনামে গত ২৫ আগস্ট &lt;a href="http://prothom-aloblog.com/posts/3/106736/#comment-1274331" target="_blank"&gt;একটি পোস্ট&lt;/a&gt; দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর একজন সদস্য হিসাবে আমিও উক্ত পোস্টে একটি মন্তব্য করেছিলাম। আমার মন্তব্যের সূত্র ধরে পোস্টদাতা এবং পরে আমারসহ অন্যান্য ব্লগারের আরও যে-সব মন্তব্য এসেছে সেগুলো নীচে কপি-পেস্ট করে (বাঁকা হরফে) দিলাম:&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;মং হ্লা প্রু পিন্টু&lt;/b&gt; ২৫ আগস্ট ২০১০, ১৪:৫২&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     আপনার পোস্টটি পড়ে আমার ধারণা হল, &lt;b&gt;আদিবাসী&lt;/b&gt; বলুন কিংবা &lt;b&gt;ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী&lt;/b&gt;ই বলুন আপনি তাদের &lt;b&gt;উপজাতি&lt;/b&gt; বানিয়েই ছাড়বেন। বাংলায় &lt;b&gt;উপজাতি&lt;/b&gt; শব্দটা নিশ্চয়ই কোনো ইংরেজি শব্দ থেকে এসেছে, তাই না? এবার দয়া করে বলুন, কোন ইংরেজি শব্দ থেকে অবমাননাকর এই &lt;b&gt;উপজাতি&lt;/b&gt; শব্দটা এসেছে। তার পর আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করব।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt; &lt;br /&gt;&lt;b&gt;সিকদা৭১&lt;/b&gt; ২৫ আগস্ট ২০১০, ১৫:২৩&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt; আপনি হয়ত না কিন্তু আপনাদের স্বজাতি যেভাবে বিদেশের মাটিতে বাংগালীদের তথা বাংলাদেশিদের আত্যাচারি বানিয়ে যে ভাবে প্রপাগান্ডা চালাছ্ছে তা কি মেনে নেওয়া যায়?এতে আমার মত কেউ যদি দেশ প্রেমের কারনে কিছু সত্য তথ্য যদি তুলে ধরে তা কি অন্যায়?&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt; &lt;br /&gt;&lt;b&gt;মং হ্লা প্রু পিন্টু&lt;/b&gt; ২৫ আগস্ট ২০১০, ১৬:০৭&lt;br /&gt;আপনি কিন্তু আমার প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন।&lt;br /&gt;&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;আপনাদের স্বজাতি&lt;/b&gt;, এখানে আমার বা আমাদের স্বজাতি বলতে আপনি কাদের বুঝিয়েছেন ঠিক বোধগম্য হল না। ধরে নিচ্ছি, আপনি &lt;b&gt;চাকমা&lt;/b&gt;দের বুঝিয়েছেন। &lt;b&gt;আদিবাসী&lt;/b&gt; বা &lt;b&gt;ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী&lt;/b&gt;র মধ্যে &lt;b&gt;চাকমা&lt;/b&gt;রাই রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বেশি নিয়েছে কিংবা পেয়েছে। অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য বিদেশি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শিক্ষাবৃত্তির বলতে গেলে ৯৯ শতাংশই &lt;b&gt;চাকমা&lt;/b&gt;দের দখলে। আর এগুলোর বেশির ভাগ হয়েছে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে, যোগ্যতার মাপকাঠিতে হয়েছে খুব কম।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     সে যা-ই হোক, &lt;b&gt;উপজাতি&lt;/b&gt; কন্সেপ্ট বা ধারণা নিয়ে আমি আপনার সঙ্গে আলোচনা করতে চেয়েছিলাম। এখানে বলে রাখা ভালো যে, আমি &lt;b&gt;উপজাতি&lt;/b&gt; শব্দের ঘোর বিরোধী।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt; &lt;br /&gt;&lt;b&gt;নিজাম কুতুবী&lt;/b&gt; ২৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:১৩&lt;br /&gt;উপজাতি না আদিবাসী ?&lt;br /&gt;কোনটাই নয়&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আমরা সবাই বাঙ্গালী&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;মং হ্লা প্রু পিন্টু&lt;/b&gt; ২৫ আগস্ট ২০১০, ১৯:৩৫&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     নিজাম ভাই, কিছু মনে করবেন না। এখানেও (আপনার ওই বাক্যের ব্যাপারে) আমার দ্বিমত আছে।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     দ্বিমতের প্রধান কারণ, &lt;b&gt;আমি বাংলা ভাষাভাষির লোক নই অর্থাৎ আমার মাতৃভাষা বাংলা নয়।&lt;/b&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt; &lt;br /&gt;&lt;b&gt;পলাশমিঞা&lt;/b&gt; ২৫ আগস্ট ২০১০, ২০:১০&lt;br /&gt;অনেক কিছু আজ জানলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;সাইদুর রহমান চৌধুরী&lt;/b&gt; ২৬ আগস্ট ২০১০, ০২:৩৩&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt; যে বা যারাই এই 'উপজাতি' শব্দটির প্রচলন করেছেন তাঁরা এটা মাথায় আনেননি যে শব্দটি যাদের উদ্দেশ্যে ব্যবহুত হচ্ছে তাঁদের জন্য অসম্মানজনক, কারন 'উপ' দিয়ে কম, অধস্তন বা নিম্নমানের এরকম বোঝানো হয়। কাজেই উপজাতি বললে জাতির-উপ হয়ে যায়, সে হিসাবে ইংরেজি ট্রাইব এর বাংলা হিসাবে 'উপজাতি' যথাযথ শব্দ হয়নি, এটা ব্যবহার করাও অনুচিত মনে করি।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt; ট্রাইব-এর যে নৃতাত্ত্বিক সঙ্গা, তাতে আমাদের দেশের এই জাতিসত্ত্বাসমূহ ট্রাইবই, ইংরেজিতে ট্রাইব শব্দটি অসম্মানজনকও নয়, কিন্তু তার বাংলা 'উপজাতি' করলে তা অসম্মানজনক হয়ে যায়।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt; &lt;br /&gt;&lt;b&gt;মং হ্লা প্রু পিন্টু&lt;/b&gt; ২৬ আগস্ট ২০১০, ১২:৩৪&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     সাইদ ভাই, আপনি &lt;b&gt;ট্রাইব&lt;/b&gt;-এর সংজ্ঞা টানতে গিয়ে নৃতাত্ত্বিক প্রসঙ্গটি টেনেছেন, এবং টেনে আমাদের ( ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসমূহ) &lt;b&gt;ট্রাইব&lt;/b&gt; অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন। আমার মতে, এ ব্যাপারেও বিস্তর আলোচনার অবকাশ রয়েছে।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     স্থান-কাল ভেদে &lt;b&gt;ট্রাইব&lt;/b&gt;রা কখনো &lt;b&gt;জাতি&lt;/b&gt;তে (নেশন) উন্নীত হয় কি না? কিংবা &lt;b&gt;জাতি&lt;/b&gt; কখনো &lt;b&gt;ট্রাইব&lt;/b&gt;-এ পরিণত হয় কি না?&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     আপনি তো এখন বিদেশে আছেন। ইংল্যান্ডের পূর্ব লন্ডনে তো অনেক বাঙালি (বাংলা ভাষাভাষি) স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। তারা সেখানে কেবল &lt;b&gt;বাঙালি&lt;/b&gt;, না &lt;b&gt;বাংলাদেশি বাঙালি / ভারতীয় বাঙালি&lt;/b&gt;, না কি &lt;b&gt;বাঙালি ট্রাইব&lt;/b&gt; (উপজাতি) নামে পরিচিত?&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     প্রশ্নটা অন্যভাবেও করা যায়, ভারতে তো একাধিক ট্রাইবাল (ক্ষুদ্র জাতিসত্তা অধ্যুষিত) প্রদেশ এখনও বিদ্যমান। যেমন: &lt;b&gt;মণিপুর, ত্রিপুরা, মিজোরাম&lt;/b&gt; প্রভৃতি। অদূর ভবিষ্যতে এ সমস্ত প্রদেশ থেকে প্র অব্যয়টি খসে গেলে এরা কি &lt;b&gt;জাতি&lt;/b&gt;তে (নেশন) উন্নীত হয়ে যাবে?&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;     এই ভূখণ্ডে বাঙালিরা শাসকশ্রেণী তো, তাই নিজের (সংকীর্ণ) অবস্থান থেকেই তারা সবকিছুকে দেখে এবং সংজ্ঞায়িত করে।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;i&gt;     সাইদ ভাই, এ প্রসঙ্গে আমি আপনার further বক্তব্য প্রত্যাশা করছি।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমার প্রত্যাশা ছিল, প্রিয় ব্লগার &lt;b&gt;সাইদুর রহমান চৌধুরী&lt;/b&gt; (এবং আগ্রহী অন্য ব্লগাররাও) আলোচনাটি চালিয়ে যাবেন যাতে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি উপস্থাপনের মাধ্যমে মোটামুটি একটা উপসংহারে পৌঁছানো যায়। কিন্তু আলোচনাটি আর এগয়নি। হয়তো তিন-চার দিনের পুরনো পোস্ট বলে আমার শেষ মন্তব্যটি সবার, বিশেষ করে সাইদ ভাইয়ের দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে। তাই, সবার অংশগ্রহণের প্রত্যাশায় প্রাসঙ্গিক মন্তব্যগুলো কপি-পেস্টের মাধ্যমে নতুন পোস্ট আকারে উপস্থাপন করা। জানি না, আমার এই নতুন পোস্ট দেওয়ার ব্যাপারটাকে ব্লগাররা বাড়াবাড়ি বলে মনে করবেন কি না।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7434075447192410951?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7434075447192410951/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7434075447192410951' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7434075447192410951'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7434075447192410951'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/08/blog-post_30.html' title='&apos;উপজাতি না আদিবাসী ?&apos;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-8778768183365624687</id><published>2010-08-13T11:29:00.002+06:00</published><updated>2010-08-13T11:42:49.815+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভিন্ন মত'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমালোচনা'/><title type='text'>'কক্সবাজারের দর্শনীয় স্থানসমূহ' এর 'মাথিনের কূপ, টেকনাফ' প্রসঙ্গে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;&lt;b&gt;দৈনিক রূপসীগ্রাম&lt;/b&gt;&lt;/i&gt; এর সূচনা সংখ্যার চাররঙা সাপ্লিমেন্টারি টেবলয়েডের লেখাগুলোয় চোখ বুলাচ্ছিলাম। এক জায়গায় (১৫-১৬ পৃষ্ঠায়) মং বা অঙের লেখা (উল্লিখিত শিরোনামের) দেখে আগ্রহ নিয়ে পড়ছিলাম। কিন্তু লেখাটির এক জায়গায় (&lt;i&gt;মাথিনের কূপ, টেকনাফ&lt;/i&gt; উপ-শিরোনামের অংশে) এসে আমার মনে খটকা লাগল। সে অংশটুকু আমি এখানে হুবহু উদ্ধৃতি দিচ্ছি, &lt;i&gt;...চতুর্দশ বয়সী জমিদার কন্যা মাথিন ও ধীরাজ ভট্টাচার্যের নিখাদ প্রেমের ঐতিহাসিক নিদর্শন এ মাথিনের কূপ। গোত্র আভিজাত্যের প্রতিবন্ধকতায় ধীরাজ জমিদার মগ কন্যাকে বিয়ে করতে ব্যর্থ হন। সুমধুর প্রেমের করুণ বিচ্ছেদে প্রেম সম্রাজ্ঞী তিলে তিলে মৃত্যু বরণ করেন। এতে শাশ্বত অকৃত্রিম প্রেমের এক ইতিহাস বিরচিত হয়। মাথিনের অতৃপ্ত প্রেমের অমোঘ সাক্ষী মাথিনের কূপ।&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;লেখক মং বা অং তাঁর &lt;i&gt;&lt;b&gt;ঙারো রাখাইন&lt;/b&gt;&lt;/i&gt; গ্রন্থে মাথিনের কূপ প্রসঙ্গে ঠিক উল্টো কথাই লিখেছিলেন। আমি এখানে মং বা অঙের গ্রন্থ থেকে দুটো অংশ হুবহু উদ্ধৃতি দিচ্ছি, &lt;i&gt;...১৯৮৪ সালের আগ পর্যন্ত টেকনাফের অন্যান্য পাতকূয়ার মতই এটি একটি সাধারণ পাতকূয়া ছিল মাত্র। টেকনাফের তরুণ সাংবাদিক আবদুল কুদ্দুস রানা ধীরাজ ভট্টাচার্যের ‘যখন পুলিশ ছিলাম’ উপন্যাসে বর্ণিত কাহিনীর আলোকে ‘দুটি জীবনের মিলন ও বিচ্ছেদের সাক্ষী’ শিরোনামে ধীরাজ-মাথিনের প্রেম কাহিনী, অসম ও অতৃপ্তি প্রেমের নীরব সাক্ষী হিসেবে কূপটিকে বর্ণনা করে কূপের পাশে একটা সাইনবোর্ড টাংগিয়ে দেন। &lt;/i&gt;(পৃষ্ঠা ১৪৫)&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;...লাইলী-মজনু, রোমিও-জুলিয়েট এর সত্য প্রেম কাহিনী নিয়ে নাটক, সিনেমা আছে, থাকবে এতে কারো দ্বিমত নেই। ধীরাজ-মাথিনের প্রেম কাহিনী যেখানে সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন সে কাহিনী নিয়ে টেলিফিল্ম নির্মাণ হওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে তা সাধারণ পাঠক মাত্রই অনুধাবন করতে পারবেন।&lt;/i&gt; (পৃষ্ঠা ১৪৮)&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এ ব্যাপারে মং বা অঙের সঙ্গে মুঠোফোনে আমি কথা বলেছি। তিনি জানালেন, মাথিনের কূপ নিয়ে তিনি যা লিখেছেন তা ছাপা হয়নি, ছাপা হয়েছে কেবল ধীরাজ ভট্টাচার্যের কল্পকাহিনী।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখন আমার প্রশ্ন, সম্পাদক কি একজন লেখকের বক্তব্যকে নিজের মতো উপস্থাপন করতে পারেন?&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;মং হ্লা প্রু পিন্টু&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;রামু, কক্সবাজার&lt;br /&gt;maung.pintu@gmail.com&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-8778768183365624687?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/8778768183365624687/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=8778768183365624687' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/8778768183365624687'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/8778768183365624687'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/08/blog-post_13.html' title='&apos;কক্সবাজারের দর্শনীয় স্থানসমূহ&apos; এর &apos;মাথিনের কূপ, টেকনাফ&apos; প্রসঙ্গে'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3648984910775674533</id><published>2010-08-05T10:16:00.002+06:00</published><updated>2010-08-05T11:11:48.143+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বধ্যভূমি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>মহেশখালিতে ১০টি বধ্যভূমির সন্ধান</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TFo6GfjyCjI/AAAAAAAAAgY/7jYVgeiILd0/s1600/bodhyovumi.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://4.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TFo6GfjyCjI/AAAAAAAAAgY/7jYVgeiILd0/s320/bodhyovumi.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ক&lt;/span&gt;ক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালিতে স্বাধীনতার দীর্ঘ ৩৯ বছর পর এই প্রথম বারের মতো নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতায় ১০টি বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব বধ্যভূমিতে চিরশায়িত আছেন '৭১ সালে রাজাকার-আলবদরের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে খুন হওয়া ৮৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href="http://www.coxsbazarnews.com/shownewsdetails.php?details=16106"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে মহেশখালিতে বধ্যভূমির শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া শুরুই করা যায়নি। তৎকালীন শাসক দলীয় লোকজনের পরামর্শে স্থানীয় প্রশাসন মহেশখালিতে মুক্তিযোদ্ধার কোনো বধ্যভূমির অস্তিত্ব নেই বলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর রিপোর্ট দিয়েছিল। অথচ সেই মহেশখালিতে একে-একে বেরিয়ে এসেছে ১০টি বধ্যভূমি এবং সেখানে চিরশায়িত মুক্তিকামী ৮৮ জন বীর শহিদের তালিকা, যেগুলো এতোদিন শনাক্তকরণের অভাবে অবহেলায় পড়ে ছিল। অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে গত ২৬ জুলাই কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক গিয়াস উদ্দিন ও মহেশখালির উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম কাউসার হোসেন এর উদ্যোগে শুরু হয় শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের বধ্যভূমি আবিষ্কার, সংরক্ষণ ও শহিদদের তালিকা তৈরির কাজ। এ লক্ষ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে আহ্বায়ক করে একটি বধ্যভূমি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়। উক্ত টিম ২৬ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় গিয়ে অনুসন্ধান করে মোট ১০টি বধ্যভূমি আবিষ্কার করে। অনুসন্ধানে উঠে আসা ৮৮ জন শহিদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় ১৩ জন মুসলমান, ৩ জন রাখাইন (একজন বৌদ্ধ ভিক্ষুসহ) এবং অবশিষ্ট ৬২ জন সনাতন ধর্মাবলম্বী অর্থাৎ হিন্দু।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.coxsbazarnews.com/shownewsdetails.php?details=16106"&gt;বিস্তারিত এখানে ~&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3648984910775674533?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3648984910775674533/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3648984910775674533' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3648984910775674533'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3648984910775674533'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/08/blog-post.html' title='মহেশখালিতে ১০টি বধ্যভূমির সন্ধান'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TFo6GfjyCjI/AAAAAAAAAgY/7jYVgeiILd0/s72-c/bodhyovumi.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-2071610601185776686</id><published>2010-07-28T04:08:00.007+06:00</published><updated>2010-08-06T16:49:10.798+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><title type='text'>প্রতিবন্ধী শিশুদের বিদ্যাপীঠ</title><content type='html'>&lt;div style="font-family: inherit; text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;শি&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;শুদের আগামী দিনের রাষ্ট্রের উপযুক্ত নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে সরকার&amp;nbsp; শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।&amp;nbsp; আমাদের সমাজে অনেক প্রকার প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে । তারা কোন সময় সমাজ,জাতি,ও রাষ্ট্রের&amp;nbsp; জন্য বোঝা হতে পারে না।স্ব-স্ব মেধায় উপযুক্ত নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে&amp;nbsp; সরকারী,বেসরকারী ভাবে প্রচেষ্টা দিন-দিন বৃদ্ধি করতে উচিত । শহর ও গ্রামের অর্থশালী পরিবারের প্রতিবন্ধী&amp;nbsp; শিশুদের অভিভাবকরা&amp;nbsp; তাদের কে ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষা প্রদানের&amp;nbsp; ব্যবস্থা করতে পারলে ও অজপাড়া গাঁয়ের দরিদ্র পরিবারের সেই&amp;nbsp; প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য এখনো স্থানীয় ভাবে শিক্ষার যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি হয়নি।এ কারনে&amp;nbsp; সরকারের পাশপাশি বেসরকারী প্রতিষ্টান&amp;nbsp; ও বিত্তবান দের&amp;nbsp; সমাজ সেবার মনোভাব দিন-দিন বেড়ে চলছে । দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে&amp;nbsp; সকল শ্রেনীর প্রতিবন্ধী অ-প্রতিবন্ধী মানুষের শিক্ষার অধিকার&amp;nbsp; নিশ্চিত করতে এক অন্যন্য ও ব্যতিক্রমী প্রশংসনীয় উদ্দ্যোগে এগিয়ে এসেছে অত্র এলাকার একজন সংবাদকর্মী ও অপর কয়েকজন শিক্ষানুরাগীর প্রচেষ্ঠায় সম্ভব হয়েছে এই মহতি উদ্দ্যোগ। এলাকার হতদরিদ্র&amp;nbsp; প্রতিবন্ধী অ-প্রতিবন্ধী শিশুদের অন্তত পক্ষে উপযুক্ত সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার প্রত্যাশা নিয়ে প্রথমে দঃ পুটিবিলা বিদ্যানিকেতন ও পরে দঃ পুটিবিলা প্রদীপালয় নামে ¯কুলগড়ে তুলেছেন যা বর্তমানে&amp;nbsp; মহেশখালী&amp;nbsp; উপজেলার একমাত্র প্রতিবন্ধী স্কুল নামে পরিচিত । একটি এনজি ও সংস্থার পরিতাক্ত থ্রিতল বিশিষ্ঠ সাইক্লোন সেন্টারে&amp;nbsp; ২০০৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর&amp;nbsp; আনুষ্টানিক শ্রেণী কার্যক্রমের সূচনালগ্নে একটি আদর্শ লিপি বই দিয়ে শুরু করা স্কুলটি নানাবিধ সমস্যা থাকা সত্তেও বর্তমানে&amp;nbsp; মহেশখালী উপজেলা প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী জাতীয় দিবস সমুহে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহন করে&amp;nbsp; সম্মানের সাথে এগিয়ে চলার পাশা-পাশি এখনকার প্রতিবন্ধী শিশুকিশোর এবং তাদের পিতা মাতাদের মধ্যে ব্যতিক্রমধর্মী উৎসাহ উদ্দীপনা- ও ছেলে সন্তানের সু- নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে আশার সঞ্চার করছে। স্থানীয়- দুইজন&amp;nbsp; শিক্ষিত মেয়ে রহিমা বেগমও কামরুন নাহার গ্রামে-গ্রামে ঘুরে-ঘুরে তারা ছাত্রছাত্রী- সংগ্রহ করে কঠোর&amp;nbsp; পরিশ্রম এর মাধ্যমে ১৩ জন প্রতিবন্ধী সহ ৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে এ বিদ্যালয়টি পথচলা শুরু হয়। স্কুলের অন্যতম সহযোগি প্রতিষ্ঠান এসআরপিভি-বাংলাদেশ এর রাজেস খান্না সুশীল প্রতিবন্ধী পরিবারকে&amp;nbsp; শিক্ষার ব্যাপারে বুঝাতে অনেকাংশে&amp;nbsp; সফল ও সক্ষম হয়েছেন। প্রতিবন্ধীরা সমাজের বুঝানয় সম্পদ, এরা ও মানুষ এদের মেধা পৃথীবির চালিকা শক্তির মহত প্রতিভা লুকায়িত আছে এ কথাটি আজ অত্র স্কুলের প্রতিষ্ঠাকারীরা প্রমান করতে শতভাগ সক্ষম হয়েছে । প্রতিবন্ধী প্রদীপালয় স্কুলটিকে&amp;nbsp; চলতি বছরে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত চালু হয়েছে।২ জন প্রতিবন্ধী শিশু সরকারী&amp;nbsp; শিক্ষা উপবৃত্তি পাচ্ছে,৪ জন&amp;nbsp; মহিলা শিক্ষক ও একজন পুরুষ শিক্ষকের মাধ্যমে&amp;nbsp; বর্তমানে ৩২ জন প্রতিবন্ধী ছাত্র সহ ২৫৩ জন ছাত্রছাত্রী লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;কথা হয় প্রদীপালয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজীৎ দাশ নিবাসের সাথে তিনি জানান শিক্ষাদীক্ষায় পিছিয়ে পড়ায় এলাকাটিতে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের পাশা-পাশী প্রতিবন্ধী ৩২ জন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নিজস্ব পরিবহণ ব্যবস্থা না থাকায় দূর-দূরান্তের প্রতিবন্ধী অনেক শিশুরা নিয়মিত স্কুলে আসতে পারেনা। সিমেন্টের ফ্লোরে বসে প্রতিষ্টার ৪ বছর ধরে লেখাপড়া করে আসছে।বিদ্যুৎ স্যানিটেশন,টিউবওয়েল, সমস্যা এই বিদ্যালয়ের নিত্যদিনের সঙ্গী।প্রতিবন্ধী শিশুদের ব্যায়াম করার জন্য বিশেষ কোন উপকরণ নেই বললেই চলে। স্কুল টি প্রতিষ্টার পর থেকে ৫ জন শিক্ষক বেসরকারী এনজিও এসএআরপিভি-বাংলাদেশ সহায়তায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা সম্মনী&amp;nbsp; ভাতা নিয়ে&amp;nbsp; শিক্ষাদান করে আসছেন।&amp;nbsp; স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান&amp;nbsp; শিক্ষকদের&amp;nbsp; কারো প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা দানের পুর্ব অভিজ্ঞাতা না থাকায় তাদের প্রশিক্ষন একান্ত পরিহার্য হয়ে পড়েছে। শিক্ষকদের কে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ মাধ্যমে বিদ্যালয়টির জন্য সরকারী বেসরকারী পর্যায় থেকে সহযোগিতা পাওয়া গেলে শিক্ষার পরিবেশ অনেক উন্নত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা রাখেন। অভিজ্ঞ মহলের অভিমত কক্রাবাজার জেলার দ্বীপ উপজেলা এই প্রতিবন্দ্বী বিদ্যালয়টি কে গতানুগতিক শিক্ষার পাশাপাশি&amp;nbsp; টেকনিক্যাল ও কম্পিউটার&amp;nbsp; শিক্ষা মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ছেলে মেয়েদের যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে পারলে স্কুলটি সারা দেশের প্রতিবন্ধীদের জন্য মডেল হিসাবে বিবেচিত হবে।এলাকাবাসী&amp;nbsp; বিদ্যালয়টির&amp;nbsp; নানাবিধ সমস্যা নিরসনে সমাজের বিত্তবান,শিক্ষানুরাগী,ও সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ের সহায়তা কামনা করেন।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-2071610601185776686?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/2071610601185776686/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=2071610601185776686' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2071610601185776686'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2071610601185776686'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='প্রতিবন্ধী শিশুদের বিদ্যাপীঠ'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7042692033451005613</id><published>2010-05-28T02:22:00.003+06:00</published><updated>2010-08-05T11:10:00.686+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বুদ্ধ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাখাইন'/><title type='text'>বুদ্ধ পূর্ণিমা ও রাখাইন সংস্কৃতি</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TBktye5_qCI/AAAAAAAAAgI/lbKFuKJm6Iw/s1600/Lord+Buddha_03.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="200" src="http://4.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TBktye5_qCI/AAAAAAAAAgI/lbKFuKJm6Iw/s200/Lord+Buddha_03.jpg" width="160" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color: blue; font-family: inherit; font-size: x-large;"&gt;আ&lt;/span&gt;জ (২৭ মে) শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা। এ পূর্ণিমা তিথিটি বৌদ্ধদের পবিত্রতম তিথি। এ তিথিটি বৈশাখ মাসে না পড়লেও বৈশাখি পূর্ণিমা নামে খ্যাত। বৌদ্ধদের কাছে এটিই বুদ্ধ পূর্ণিমা। বুদ্ধ পূর্ণিমা মহামানব গৌতম বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজড়িত একটি পবিত্র দিন। বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথিতেই নিষ্পন্ন হয়েছিল ভাবী বুদ্ধ কুমার সিদ্ধার্থের মাতৃকুক্ষি হতে নিষ্ক্রমণ, বুদ্ধত্ব লাভ এবং মহা পরিনির্বাণ। খ্রিস্টপূর্ব ৬২৩ অব্দের বৈশাখি পূর্ণিমা তিথিতে লুম্বিনী কাননের শালতরুতলে কুমার সিদ্ধার্থের জন্ম হয়। জন্মের পর বড়-বড় রাজজ্যোতিষীগণ রাজকুমার সিদ্ধার্থের জন্মপঞ্জিকা তৈরি করেন। পণ্ডিতগণ কুমার সিদ্ধার্থের মধ্যে মহাপুরুষোচিত বত্রিশটি সুলক্ষণ দেখতে পান। বৌদ্ধদের পবিত্রতম গ্রন্থ ত্রিপিটকে এর বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। কুমার সিদ্ধার্থের জন্মের সাতদিন পর তাঁর গর্ভধারিনী মহামায়া বা মায়াদেবী অকষ্মাৎ দেহ ত্যাগ করেন। মায়ের মৃত্যুর পর সৎমা বা মাসি গৌতমীর (মহামায়া এবং গৌতমী পরস্পর সহোদরা, রাজা শুদ্ধোদন দু'জনকেই বিয়ে করেন) দ্বারা পালিত হন বলে কুমার সিদ্ধার্থের নাম হয় গৌতম। ঊনত্রিশ বছর বয়সে রাজকুমার গৌতম রাজসুখ ছেড়ে গৃহত্যাগী হন। দীর্ঘ ছ'বছর কঠোর সাধনার পর খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৮ অব্দে আর এক বৈশাখি পূর্ণিমা তিথিতে পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে উরুবেলার নৈরঞ্জণা নদীর তীরে বোধিদ্রুম বা অশ্বত্থবৃক্ষের তলে রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতম 'বুদ্ধত্ব' লাভ করেন। মহামানব গৌতম বুদ্ধ আশি বছর বয়সে খ্রিস্টপূর্ব ৫৪৩ অব্দে আর এক বৈশাখি পূর্ণিমায় কুশীনগরের মল্লদের শালবনে পরিনির্বাণ লাভ করেন।&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;পরিনির্বাণের পর বুদ্ধের দেহাবশেষ দ্রোণ নামের এক ব্রাহ্মণ মগধের অজাতশত্রু, বৈশালির লিচ্ছবি, কপিলাবস্তুর শাক্য, অল্লকপ্প দেশের কোলিয়গণ, রামগ্রামের কোলিয়গণ, বেটদ্বীপের ব্রাহ্মণগণ এবং পাবার মল্লগণের মধ্যে ভাগ করে দেন। দ্রোণ ব্রাহ্মণ যে কুম্ভ দিয়ে বুদ্ধের দেহাবশেষ ভাগ করেন সেই পাত্রটি নিজে গ্রহণ করেন। অতঃপর পিপ্পলিবনের মৌর্যগণ ‌এসে কিছু না পেয়ে চিতা থেকে অঙ্গার সংগ্রহ করে নিয়ে যান। পরবর্তীকালে প্রিয়দর্শী মহামতি অশোক বুদ্ধের অস্থিধাতুসমূহ উদ্ধার করেন এবং সমগ্র ভারতবর্ষে স্তূপ নির্মাণ করে সংরক্ষণ করেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মহামানব বুদ্ধের পরিনির্বাণের বছর থেকে তাঁর নামে যে অব্দ গণনা করা হয় তা বুদ্ধাব্দ নামে পরিচিত। 'বুদ্ধ' শব্দের প্রকৃত আভিধানিক অর্থ জ্ঞানী। অন্যদিকে 'বুদ্ধ' নামটির তত্ত্বমূলক অর্থ হচ্ছে আলোকপ্রাপ্ত। বাস্তব সত্যের সন্ধান যিনি পেয়েছেন, যিনি সম্যক জ্ঞানের অধিকারী তিনিই বুদ্ধ। তাঁর আবিষ্কৃত সত্য বা মতবাদ অন্যদের তুলনায় ভিন্ন এবং বাস্তবধর্মী। তাই গৌতম বুদ্ধ যথার্থই বুদ্ধ। মহামানব বুদ্ধ যে সত্য ধর্ম প্রচার করে গেছেন তাতে কোনো ধরনের অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কারের স্থান নেই। সেখানে দেব-দেবীর পূজা, ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি বা বিশ্বাসের স্থান নেই, আছে সর্বজন গ্রহণযোগ্য কতকগুলো নীতি, আদর্শ ও দর্শন। তিনি জ্ঞানীর শরণ, ন্যায়ের শরণ এবং একতার আশ্রয় গ্রহণের কথা বলেছেন। গৌতম বুদ্ধ একজন পরিপূর্ণ মানুষ, যিনি সমস্ত তৃষ্ণার বিনাশ সাধন করে সম্যক সম্বুদ্ধ রূপে জগতের সমস্ত জীবের মঙ্গলার্থে এবং দুঃখমুক্তির পথ দেখাতে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তথাগত বুদ্ধ 'দেব' বা 'অবতার' ছিলেন না। তিনি যথার্থই বুদ্ধ। তাঁর প্রবর্তিত ধর্মে মানুষে-মানুষে কোনো রকম বৈষম্য বা ভেদাভেদ নেই। বৌদ্ধ ধর্ম সুন্দর নীতিভিত্তিক এবং বিজ্ঞানসম্মত একটি ধর্ম।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথিটি বৌদ্ধদের কাছে পবিত্রতম দিন। বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথিকে বৌদ্ধরা সম্পূর্ণ ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে উদযাপন করে থাকে। তবে ভাষা, পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ভিন্নতার কারণে পৃথিবীর ভিন্ন-ভিন্ন অঞ্চলের বৌদ্ধ সম্প্রদায় ভিন্ন-ভিন্ন আঙ্গিকে বা আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে এ পূর্ণিমা তিথিকে উদযাপন করে থাকে। রাখাইন সম্প্রদায়ও তাদের কৃষ্টি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনুযায়ী বুদ্ধ পূর্ণিমা (রাখাইন ভাষায় 'কাছুং লাহব্রে') তিথিকে উদযাপন করে থাকে। বুদ্ধ পূর্ণিমা বা 'কাছুং লাহব্রে' উপলক্ষ্যে যে উৎসব হয় তাকে রাখাইন ভাষায় 'ঞংরি লং পোয়ে' বলা হয়। বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথিতে বোধিদ্রুম বা অশ্বত্থবৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালা হয় বলে রাখাইন ভাষায় এ রকম নামকরণ (অশ্বত্থবৃক্ষকে রাখাইন ভাষায় 'ঞং পাং' বা 'বঃথি পাং' বলা হয়)। সিদ্ধার্থ গৌতম দীর্ঘ ছ'বছর সাধনার পর বোধিবৃক্ষের তলায় বুদ্ধত্ব লাভ করেছেন বলে প্রতিবছর বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন বিকাল বেলা বিহার আঙিনায় রোপণ করা বোধিবৃক্ষের গোড়ায় (প্রতি বছর একই গাছে) চন্দন মিশ্রিত জল ঢালা হয়। এর অর্থ হচ্ছে সিদ্ধার্থ গৌতমের বুদ্ধত্ব লাভকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা। বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে রাখাইন অধ্যুষিত কোনো-কোনো এলাকায় 'ওয়াংকাবাহ' (এক ধরনের চক্রব্যূহ) বসানো হয়। নারী-পুরুষ, ছোট-বড় সবাই ওই 'ওয়াংকাবাহ'-র অভ্যন্তরে প্রবেশ করে প্রদক্ষিণে অংশগ্রহণ করে। বিকালে বৌদ্ধ বিহার থেকে ধর্মীয় শোভাযাত্রা বার করা হয় এবং গ্রাম প্রদক্ষিণের পর পুনরায় বৌদ্ধ বিহারে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে নির্দিষ্ট বোধিবৃক্ষের গোড়ায় চন্দন মিশ্রিত জল ঢালা হয়। এর পর সমবেত প্রার্থনা এবং পঞ্চশীল গ্রহণ করা হয়। পঞ্চশীল গ্রহণের পর বয়োজ্যেষ্ঠ বৌদ্ধ ভিক্ষু ধর্মীয় আলোচনা করেন। 'ঞংরি লং পোয়ে' উপলক্ষ্যে সেদিন রাতে 'জ্যাঃ' (গীত-নৃত্য-অভিনয়ের ত্রিসঙ্গমজাত নাট্য) পরিবেশনের আয়োজন করা হয়। ইদানীং 'জ্যাঃ'-এর পরিবর্তে লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ('রোঃরা পোয়ে') এবং 'প্রাজ্যাঃ' (মঞ্চ নাটক) পরিবেশন করতে দেখা যায়। এ ছাড়া বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন বয়স্ক রাখাইন নারী-পুরুষ পূত-পবিত্র হয়ে বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে উপোসথ বা অষ্টশীল পালন করে থাকেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ধর্মযুদ্ধে পৃথিবী বহুবার নররক্তে প্লাবিত হয়েছে। অথচ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে ও প্রসারে কখনো পৃথিবী একবিন্দু নররক্তে কলঙ্কিত হয়নি এবং একবিন্দু পশুরক্তে পবিত্র বৌদ্ধ মন্দির অপবিত্র হয়নি। বর্তমান সময়ে শান্তিকামী মানুষের উচিত হবে, মহামানব গৌতম বুদ্ধের অহিংসা, মৈত্রী ও করুণার বাণী দিয়ে হিংসার উন্মত্ত বিশ্বে পরম শান্তি স্থাপন করা।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7042692033451005613?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7042692033451005613/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7042692033451005613' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7042692033451005613'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7042692033451005613'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/05/blog-post_28.html' title='&lt;b&gt;বুদ্ধ পূর্ণিমা ও রাখাইন সংস্কৃতি&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TBktye5_qCI/AAAAAAAAAgI/lbKFuKJm6Iw/s72-c/Lord+Buddha_03.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-2226415769625790743</id><published>2010-05-25T19:15:00.002+06:00</published><updated>2010-08-05T11:13:54.717+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কিংবদন্তি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইতিহাস'/><title type='text'>ইনানীর রহস্যময় 'কানা রাজার গুহা'</title><content type='html'>&lt;h2 style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img height="170" src="http://prothom-aloblog.com/images/view/100/100/false/img/uploads/cac3e5730ecb38b1610756df66c90135.jpg" width="200" /&gt;&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ক&lt;/span&gt;ক্সবাজারের 'কানা রাজার গুহা' দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে অন্যতম দর্শনীয় স্থান হতে পারে। জনশ্রুতি আছে যে, গুহাটি প্রায় তিনশো বছরের পুরনো। তবে গুহাটির নেই কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ। অবৈধ পাথর ব্যবসায়ীরা গুহার মুখ ও আশপাশের পাথরগুলো উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে করে পাহাড় ভেঙে গুহার মুখ অনেকখানি ভরাট হয়ে গেছে। এ কারণে ঐতিহাসিক এ গুহাটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। গুহাটির মুখ প্রায় একশো বর্গফুট এবং গুহার দৈর্ঘ্য প্রায় তিন কিলোমিটার। এ গুহা কীভাবে এবং কেনই-বা তৈরি করা হয়েছিল সে সব কাহিনী অজানাই রয়ে গেছে। ইনানী সমুদ্র সৈকত দর্শনে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরা হাতে সময় থাকলে রহস্যঘেরা এ গুহাটিও এক নজর দেখে যান।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন জালিয়াপালং। এই ইউনিয়নের ইনানী থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দক্ষিণে সাগরের কূলঘেষা পাটুয়ার টেকের সুউচ্চ পাহাড়ের পাদদেশে 'কানা রাজার গুহা'র অবস্থান। কক্সবাজারের লাবণী সী-বীচ থেকে এর দূরত্ব পঁচিশ কিলোমিটার। গুহাটির একেবারে কাছে যাওয়ার তেমন কোনো সুযোগ নেই। অনেক কষ্ট করে গুহাটির কাছে গেলে শোনা যায় বানর আর পাখির কিচিরমিচির শব্দ। এ সময় গা শিউরে ওঠে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;জেলে ও স্থানীয়দের মুখ থেকে 'কানা রাজার গুহা' নিয়ে অনেক কথা শোনা যায়। কানা রাজার আসল পরিচয় কী তা উদ্ধার করা সম্ভব না হলেও এলাকায় জনশ্রুতি আছে যে, তিনি ছিলেন একজন আধ্যাত্মিক শাসক। কিংবদন্তি আছে, প্রায় তিনশো বছর পূর্বে কানা রাজা তাঁর দলবলসহ আরাকান (বর্তমান মিয়ানমার) থেকে পালিয়ে এসে পাটুয়ার টেকের পাহাড়ে অবস্থান নেন। সেখানে তিনি একটি গুহা খনন করান। পরবর্তীতে এটি 'কানা রাজার গুহা' নামে পরিচিতি লাভ করে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তিনশো বছর পূর্বে এখানকার একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল সমুদ্র পথ। সেই সময় বঙ্গোপসাগরে দেশি-বিদেশি মালবাহী জাহাজ ও বিভিন্ন জলযান চলাচল করত। এ সব জলযান থেকে কর আদায় করতেন কানা রাজা। অনেকে তাঁকে সমীহ করে দিয়ে যেত মূল্যবান সামগ্রী। এ সব মালামাল গুহায় এনে রাখা হত। তাই অনেকের ধারণা, এ গুহায় এখনও অনেক মূল্যবান সামগ্রী রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;প্রায় একশো বছর পূর্বে স্থানীয় চাক সম্প্রদায়ের লোকজন পাহাড়ে জুম চাষ করার সময় এ গুহার সন্ধান পায়। পরবর্তীতে রহস্যঘেরা এ গুহা এক নজর দেখার জন্য আসতে থাকে হাজার হাজার মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শী অনেকের মতে, 'কানা রাজার গুহা'টি সম্ভবত দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ গুহা।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-2226415769625790743?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/2226415769625790743/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=2226415769625790743' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2226415769625790743'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2226415769625790743'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/05/blog-post_8654.html' title='&lt;b&gt;ইনানীর রহস্যময় &apos;কানা রাজার গুহা&apos;&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1698818764426164546</id><published>2010-05-25T19:11:00.001+06:00</published><updated>2010-05-25T19:37:12.758+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><title type='text'>মাদার বোর্ডের ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত জটিলতা, অতঃপর সময় ক্ষেপণের গল্প</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গত বছর জুনের শেষ দিকে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ করে আমার ক্লোন পিসিটা কেনা হয়েছিল কক্সবাজার শহরের বিলকিস শপিং কমপ্লেক্সস্থ দুই দোকান থেকে। সিপিইউটা এক দোকান থেকে এবং মনিটর আর মডেমটা অন্য দোকান থেকে। ডেস্কটপটির বিভিন্ন অংশের ওয়ারেন্টি ছিল এ রকম : প্রসেসর, মাদার বোর্ড ও হার্ডডিস্ক ড্রাইভের তিন বছর করে আর মনিটর, ডিভিডি রাইটার ও র‍্যামের এক বছর করে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কেনার পর থেকে পিসিটা ঠিকমতো চলছিল। কিন্তু গত মার্চের মাঝামাঝি হঠাৎ বিগড়ে গেল পিসিটা। আমি সংশ্লিষ্ট দোকানের টেকনিশিয়ান (আমার প্রাক্তন ছাত্রীর ছোট ভাই)-কে দেখালাম। সব দেখে সে জানাল মূল সমস্যা মাদার বোর্ডের। তারা মাদার বোর্ডটি খুলে নিয়ে ঢাকায় পাঠিয়ে দিল গত ২৪ মার্চ এবং আমাকে জানাল সর্বোচ্চ পনেরো দিনের মধ্যে আমি মেরামত করা একই মাদার বোর্ড কিংবা বিকল্প নতুন মাদার বোর্ড পেয়ে যাব। কিন্তু দেড় মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরও আমি আমার পুরনো কিংবা নতুন মাদার বোর্ড কোনোটাই ফেরত পাইনি। এই দেড় মাস আমার লেখালেখি পুরোপুরি বন্ধই ছিল। এমন-কী 'রক্তের মলাটে একুশ' ই-বুক সংকলনের লেখাগুলোও যথাযথ সম্পাদনা করে পাঠাতে পারিনি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মাদার বোর্ডটি ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে বারবার ধরনা দেওয়ার পর তারা আমাকে জানাল যে, ওই মাদার বোর্ডটি যে ডিলারের কাছ থেকে তারা কিনেছে সেই ডিলার সংশ্লিষ্ট ইম্পোর্টার ('কম্পিউটার সোর্স')-এর পাওনা পরিশোধ না করায় ইম্পোর্টার ওয়ারেন্টির শর্ত পালন করছে না। ফলে আমি পড়ে গেলাম গ্যাঁড়াকলে। স্থানীয় 'নিটা কম্পিউটার অ্যান্ড টেকনোলজি' থেকে পিসিটা কিনলে ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত এমন জটিলতায় পড়তে হত না। কারণ, 'নিটা কম্পিউটার অ্যান্ড টেকনোলজি' ইম্পোর্টার 'কম্পিউটার সোর্স'-এর কক্সবাজারস্থ একমাত্র ডিলার (এটা কিন্তু তখন আমার জানা ছিল না)। আর যাদের কাছ থেকে আমি পিসিটা কিনেছিলাম তারা হল স্রেফ বিক্রেতা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;শেষ পর্যন্ত ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে নগদ ৪ হাজার ৫৫০ টাকা দিয়ে ইন্টেলের ৪১ আরকিউ মাদার বোর্ডটি কিনলাম গত ১০ মে। সেটা দিয়েই এখন কাজ চালাচ্ছি। আচ্ছা, সংশ্লিষ্ট বিক্রতার কাছ থেকে আমি সেলস রিটার্ন অর্থাৎ ওয়ারেন্টির তিন বছর থেকে ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত সময় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সময়ের টাকা (তখন ইন্টেলের ওই ৩১ পিআর মাদার বোর্ডটির দাম ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৬৫০ টাকা) ফেরত পাওয়ার দাবি করতে পারি কি না?&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1698818764426164546?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1698818764426164546/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1698818764426164546' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1698818764426164546'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1698818764426164546'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/05/blog-post_786.html' title='&lt;b&gt;মাদার বোর্ডের ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত জটিলতা, অতঃপর সময় ক্ষেপণের গল্প&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-2179263580619949414</id><published>2010-05-25T19:02:00.002+06:00</published><updated>2010-08-05T20:37:52.203+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নারী নির্যাতন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইভটিজিং'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><title type='text'>ইভটিজিঙের শিকার আরও এক ছাত্রী আত্মহননের পথ বেছে নিল</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;দে&lt;/span&gt;শে এখন অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় ইভটিজিং। এটি এখন অন্যতম প্রধান সামাজিক সমস্যাও। তাই মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি এর বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন এবং একে প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরকারিভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার পরও ইভটিজিং কিংবা এর শিকার মেয়েদের আত্মহনন বন্ধ হচ্ছে না। তাই অবক্ষয়ে নিমজ্জিত এই সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়ে শায়লা আক্তার তুলি (১৪)-কেও অভিমান নিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিতে হল। আর তথাকথিত সভ্য সমাজের কাছে রেখে গেল চরম ঘৃণা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href="http://www.jugantor.info/enews/issue/2010/05/24/news0332.php"&gt;বিস্তারিত এখানে&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সভ্য সমাজ, সামাজিক জীব ইত্যাদি তকমাগুলো এখন ঠুনকোয় পরিণত হয়েছে। আমরা নিজেদেরকে সভ্য সমাজের একজন বা প্রকৃত অর্থে সামাজিক জীব কিংবা সৃষ্টির সেরা যদি দাবিই করি, তা হলে সামাজিক এসব অনাচারে আমরা বিচলিত হই না কেন কিংবা ঘরে-বাইরে এর বিরুদ্ধে সুদৃঢ় অবস্থান নিই না কেন?&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-2179263580619949414?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/2179263580619949414/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=2179263580619949414' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2179263580619949414'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2179263580619949414'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/05/blog-post_25.html' title='&lt;b&gt;ইভটিজিঙের শিকার আরও এক ছাত্রী আত্মহননের পথ বেছে নিল&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1865741338037041776</id><published>2010-05-25T19:00:00.003+06:00</published><updated>2010-08-05T20:37:08.176+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><title type='text'>একটি সংবাদ এবং এর নেতিবাচক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ক&lt;/span&gt;ক্সবাজার থেকে প্রকাশিত একটি প্রিন্ট মিডিয়ায় গত ২২ মে সংবাদটি প্রথম ছাপা হয়। এর পর কক্সবাজার থেকে পরিচালিত একমাত্র ওয়েব পত্রিকায় সেদিনই সংবাদটি হুবহু প্রকাশ করা হয় ওই প্রিন্ট মিডিয়ার সূত্রে। সংবাদটির সার কথা হল এই, কক্সবাজার শহরের বিশেষ-বিশেষ মহল্লায় বসবাসরত স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কতিপয় ছাত্রী (বোরকা পরা) হোটেল-মোটেল জোনে গিয়ে দেহব্যবসা করে যাচ্ছে। তারা গেস্ট হাউজ খ্যাত আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফোনকল পাওয়ার পর সেখানে গিয়ে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে তথাকথিত সার্ভিস দিয়ে থাকে।                                  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href="http://www.coxsbazarnews.com/shownewsdetails.php?details=13154"&gt;বিস্তারিত সংবাদ এখানে&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক ছাত্রী (যাঁর বাড়ি কক্সবাজার জেলায়) আলোচ্য সংবাদটির অত্যন্ত তির্যক ও তীক্ষ্ণ ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা সংশ্লিষ্ট ওয়েব পত্রিকায় গতকাল প্রকাশিত হয়। তাঁর মতে, উপযুক্ত তথ্য ও নির্ভরশীল সূত্রবিহীন ওই সংবাদটির কারণে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া সাধারণ ছাত্রীরা বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি প্রাসঙ্গিকভাবে ওই প্রিন্ট মিডিয়ার প্রকাশক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এবং ওয়েব পত্রিকারটির পরিচালকের জীবিকা অর্থাৎ মূল পেশার (শিক্ষকতা) ব্যাপারে প্রশ্ন রেখেছেন।&lt;/div&gt;&lt;a href="http://www.coxsbazarnews.com/shownewsdetails.php?details=13206"&gt;বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এখানে&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখন আমারও মনে হচ্ছে, ওই প্রকাশক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও পরিচালকের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কন্যাসন্তান কিংবা নিকট-আত্মীয়া থাকলে সংবাদটি প্রকাশের আগে এর নেতিবাচক প্রভাব বা প্রতিক্রিয়ার কথা দ্বিতীয়বার ভাবতেন। তবে দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন এলাকা হিসাবে কক্সবাজার শহরে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ যে একদম হচ্ছে না, তাও-বা বলি কী করে?&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-size: small;"&gt;প্রতিক্রিয়ার জবাবে ওই প্রিন্ট মিডিয়ার জবাবটি পড়ুন &lt;a href="http://www.coxsbazarnews.com/shownewsdetails.php?details=13239"&gt;এখানে&lt;/a&gt;।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1865741338037041776?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1865741338037041776/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1865741338037041776' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1865741338037041776'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1865741338037041776'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/05/blog-post.html' title='&lt;b&gt;একটি সংবাদ এবং এর নেতিবাচক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7746008666051359366</id><published>2010-02-02T03:49:00.001+06:00</published><updated>2010-08-05T20:36:08.567+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রস্তাব'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাহিত্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পরামর্শ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাষা'/><title type='text'>ভাষার মাসে শুদ্ধ বাংলা চর্চার ব্যাপারে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ব&lt;/span&gt;ছর ঘুরে আবার এল ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। যদিও রক্তের বিনিময়ে এই ভূখণ্ডে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসাবে মর্যাদাসীন হয়েছে বাংলা ভাষা এবং সেই আত্মত্যাগের দিনটিই পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পেয়ে বিশ্বব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। কিন্তু বাংলা লেখা ও বলার ক্ষেত্রে আমরা ক'জন শুদ্ধ বাংলা লিখি ও বলি?&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সাইনবোর্ড, ব্যানার, প্রতিষ্ঠানের দাফ্তরিক চিঠি, পত্র-পত্রিকা, &lt;a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/maungpintu/28976327" target="_blank"&gt;বাংলা ব্লগ,&lt;/a&gt; পাঠ্য বই ও নাটক-সিনেমায় পাত্র-পাত্রীর সংলাপে বাংলা বানানের যথেচ্ছাচার ও গুরুচণ্ডালি ইদানীং খুব বেশি চোখে পড়ে ও কানে বাজে। ব্যাকরণ মেনে চললে এ রকমটি হওয়ার কথা নয়। যাঁরা লেখালেখি করেন তাঁদের অবশ্যই প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;একজন বিশেষ পরিচালকের নাটক-সিনেমায় পাত্র-পাত্রীদের &lt;a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/maungpintu/29011166" target="_blank"&gt;নয় সাধু-নয় চলিত রীতির ক্রিয়াপদের&lt;/a&gt; সংলাপ (যেমন : বলতেছি, করতেছি, আসতেছি ইত্যাদি) আওড়ানো দেখে ও শুনে আসছি গত প্রায় এক দশক ধরে। ইন্টারনেট জগতের নব সংযোজন বিভিন্ন বাংলা ব্লগে কতিপয় ব্লগার প্রচলিত শব্দগুলো বিকৃত বানানে (যেমন : কর্ছে, মঞ্চায়, আম্রা ইত্যাদি) লিখে যেন নিজেদের বিকৃত মানসিকতাকেই প্রকাশ করছেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সবার প্রতি আমার আহ্বান, আসুন এই ভাষার মাসে আমরা শুদ্ধ বাংলা লিখতে সচেষ্ট হই অর্থাৎ প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করি। অতএব প্রিয় ব্লগার, এই এক মাস আমরা লেখা বা পোস্ট প্রকাশের আগে বানানগুলো আর একবার দেখে নিই, প্রয়োজন মনে করলে কিংবা কোনো শব্দের বানান নিয়ে সন্দেহ থাকলে বাংলা-বাংলা অভিধানের শরণাপন্ন হই।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7746008666051359366?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7746008666051359366/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7746008666051359366' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7746008666051359366'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7746008666051359366'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/02/blog-post.html' title='&lt;b&gt;ভাষার মাসে শুদ্ধ বাংলা চর্চার ব্যাপারে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1691007052466392984</id><published>2010-01-26T00:34:00.001+06:00</published><updated>2010-08-05T20:35:25.088+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও তার কর্মী বাহিনী</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ব্য&lt;/span&gt;ক্তি মানুষকে স্বাতন্ত্র্য করে তোলে তার আদর্শ। এটা সবার বেলায় প্রযোজ্য। এটা সামষ্টিক ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আদর্শবান মানুষ কখনো আপোশ করেন না বা করতে পারেন না। আদর্শবান মানুষকে আমি অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করি, তিনি যদি আমার বিরুদ্ধাচারী কিংবা ভিন্নমতাবলম্বীও হন তা হলেও।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো একটা আদর্শ নিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য দলের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। এখন আমার প্রশ্ন, রাজনৈতিক দলগুলোর লক্ষ্য কি শুধুই ক্ষমতায় যওয়া? পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে আমাদের দলীয় সরকারগুলো দেশকে কতটুকু এগিয়ে নিয়েছে বা নিতে পেরেছে?&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমরা জানি, রাজনৈতিক দলগুলোর মূল চালিকা শক্তি তার কর্মী বাহিনী। দলীয় কর্মীদের মধ্যে যাঁরা স্বীয় দলের গুণগান করেন তাঁরা দলীয় আদর্শকে কতটুকু বুকে ধারণ করেন? আমার মনে হয় না যে, তাঁরা আদর্শের কারণে দলীয় রাজনীতি করেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমার এই বয়সে আমি যা দেখেছি তাতে আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনীতিবিদ বা রাজনৈতিক কর্মী সংকীর্ণ (ব্যক্তি) স্বার্থেই (এটা হতে পারে নিজের বা পারিবারিক প্রভাব-প্রতিপত্তি অক্ষুন্ন রাখা, দলের প্রভাব খাটিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা, মোট কথা নিজের আখের গোছানো) রাজনীতি করেন। আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করলে ক্ষমতার পালা বদলের সময় লেবাস পরিবর্তনের ঘটনা এত বেশি ঘটত না। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ রাজনৈতিক কর্মীরই আদর্শের কোনো বালাই নেই। যদি থাকত, তা হলে স্বাধীনতার এই আটত্রিশ বছরে আমাদের অর্জন চোখে পড়ার মতো হত।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1691007052466392984?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1691007052466392984/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1691007052466392984' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1691007052466392984'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1691007052466392984'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/01/blog-post_26.html' title='&lt;b&gt;বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও তার কর্মী বাহিনী&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-664578414957486767</id><published>2010-01-21T23:32:00.001+06:00</published><updated>2010-08-05T20:34:33.076+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দুর্নীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>প্রসঙ্গ : দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;মা&lt;/span&gt;ননীয়া প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসাবে গত সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগে বেতার-টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারিত ভাষণে বলেছিলেন যে, তাঁর দল ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী বছরকে টার্গেট করে সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। সে জন্য তিনি ভিশন ২০২১-এর কথা বলেছিলেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;নির্বাচনের অব্যবহিত পরে সরকার গঠনের সময় মন্ত্রী পরিষদে অপেক্ষাকৃত তরুণ ও নতুন মুখ দেখে নির্দলীয় আমরাও আশাবাদী হয়েছি যে, ৩৭ বছর বয়সী বাংলাদেশকে এঁরাই গতি দেবেন এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। বর্তমান সরকারের গৃহীত এ পর্যন্ত পদক্ষেপের কারণে সচেতন জনগণের আশাভঙ্গের তেমন কিছু ঘটেছে বলে আমার মনে হয়নি। তবে দুর্নীতি দমন, নির্মূল কিংবা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার ব্যাপারে সরকারের কোনো পদক্ষেপ বা কার্যক্রমই চোখে পড়ছে না। আজ &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-01-21/news/36487" target="_blank"&gt;একটি দৈনিকের খবর&lt;/a&gt; পড়ে দুর্নীতি মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে আমার মনে ক্ষীণ হলেও একটা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দুর্নীতির ব্যাপারে এখনই কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমরা প্রিয় স্বদেশভূমির যে রূপ দেখব, তা কি এখনকার বাংলাদেশ থেকে ভিন্নতর কিছু হবে?&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-664578414957486767?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/664578414957486767/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=664578414957486767' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/664578414957486767'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/664578414957486767'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/01/blog-post_22.html' title='&lt;b&gt;প্রসঙ্গ : দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-213817202208597054</id><published>2010-01-16T20:25:00.007+06:00</published><updated>2011-07-17T00:34:30.493+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><title type='text'>রামু উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ছৈয়দ করিমের যোগদান</title><content type='html'>&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img height="240" src="http://pimg.s3.amazonaws.com/img/11530.1263657196.IMG0424A.jpg" width="320" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;রা&lt;/span&gt;মু উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে মো. ছৈয়দ করিম আজ (১৬ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে পুনঃযোগদান করেছেন। তাঁর যোগদানের পর সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) এম জয়নাল আবেদীন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব মো. ছৈয়দ করিমের কাছে হস্তান্তর করেন। এর আগে প্রধান শিক্ষকের যোগদান উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও রামু উপজেলার মাননীয় চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন, বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতির স্বার্থেই তদুপরি আইনগত কোনো বাধা না থাকায় প্রধান শিক্ষক মো. ছৈয়দ করিমকে স্বীয়পদে যোগদানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="clear: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img height="240" src="http://pimg.s3.amazonaws.com/img/11530.1263657275.IMG0431A.jpg" width="320" /&gt;&lt;/div&gt;প্রধান শিক্ষক মো. ছৈয়দ করিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, &lt;i&gt;২০০৪ সালে রামু উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর তৎকালীন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও পরিশ্রমী সহকর্মীদের সহযোগিতা নিয়ে আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই বিদ্যালয়ে এস এস সি পরীক্ষা কেন্দ্র, এস এস সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা কেন্দ্র এবং জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ২০০৬ সালে ঘটনাচক্রে আমি একটা মামলায় জড়িয়ে যাই। উক্ত মামলার কারণে তৎকালীন কমিটি আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। এর পর আমি উক্ত মামলা থেকে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক বেকসুর খালাস পাই। কিন্তু বিগত বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি প্রচলিত বিধিবিধান না মেনে পূর্ণ বরখাস্ত দেখিয়ে আমাকে স্বপদে ফিরে আসতে বাধা দেয়।&lt;/i&gt; বিদ্যালয়ের স্বার্থে বর্তমান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যকরী পদক্ষেপের কারণেই প্রায় চার বছর পর স্বপদে বহাল হতে পেরেছেন বলে প্রধান শিক্ষক মো. ছৈয়দ করিম মন্তব্য করেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল শিক্ষক পরিষদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীকক্ষ পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত ছাত্রীদের কাছ থেকে লেখাপড়ার খোঁজ নেন। পরে তিনি এস এস সি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও রাখেন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-213817202208597054?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/213817202208597054/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=213817202208597054' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/213817202208597054'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/213817202208597054'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/01/blog-post_16.html' title='&lt;b&gt;রামু উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ছৈয়দ করিমের যোগদান&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7352386622057117973</id><published>2010-01-10T23:47:00.002+06:00</published><updated>2010-08-05T20:33:15.629+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রস্তাব'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>নির্বাচন ও সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে মানসিকতা ও প্রক্রিয়ার পরিবর্তন চাই</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;বি&lt;/span&gt;গত শতকের আশির দশক থেকে বাংলাদেশের যে-কোনো পর্যায়ের নির্বাচনে (স্থানীয় সরকারের নিম্ন স্তর অর্থাৎ ইউপি নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আর সরকারি চাকরির প্রার্থী হওয়াকে (যেমন : পুলিশ ও কাস্টমসের চাকরি, জেলা প্রশাসনের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরি, সিভিল সার্জনের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বাস্থ্য সহকারীর চাকরি ইত্যাদি) সংশ্লিষ্টরা এক ধরনের বিনিয়োগ মনে করে। কারণ, এসব ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় কিংবা লাখ-লাখ টাকা লেনদেন ছাড়া নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া কিংবা চাকরি নামক সোনার হরিণটিকে ধরা যায় না। নির্বাচন বলুন আর চাকরিই বলুন প্রার্থীর প্রধান যোগ্যতা টাকা খরচ করার ক্ষমতা, যাকে আমরা বলে থাকি টাকার খেলা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;নির্বাচনে জেতার পর ওই জনপ্রতিনিধি তাঁর বিনিয়োগকৃত অর্থের গুণিতক পরিমাণ টাকা তাঁর ক্ষমতার মেয়াদে তুলে আনতে সচেষ্ট থাকেন (এটা হতে পারে কমিশন খেয়ে, নগদ প্রাপ্তির বিনিময়ে সুপারিশ করে, ভুয়া প্রকল্প বরাদ্দ দিয়ে, নিজের বা দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে চাঁদা তুলে ইত্যাদি)। আর চাকরিপ্রার্থীরা চাকরি নামক সোনার হরিণটি হাতে পাওয়ার পর তাঁর প্রদত্ত ঘুসের টাকা সুদে-আসলে তুলতে শুরু করেন (যেমন : পুলিশের ক্ষেত্রে দিনকে রাত আর রাতকে দিন বানিয়ে, কাস্টমসের ক্ষেত্রে সরকারি কোষাগারকে তলানিতে নামিয়ে)। এ ক্ষেত্রে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে সংবাদ শিরোনাম হওয়া কোটিপতি কিংবা একাধিক ফ্ল্যাটের মালিক পিডিবি, বাখরাবাদ কিংবা তিতাস গ্যাস লিমিটেডের মিটার রিডারদের নাম স্মরণ করা যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যাঁরা প্রয়োজনীয় যোগ্যতা (শিক্ষাগত ও চারিত্রিক) ছাড়া নির্বাচনে জেতেন কিংবা সরকারি চাকরি পান তাঁদের কাছ থেকে সাধারণ জনগণ কোনো পরিষেবা পায় না, পায় শুধু হয়রানি। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যোগ্যতাবলে উতরিয়ে আসা জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা জনগণকে ঠিকই পরিষেবা দেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এবার মডেল থানা প্রসঙ্গ। আমার নিজ জেলার সদর থানাটি একটি মডেল থানা। একে কেন মডেল থানা বলা হল আমি ঠিক জানি না। মাসে দু-একটি ওপেন ডে অনুষ্ঠান করলেই মডেল থানা হয়ে যায়? কনস্টেবল থেকে এসআই পর্যন্ত (যেহেতু ওসি পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয় না) স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় (কোনো রকম ঘুস ছাড়া) নিয়োগ দিয়ে তাঁদেরকে মডেল থানায় পোস্টিং দেওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট থানাগুলো গুণগত মান পরিবর্তিত হয়ে মডেল থানায় রূপান্তরিত হবে, অন্যথায় নয়। কারণ, ঘুস ছাড়া চাকরি পাওয়া পুলিশ পরিষেবার বিনিময়ে ঘুস চাইবেন না।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7352386622057117973?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7352386622057117973/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7352386622057117973' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7352386622057117973'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7352386622057117973'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/01/blog-post_7807.html' title='&lt;b&gt;নির্বাচন ও সরকারি চাকরি ক্ষেত্রে মানসিকতা ও প্রক্রিয়ার পরিবর্তন চাই&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-4930106121835571723</id><published>2010-01-10T23:43:00.001+06:00</published><updated>2010-08-05T20:32:23.011+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পরামর্শ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><title type='text'>শিক্ষকতা কি কেবলই জীবিকা?</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;তাঁ&lt;/span&gt;রা চাকরিপ্রার্থী। তাই তাঁরা নিয়োগ পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-01-09/news/33543" target="_blank"&gt;পত্রিকার খবর&lt;/a&gt; অনুযায়ী তাঁরা যে উপায় অবলম্বন করেছেন তা প্রশ্নাতীতভাবে অসৎ।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তাঁরা যে পেশার জন্য নিয়োগ পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন, উন্নত বিশ্বে ওই পেশাকে শ্রেষ্ঠ পেশা হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। পেশাটা হচ্ছে মানুষ গড়ার পেশা। যদিও তৃতীয় বিশ্বে পেশা আর জীবিকাকে আলাদা করে দেখার তেমন প্রবণতা নেই। তবু মানুষ গড়ার পেশাটাকে কেবলই জীবিকার উপায় মাত্র ভাবলে চলবে না। এর সঙ্গে আদর্শ, সততা, নৈতিকতা ইত্যাদি অন্যান্য জীবিকার তুলনায় বেশি মাত্রায় জড়িত।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সুতরাং, যাঁরা জীবিকার জন্য যেনতেন প্রকারে একটা চাকরি চান, তাঁরা এই পেশার মর্যাদাকে সমুন্নত রাখার পরিবর্তে ভূলুণ্ঠিতই করে বসবেন। কারণ, এই মহান পেশায় ফাঁকতালে ঢুকে পড়া মানুষ গড়ার তথাকথিত কারিগরদের হাত দিয়ে প্রখর নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন ভবিষ্যৎ নাগরিক না বেরিয়ে কেবল সনদধারী তথাকথিত তারকাই বেরুতে থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বর্তমান সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১-এর আলোকে সরকারের শিক্ষা-সংস্কার সংক্রান্ত চলমান প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গের উচিত শিক্ষকতা পেশার এই দিকটি ভেবে দেখা। কারণ, এর প্রভাব সুদূর প্রসারী।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-4930106121835571723?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/4930106121835571723/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=4930106121835571723' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/4930106121835571723'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/4930106121835571723'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/01/blog-post_11.html' title='&lt;b&gt;শিক্ষকতা কি কেবলই জীবিকা?&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7986425622890086576</id><published>2010-01-10T03:18:00.001+06:00</published><updated>2010-08-05T20:30:51.468+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>সফ্টওয়্যার ছাড়াই তালা লাগান আপনার ফোল্ডারে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ফো&lt;/span&gt;ল্ডারে তালা লাগানোর ব্যাপারটা মাঝে-মাঝে অতি দরকারি হলেও উইন্ডোজে এই সুবিধাটা এখনও দেওয়া হয়নি। হয়তো ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার দিকে নজর রেখেই মাইক্রোসফ্ট এখনও উইন্ডোজে এই সুবিধাটা যুক্ত করেনি। যা-ই হোক প্রয়োজন কি আর বাধা মানে?&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ফোল্ডারে তালা লাগানোর জন্য আমরা সাধারনত folder lock, folder guard &amp;nbsp;জাতীয় সফ্টওয়্যার ব্যবহার&amp;nbsp; করি। কিন্তু সফ্টওয়্যার ছাড়াও খুব সহজে আপনি আপনার ফোল্ডারে তালা লাগাতে পারেন। আসুন দেখা যাক কীভাবে?&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ধরুন, D: drive &amp;nbsp;এর “Rocker” নামক ফোল্ডারটিতে আপনি তালা লাগাতে চান। তা হলে প্রথমে Notepad-এ নীচের লাইনটি লিখে ওই ড্রাইভে আর্থাৎ D: drive-এ Save করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ren Rocker Rocker.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখন টেক্সট ফাইলটিকে Rename করে Lock.bat &amp;nbsp;করুন। এবার Lock.bat &amp;nbsp;এ ডাবল ক্লিক করুন। দেখুন আপনার ফোল্ডারটি উইন্ডোজ কন্ট্রোল প্যানেল এর আইকন হয়ে গেছে। এখন ফোল্ডারটি খুলতে চাইলে তা না খুলে উইন্ডোজ কন্ট্রোল প্যানেল ওপেন হবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এবার ফোল্ডারটির তালা খোলার জন্য ঐ ড্রাইভে আর্থাৎ D: drive -এ নীচের লাইনটি লিখে নতুন একটি টেক্সট ফাইল তৈরি করুন এবং তা&amp;nbsp; Save করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ren Rocker.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} Rocker&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখন টেক্সট ফাইলটিকে Rename করে key.bat &amp;nbsp;করুন। এবার key.bat -এ ডাবল ক্লিক করুন। দেখুন আপনার ফোল্ডারটি আবার পুর্বের অবস্থায় ফিরে গেছে। এখন আপনি ফোল্ডারটি খুলতে পারছেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আপনার ফোল্ডারের তালা-চাবি বানানো শেষ। আপনি এখন Lock.bat এবং key.bat&amp;nbsp; ফাইল দুটি দিয়ে আপনার ফোল্ডারে তালা লাগাতে পারবেন এবং তালা খুলতে পারবেন। &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7986425622890086576?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7986425622890086576/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7986425622890086576' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7986425622890086576'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7986425622890086576'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/01/blog-post_10.html' title='&lt;b&gt;সফ্টওয়্যার ছাড়াই তালা লাগান আপনার ফোল্ডারে&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-6468660567024148378</id><published>2010-01-04T23:23:00.001+06:00</published><updated>2010-08-05T20:27:01.983+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মেডিকেল কলেজ'/><title type='text'>প্রসঙ্গ : কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ক&lt;/span&gt;ক্সবাজারবাসীর দাবির মুখে ২০০৮ সালে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু হয় সদর হাসপাতাল সংলগ্ন অস্থায়ী কার্যালয়ে। এখানে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীরা আবাসিক সুবিধা না থাকায় বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে লজিং থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজার হাসপাতালের ডাক্তারদের দিয়ে দায়সারাভাবে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে সঠিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সরকার কলেজের জন্য শহরতলীর পাওয়ার হাউজের উত্তর পাশে ৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করেছে অনেক আগে। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে না। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার মন্ত্রণালয়ে ফাইল পাঠানোর পরও সেখানে আটকে রাখা হচ্ছে। এদিকে আগামী জুনের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে এর জন্য বরাদ্দকৃত এডিবি'র ২৭ কোটি টাকা ফেরত চলে যাবে। বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত গেলে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ প্রকল্পটি বাতিল হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে ৫৪ জন শিক্ষার্থী প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছে। গত বছর ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছে। এমতাবস্থায় এখানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত অবস্থায় নিপতিত হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ নিয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি'র পক্ষ থেকে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। তা না হলে আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-6468660567024148378?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/6468660567024148378/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=6468660567024148378' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6468660567024148378'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6468660567024148378'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2010/01/blog-post.html' title='&lt;b&gt;প্রসঙ্গ : কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-2771649873528741605</id><published>2009-12-27T03:38:00.005+07:00</published><updated>2010-08-05T20:30:05.962+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সিডি/ডিভিডি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>পিসি ট্রাবলশ্যুটিং</title><content type='html'>&lt;b style="color: magenta;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;কে&lt;/span&gt;সিং খোলার পদ্ধতি&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যারা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা রাখেন না তাদের জন্য এই পর্বটি। এখানে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোর সাথে এবং জানাব কিভাবে কেসিং খুলতে হয় তা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* সাধারণত সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।&lt;/div&gt;&lt;img alt="Motherboard পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ১:কেসিং খোলার হাতেখড়ি | Techtunes" class="aligncenter size-full wp-image-16687" height="448" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/shuknopata/16685/Motherboard.jpg" title="পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ১:কেসিং খোলার হাতেখড়ি | Motherboard" width="640" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* কেসিং খুলেছেন ? ভেতরে তাকান। মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে কিছু বা সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;* র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট, লম্বাকৃতির।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড, মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।&lt;/div&gt;&lt;img alt="78 পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ১:কেসিং খোলার হাতেখড়ি | Techtunes" class="size-full wp-image-16690 alignleft" height="501" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/shuknopata/16685/78.jpg" title="পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ১:কেসিং খোলার হাতেখড়ি | 78" width="560" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;কম্পিউটার ঠিকমতো চালু না হলে&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। দেখি তো আপনাকে বাঁচাতে পারি কিনা। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিক্মতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না। &lt;b&gt;তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে।&lt;/b&gt; অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতে যাওয়াটাই ভালো।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আর ধুড়ুম করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;#ধুড়ুম বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;প্রধান এই সমস্যাগুলোর কারণেই কম্পিউটার চালু হয় না। তবে বুঝতেই পারছেন এই অংশে শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যার কথাই বললাম, অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু এখনও চালুই হতে দেইনি!&lt;span style="background-color: magenta;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: magenta;"&gt;হার্ডঅয়্যার ট্রাবলশ্যুটিং &lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কম্পিউটারের ট্রাবলশুটিংয়ের প্রসঙ্গ আসলেই চলে আসবে হার্ডওয়্যারজনিত বিভিন্ন সমস্যার কথা। এত এত হার্ডওয়্যার পিসির ভেতর কোন না কোনোটিতে সমস্যা হওয়াটি নিত্যনৈমত্তিক একটা ঘটনা। তাই এর ব্যবহারকারী সবারই হার্ডওয়্যারগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার সাধারণ কিছু উপায় জানা উচিত। আসুন ধাপে ধাপে জেনে নিই এমন কিছু সমস্যা ও তার সমাধান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;মনিটর&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;** যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন&amp;nbsp;Starting Windows&amp;nbsp;মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপে সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়ে রিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপর সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যা আছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;সিডি/ডিভিডি রম&lt;/b&gt; &lt;br /&gt;** যদি ড্রাইভে সিডি/ডিভিডি ঢুকালে তা&amp;nbsp; দেখা না যায় অথবা সেটি রান না করে তখন বুঝতে হবে সিডি/ডিভিডিতে স্ক্র্যাচ পড়েছে অথবা আপনার ড্রাইভের হেডে ধুলা জমে সেটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় পারলে সিডি ড্রাইভ খুলে সেটির হেড থেকে ধুলা পরিষ্কার করুন অথবা সিডি ক্লিনার কিনে তা প্রবেশ করিয়ে ড্রাইভের হেড ক্লিন করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** সিডি যদি ড্রাইভের&amp;nbsp;Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp; যদি মাই কম্পিউটারেই সিডি ড্রাইভ খুঁজে পাওয়া না যায় তখন দেখুন এর পেছনের ডাটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবল লুজ হয়ে গিয়েছে কিনা। তারপরও কাজ না হলে বায়োসে ঢুকে দেখতে পারেন আসলেই মাদারবোর্ড ড্রাইভটিকে ডিটেক্ট করতে পারছে কি-না। এখানে বুট ডিভাইস লিস্টে ড্রাইভটি দেখা গেলে বুঝা যাবে যে উইন্ডোজের সমস্যা। সেক্ষেত্রে ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে ড্রাইভের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করুন। ড্রাইভের ডাটা ক্যাবল খুলে আবার লাগান। উইন্ডোজ এবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp; অনেকেই হয়তো জানেন না ময়লা সিডি ক্লিন করতে ইচ্ছে করলে আপনি সেটিকে হালকা সাবানা পানি দিয়ে ধুলে পরিষ্কর করে ভালোমতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করতে পারেন।&amp;nbsp; তবে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন না।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;র‌্যাম&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;র‌্যামের ট্রাবলশুটিং বলতে বুঝায় যদি কখনও বিনা কারণেই পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;সাউন্ড&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;সাউন্ড নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের অপরিহার্য একটি অংশ। কিন্তু একে নিয়ে বিড়ম্বনাও কম না। বন্ধুদেরকে নিয়ে আসলেন মুভি দেখাবেন বলে। কিন্তু পিসি অন করে মুভি প্লে করে দেখলেন ভিডিও আসছে কিন্তু সাউন্ড উধাও। অনেকেই মাঝেমধ্যে এরকম বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতিতে পড়ে থাকেন। হঠাৎ হঠাৎ তো সাউন্ডের আইকনটাকেই খুঁজে পাওয়া যায় না। আসুন দেখে নিই কি করবেন তখন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp; প্রথমেই যথারীতি দেখতে হবে সাউন্ড কার্ড ও স্পিকারের সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা। মনে রাখবেন সাউন্ড কার্ডের মাঝের সবুজ পোর্টে স্পিকারের ইনপুট জ্যাকে ঢুকাতে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** সব ঠিক আছে ? তাহলে এবার দেখুন তো উইন্ডোজের নোটিফিকেশনগুলোর (ডিসপ্লের নিচে ডানকোণায় ঘড়ির পাশে) মধ্যে সাউন্ডের আইকনটি খুঁজে পাওয়া যায় কি। নেই ? নাকি লাল ক্রস? তাহলে বুঝতে হবে সাউন্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করতে হবে। ড্রাইভার&amp;nbsp; ইন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন। ড্রাইভার না থাকলে উইন্ডোজ আপডেটের সহায়তা নিন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** আইকন ঠিক আছে ? তাহলে দেখুন&amp;nbsp;Mute অন করা কিনা। সাউন্ডের প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে সাউন্ডের লেভেল চেক করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** সব ঠিক ? ড্রাইভারও আছে ? তাহলে আগের ড্রাইভারটি আনইন্সটল করে আবার নতুন করে ড্রাইভার ইন্সটল করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** আরেকটি ব্যাপার হতে পারে। সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার অন্য কোনো ড্রাইভারের সাথে কনফ্লিক্ট করতে পারে। এটি দেখার জন্য ডিভাইস ম্যানেজারে যান।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** সাউন্ড, ভিডিও এন্ড গেম কন্ট্রোলারস এক্সপান্ড করুন। যদি সাউন্ড কার্ডের পাশে হলুদ রংয়ের ‘!’ চিহ্ন দেখেন তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনো ডিভাইস সাউন্ড কার্ডের সাথে কনফ্লিক্ট করছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এর সমাধান করতে ডিভাইস ম্যানেজার ট্যাব হতে প্রোপার্টিজ&amp;gt;রিসোর্সে যান। কনফ্লিক্টিং ডিভাইস লিস্ট হতে দায়ী ডিভাইসটি খুঁজে বের করুন। অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সে ক্লিক করে পিসি রিস্টার্ট করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এতেও কাজ হয়নি ? উপরের কাজটি আবার করে অটোমেটিক সেটিংস চেকবক্সটি ডিজেবল করে চেঞ্জ সেটিংস-এ ক্লিক করুন। অতঃপর বিভিন্ন সেটিংস-এর মাঝে দেখুন কখন কোন ডিভাইস কনফ্লিক করে, কখন করে না। কাজ শেষ হলে&amp;nbsp;Ok করে পিসি আবার রিস্টার্ট দিন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** স্পীকার যেই সাউন্ড কার্ডে লাগানো সেটাই ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস হিসেবে চিহ্নিত করা আছে কিনা দেখুন।কেননা বর্তমানে এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ডেও সাউন্ড কার্ড থাকে।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;মাউস&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;সাধারণত রোলার বলবিশিষ্ট মাউসগুলোর ভেতর ময়লা ও ধুলাবালি জমে প্রায়ই সমস্যা তৈরি করে। এজন্য উচিত নিয়মিত মাউস পরিষ্কার করা। প্রথমে মাউসটি হাতে নিয়ে উল্টো করে নিচের অংশ গোলাকৃতি চাকতিটি হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে বামদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন। ভেতরের রোলার বলটি বের করুন। এবার মাউস হোলের ভেতরে তাকান। সেখানে বেশ কিছু রোলার দেখতে পাবেন। ময়লা-ধুলাবালি সেখানেই জমে। চিমটা বা হাতের নখ দিয়ে ময়লাগুলো আলগা করে মাউস উল্টে বাইরে ফেলে দিন। এবার মাউসের বলটি পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। সব কাজ শেষ হলে বলটি ভেতরে রেখে চাকতিটি নিয়ে বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;প্রাচীন কালের টিপস হয়ে গেল বলে দুঃখিত।কি করব বলুন।অপটিক্যাল মাউস নিয়ে বলার কিছু নেই।কেননা বেসিক ইলেকট্রনিক সার্কিট,সোল্ডারিং,মাল্টিমিটার এর সাথে যাদের পরিচয় নেই তারা আসলে নতুন মাউস কেনা ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না।আর যারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন তাদের কোন সমস্যা হলে আশা করি নিজেরাই পারবেন বুঝেশুনে কাজ করতে।নইলে আমি তো আছিই!&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;কী-বোর্ড&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;কী-বোর্ডে যে সমস্যাটি বেশি ঝামেলা ফেলে তা হচ্ছে কী-বোর্ডের যে বাটনে যেটি আসার কথা তা না এসে অন্যটি আসা। এ সমস্যার সমাধান করা জানা থাকলে খুবই সহজ। আসুন জেনে নেই-&lt;/div&gt;** কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে&amp;nbsp;Regional and Language&amp;nbsp;অপশনে যান।&lt;br /&gt;** Keyboard and Language&amp;nbsp;ট্যাব থেকে Change Keyboard-এ ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;** সেখান থেকে&amp;nbsp;United States International&amp;nbsp;সিলেক্ট করে&amp;nbsp;Apply,Ok করুন।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এছাড়াও ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখে আসতে পারেন কী-বোর্ড ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। সব ঠিক থাকার পরও যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে কী-বোর্ড পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আপনি।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;মডেম&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;প্রায় সময়ই দেখা যায় মডেমটি কাজ করছে না। এটি দিয়ে ইন্টারনেট কানেক্ট হতে পারছেন না আপনি অথবা পিসি মডেমই খুঁজে পাচ্ছে না। এই সমস্যা যেমন হার্ডওয়্যারজনিত হতে পারে তেমনি কমিউনিকেশন সফটওয়্যার বা সেটিংসজনিত কারণেও হতে পারে। নিচে এই জাতীয় বেশ কিছু ট্রাবলশুটিংয়ের কথা বলছি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যদি উইন্ডোজ মডেমই ডিটেক্ট করতে না পারে তখন মডেমটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** মডেম ওকে কিন্তু নেট কাজ করছে না ? তখন ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে দেখুন মডেমটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা। প্রয়োজনবোধে ড্রাইভার রিইন্সটল করে দেখতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** কাজ হচ্ছে না ? ফোন লাইন চেক করুন। মডেম ঠিক মোডে আছে কিনা দেখুন। যদি আপনি ট্রান্সমিশন রিসিভ করতে চান তাহলে মডেম অ্যানসার মোডে আর ইন্টারনেট ব্যবহার করতে ডায়াল মোডে থাকা লাগবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যদি মডেম ডায়াল করতে পারে কিন্তু কানেক্ট হয় না তখন দেখুন আপনার ডায়ালিং নাম্বার ঠিক আছে কিনা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যদি&amp;nbsp;না ডায়ালটোন হয় তাহলে লাইন চেক করুন। ফোনের বাসায় অন্য এক্সটেনশন লাইন থাকলে সেটি পরীক্ষা করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;* কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ঠিক আছে কিনা তা দেখুন। কন্ট্রোল প্যানেলে মডেম প্রোপার্টিজে&amp;nbsp;wait for dial tone before dialing&amp;nbsp;অপশনটি অফ করে দিলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** COM পোর্ট সেটিংস ঠিক আছে কি-না দেখুন। মডেম প্রোপার্টিজ থেকে এটি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনে&amp;nbsp;COM Port&amp;nbsp;পরিবর্তন করুন।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;হার্ড ডিস্ক&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;অনেক সময় কম্পিউটার চালু হবার সময় হার্ডডিস্ক এরর দেখায়। এর কারণ হতে পারে-&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** মাদারবোর্ড হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না। প্রথমেই নিশ্চিত হোন হার্ডডিস্কের পাওয়ার ক্যাবল ঠিক আছে কি-না। তারপর হার্ডডিস্ক থেকে মাদারবোর্ডের ডাটা ক্যাবল চেক করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** হার্ডডিস্কের পেছনের পিন ঠিক আছে কিনা দেখুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** হয়তোবা বায়োসের সেটিংসের কারণেও সমস্যা হতে পারে। বায়োসে গিয়ে দেখতে পারেন হার্ডডিস্ক পাওয়া যাচ্ছে কিনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;উইন্ডোজ আপডেটিং বিড়ম্বনা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতায় এবং সেভেনে অটোমেটিক আপডেটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। এর মাধ্যমে উইন্ডোজ নিজে থেকে ইন্টারনেট থেকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম, এ্যাপ্লিকেশন ও হার্ডওয়্যারের জন্য প্রয়োজনীয় আপডেট ডাউনলোড করে থাকে। পাশাপাশি সিকিউরিটি সিস্টেমও আপডেট হয় এভাবে। তবে অনেক সময় আপডেট আপনার পিসির স্ট্যাবিলিটি নষ্ট করে দিতে পারে। কিভাবে বুঝবেন ? যেমন আপডেট করে পিসি রিস্টার্ট করার পর এরর মেসেজ, পিসি স্লো হয়ে যাওয়া, হ্যাং করা ইত্যাদি। তখন প্রয়োজন পড়বে সাম্প্রতিক আপডেটটি ডিলিট করে ফেলার। এবার আসুন দেখে নিই আপডেট কিভাবে আনইন্সটল করবেন। সব ওএস-এ নিয়ম প্রায় একই। আমি ভিসতার পদ্ধতি অনুসরণ করছি।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;** কন্ট্রোল প্যানেল থেকে প্রোগ্রামস এন্ড ফিচারস এ যান।&lt;br /&gt;** বাম পাশের টাস্কস মেনু থেকে ভিউ ইন্সটলড আপডেটস-এ ক্লিক করন।&lt;br /&gt;&lt;img alt="53 পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৪: আপডেটিং বিড়ম্বনা | Techtunes" class="size-full wp-image-16708 alignnone" height="169" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/shuknopata/16705/53.jpg" title="পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৪: আপডেটিং বিড়ম্বনা | 53" width="452" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এখানে যে সমস্ত আপডেট ডাউনলোড করেছেন তার লিস্ট থেকে প্রয়োজনীয় আপডেটটি সিলেক্ট করে রিমুভ করুন। কোন আপডেট কবে ইন্সটল করেছেন তা দেখে সহজেই লেটেস্ট আপডেট কোনটি তা বুঝতে পারবেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** অথবা কন্ট্রোল প্যানেল&amp;gt;উইন্ডোজ আপডেট-এ গিয়ে ভিউ আপডেট হিস্টরিতে যান। সেখান থেকে ইন্সটলড আপডেট-এ ক্লিক করেও কাজটি করতে পারে।&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;হার্ডঅয়্যার আপডেটিং বিড়ম্বনা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;উইন্ডোজের আপডেটিং-এর মাধ্যমে অকেজো হার্ডওয়্যারের ড্রাইভার ডাউনলোড করে তা যেমন সচল করা যায় তেমনি উল্টোটাও হতে পারে। আপডেট করার পর দেখলেন যে ডিভাইসটি আর কাজ করছে না। কি করবেন তখন ? বলছি শুনুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ&amp;gt; ডিভাইস ম্যানেজারে যান। এক্সপিতে মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক তারপর প্রোপার্টিজ&amp;gt;হার্ডওয়্যার&amp;gt; ডিভাইস ম্যানেজার।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** যে ডিভাইসটি সমস্যা করছে সেটিকে এক্সপান্ড করে রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ&amp;gt;ড্রাইভারে যান। ভাগ্য ভালো থাকলে ‘রোল ব্যাক ড্রাইভার’ অপশন দেখলে তা সিলেক্ট করলে কাজ হয়ে যাবে। ভাগ্যের কথা বলছি কেননা সব সময় এই অপশনটি পাবেন না।&lt;/div&gt;&lt;img alt="54 পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৪: আপডেটিং বিড়ম্বনা | Techtunes" class="aligncenter size-full wp-image-16709" height="466" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/shuknopata/16705/54.jpg" title="পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৪: আপডেটিং বিড়ম্বনা | 54" width="403" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** এতে কাজ না হলে একই ড্রাইভার ট্যাব থেকেই আনইনস্টল সিলেক্ট করে আবার নতুন করে আগের ড্রাইভার ইন্সটল করুন। কাজ হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আর আমার পরামর্শ হচ্ছে যদি ডিভাইসটি ঠিকমতো কাজ করতে থাকে তাহলে একমাত্র গ্রাফিক্স কার্ড বাদে কোনোটাই ড্রাইভার আপডেট করা থেকে বিরত থাকবেন। অনাকাঙ্খিত ঝামেলা থেকে রেহাই পাবেন এতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল না হলে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;খুব, খুব, খুবই বিরক্তিকর একটি সমস্যা এটি।এক্সপিতে বেশি দেখা যায় এই সমস্যা।&amp;nbsp;সি ড্রাইভ ফরম্যাট দিয়ে এক্সপি ইন্সটল করতে বসেছেন কিন্তু সেটি সেটআপ হচ্ছে না। কেমনটা লাগে তখন বলুনতো? মাঝনদীতে দাঁড়বিহীন নৌকার মাঝির মতো মনে হয় তখন নিজেকে। কেননা কোনো অপারেটিং সিস্টেম বিহীন হার্ডডিস্ক যেমন চালাতে পারবেন না তেমনি এই মুহূর্তে সেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যাটাই তো ইন্সটল হতে চাচ্ছে না। কি করতে পারেন তখন। আসুন একবার দেখে নিই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp; যদি সিডি থেকে ফাইল কপি হতে গিয়েই আটকে যায় তাহলে বুঝতে হবে সিডি/ডিভিডি রম ড্রাইভ বা সিডিতেই সমস্যা। সিডিরমটি ক্লিন করে নিন অথবা অন্য ভালো সিডি দিয়ে চেষ্টা করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp; যদি সিডি কপি হবার পর রিস্টার্ট এবং ইন্সটল হতে গিয়ে আটকে যায় তাহলে এটি সিডির ফাইল কপিতে সমস্যার কারণেও হতে পারে। আবার শুরু থেকে শুরু করুন। আবারও আটকেছে? তাহলে বুঝতে হবে হার্ডওয়্যারগত সমস্যা এটি সম্ভবত র‌্যামের। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে দেখুন। একাধিক বাসস্পিডের র‌্যাম লাগানো থাকলে একই স্পিডবিশিষ্টটি রেখে বাকিগুলো খুলে ফেলুন। এক্ষেত্রে নতুন সেটআপ করার সময় সিডি থেকে বুট করে ফাইল কপি করতে হবে না। আপনাকে কিছুই করতে হবে না। শুধু বসে থেকে পিসিকে নিজের মতো চলতে দিন। আগেরবার কপি করা ফাইল দিয়েই কাজ চলবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp; এছাড়া যদি ইন্সটলেশনের সময় এরর ব্লুস্ক্রিন আসে তাহলেও বুঝতে হবে এটি র‌্যামের সমস্যা। উপরের পদ্ধতিগুলোই অনুসরণ করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; আরও যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন তা হচ্ছে হার্ডডিস্ক-এর যে ড্রাইভে সেটআপ করবেন সেটি এনটিএফএস কিনা এবং পর্যাপ্ত জায়গা সেখানে আছে কিনা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp; এছাড়া&amp;nbsp; অনেক ব্র্যান্ড পিসি এক্সপি বর্তমানে সেটআপ নিতে চায়না।খানে আপনার কিছু করার নেই।নির্মাতা থেকেই এটি করে দেয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;পিসি বারবার রিস্টার্ট হলে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অনেক সময়ই এই সমস্যা দেখা যায়। কাজের সময় যখন তখন পিসি রিস্টার্ট হচ্ছে। অথবা, উইন্ডোজ লোড হয়েই আবার রিস্টার্ট করছে। বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হতে পারে। আসুন দেখে নিই কারণগুলো-&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; সাধারণত ভাইরাস আক্রমণের কারণে এমনটি হয়। তাই এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে পিসি স্ক্যান করুন। তাতেও কাজ না হলে উইন্ডোজ ইন্সটল ছাড়া গতি নেই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp; ইন্টারনেট অপরিচিত মেইল, এটাচমেন্ট, মেসেজ ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এভাবেই ভাইরাস বেশি ছড়ায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; র‌্যামের সমস্যা বা ভিন্ন ভিন্ন বাসস্পিডের র‌্যাম থাকলে এমনটি হতে পারে। একই বাস স্পিডের র‌্যাম সবসময় ব্যবহার করবেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; মাঝে মাঝে কোনো সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই মনে করুন এই সমস্যা করার আগে কোন কাজটি করেছিলেন। মনে থাকলে সেটি রিমুভ করে ফেলুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; পিসিতে নতুন সংযুক্ত কোনো হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্টের কারণেও এটি হতে পারে। এমতাবস্থায় হার্ডওয়্যারটি খুলে ড্রাইভার আনইন্সটল করুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; সিপিইউর যন্ত্রাংশে ধুলাবালি জমেও এমনি হতে পারে। তাই নিয়মিত কম্পিউটার পরিষ্কার রাখুন ও যতটা সম্ভব শুষ্ক ঠান্ডা স্থানে রাখুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp; বায়োসে সিপিইউ ফ্যানের প্রোফাইলে সমস্যার কারনেও এটা হতে পারে।হয়তো আপনার ফ্যান প্রোফাইল সাইলেন্ট করে রাখা,একারনে দরকারি হেভীওয়েট কাজের সময় সিপিইউ পর্যাপ্ত তাপ নির্গমন করতে না পেরে পিসি রিস্টার্ট নেয়।এক্ষেত্রে বায়োসে গিয়ে ফ্যান প্রোফাইল ইন্টিলিজেন্ট বা টার্বো করে দিন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;**&amp;nbsp;&amp;nbsp; আর ভোল্টেজ উঠানামার কথা নাহয় নতুন করে আর নাইবা বললাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;কম্পিউটার হার্ডডিস্ক না পেলে কী করা উচিত&lt;br /&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের এ ধরনের সমস্যায় প্রায়ই&amp;nbsp; পড়তে হয়। বিভিন্ন কারণে কম্পিউটারে পাওয়ার দেওয়ার পর হার্ডডিস্ককে কম্পিউটার ডিটেক্ট করতে পারে না।সমস্যার সম্ভাব্য কারণসমূহ এবং এমতাবস্থায় কি করবেন এবারে তা বলছি:&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১. ভালোভাবে লক্ষ্য করুন হার্ডডিস্কের সাথে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাই থেকে আসা পাওয়ার কর্ডটি ঠিকমতো সংযুক্ত আছে কি-না।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২. হার্ডডিস্কটির সাথে মাদারবোর্ডের আইডিই বাস ক্যাবল অথবা সাটা ক্যাবল দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত আছে কি-না।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৩. হার্ড ডিস্কের জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা ? এক্ষেত্রে হার্ডডিস্কের জাম্পার দুইভাবে সেট করা যায় একটি মাস্টার সেটিং অন্য স্লেভ সেটিং। এক্ষেত্রে আপনাকে মাস্টার সিলেক্ট করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;img alt="252 পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৭: কম্পিউটার হার্ডডিস্ক না পেলে কি করবেন | Techtunes" class="aligncenter size-full wp-image-16717" height="440" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/shuknopata/16716/252.jpg" title="পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৭: কম্পিউটার হার্ডডিস্ক না পেলে কি করবেন | 252" width="425" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৪. হার্ড ডিস্কটি মাদারবোর্ডের সাথে প্রাইমারি না সেকেন্ডারি হিসেবে সংযুক্ত নিশ্চিত হোন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৩ ও ৪ নং কনফিগারেশরনের জন্য যদি একই সেটিংসে একাধিক IDE Device থাকে তবে তা (CD/DVD ROM,HDD) পাওয়া নাও যেতে পারে- যেমন দেখা গেল যে একটি HDD ও একটি DVD ROM উভয়েই Secondary master হিসেবে কনফিগার করা। এক্ষেত্রে দুটি Device-এর কোনো একটি নাও পাওয়া যেতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৫. BIOS-এ IDE অটো ডিটেক্ট অপশনটি ডিজেবল থাকলে তা ৪টি IDE ডিভাইসের জন্য এনাবল করতে হবে নতুবা ম্যানুয়ালি HDD কে ডিটেক্ট করিয়ে দিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;পিসির কনফিগারেশন&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কম্পিউটারের যে কোনো সমস্যা আর হার্ডওয়্যারের সমস্যাতো তো বটেই সবার আগে আপনার প্রয়োজন পড়বে পিসির কনফিগারেশন অর্থাৎ প্রসেসর, র‌্যাম, মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড কোনটি কোন কোম্পানির কি মানের তা জানার। দেখা যায় যে বেশিরভাগ মানুষই অন্য কারো সহায়তা বা দোকানির পরামর্শে কম্পিউটার কেনেন এবং পরে যখন কোনো সমস্যায় পড়ে অন্য কারো দারস্থ হন তখন আর কনফিগারেশন বলতে পারেন না। এতে সমাধানকারীকে অতিরিক্ত ঝামেলায় পড়তে হয়। এই তথ্যগুলো তাই জেনে নিয়ে দরকার পড়লে লিখে রাখুন। তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানকারীর জন্য সমস্যার কারণ খুঁজে পাওয়াটা সহজ হয়ে যায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এই বেসিক কনফিগারেশনগুলো জানতে বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। মাই কম্পিউটারে রাইট ক্লিক করে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে জেনারেল ট্যাব থেকে জেনে নিতে পারবেন প্রসেসর, র‌্যাম ও অপারেটিং সিস্টেম সংক্রান্ত তথ্য। গ্রাফিক্স বা ডিসপ্লে প্রোপ্রার্টিজে গিয়ে ইনফরমেশন থেকে জানতে পারবেন গ্রাফিক্সকার্ড সংক্রান্ত তথ্য। আর অনেকক্ষেত্রেই কম্পিউটার কেনার ক্যাশমেমোতেই এসব বিস্তারিত লিখা থাকে। আরেকটি কাজ করতে পারেন। কোনো অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর সহায়তায় জেনে নিতে পারেন তথ্যগুলো। যেভাবেই যাই জানুন না কেন তা ভালোভাবে লিখে যত্নসহকারে রেখে দিন।&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;বিল্ট ইন&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখন প্রায় সব কম্পিউটারেই বিল্টইন কিছু না কিছু থাকেই। যেমন- এজিপি কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ড ইত্যাদি। বিল্টইন অর্থ এই হার্ডওয়্যারটি আপনার মাদারবোর্ডে দেয়াই আছে। আপনি আলাদা না কিনে এটি দিয়েই কাজ চালাতে পারেন। কিন্তু কথায় আছে সস্তার দশ অবস্থা। &lt;b&gt;কোম্পানি বা দোকানি যতই গলা ফটাক না কেন এটা বুঝতে খুব বেশি বুদ্ধিমান হবার দরকার পড়ে না যে, পারফরমেন্সে বিল্টইন হার্ডওয়্যারটি কখনই স্বতন্ত্র হার্ডওয়্যারের সমকক্ষ হতে পারে না।&lt;/b&gt; তবে যারা সাধারণ বা মাঝারি মানের ব্যবহারকারী তাদের জন্য বিল্টইন সাউন্ড বা এজিপি কার্ডই যথেষ্ঠ। আর বিল্টইন ল্যান কার্ড দিয়ে সমস্যা ছাড়াই কাজ চালাতে পারেন। তবে একটা কথা। যারা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট লাইন নেন তাদের সবার ল্যান কার্ডের ফিজিকাল বা ম্যাক এড্রেস কিন্তু সংশ্লিষ্ট আইএসপি নিয়ে রেকর্ড করে রাখে।ফলে মাদারবোর্ডে কোনো সমস্যা হলে নেট লাইন নিয়ে বিপদে পড়বেন আপনি। এক্ষেত্রে আইএসপি’র শরণাপন্ন আপনাকে হতেই হবে। আর আলাদা ল্যানে যে বাড়তি সুবিধা একই কারণে পাবেন তা হচ্ছে এটি অন্য পিসিতে লাগিয়ে একই নেট কানেকশন কাজের সময় ব্যবহার করতে পারবেন আপনি।ম্যাক এড্রেস পরিবর্তনের উ্পায় অবশ্য আছে কিন্তু এই টিউনে তা আমার আলোচ্য না।&lt;/div&gt;&lt;img alt="techtoday4u.blogspot পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৮:জেনে রাখা ভাল | Techtunes" class="aligncenter size-full wp-image-16722" height="319" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/shuknopata/16719/techtoday4u.blogspot.jpg" title="পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৮:জেনে রাখা ভাল | techtoday4u.blogspot" width="640" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আর বিল্টইন সাউন্ড কার্ড বা এজিপিতে সমস্যা হলে তা বেশ বিড়ম্বনাকর। অনেকক্ষেত্রে মাদারবোর্ডের উপরই চাপটা পড়ে বেশ জটিলাকার ধারণ করে। তবে মনে রাখবেন, বিল্টইন এজিপি মানেই এটি আপনার সিস্টেম থেকে র‌্যাম শেয়ার করে। তাই বিল্টইন এজিপি ব্যবহার করলে বাড়তি র‌্যাম লাগানোটাই ভালো। নাহলে সিস্টেম স্লো হয়ে যাওয়া বা হ্যাং করাসহ অনেক সমস্যাই হতে পারে আপনার।একটা সহজ পয়েন্ট উল্লেখ করি।ক্রিয়েটিভের ভালোমানের সাউন্ড কার্ডের দাম ৪০০০ টাকার উপরে,এনভিডিয়ার ৯৬০০ জিটি ১ গিগাবাইট র‌্যামবিশিষ্ট এজিপির দাম ১৫০০০ টাকা।আর সুপার-ডুপার সাউন্ড(!),১৭৫৮ মেগাবাইট পর্যন্ত এজিপি বিশিষ্ট মাদারবোর্ড আপনি ৭০০০ টাকাতেই পাবেন!!আর কিছু বলতে হবে&lt;b&gt;?&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;পাওয়ার এবং &lt;/b&gt;&lt;b&gt;পাওয়ার&lt;/b&gt;&lt;b&gt; সাপ্লাই&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কম্পিউটারের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ অংশ এই পাওয়ার সাপ্লাই। এর কারণে অনেক সমস্যাই হতে পারে। ইউপিএস কেন ব্যবহার করবেন, কেন করবেন না এই নিয়ে বেশি কিছু বলব না। শুধু বলব অস্থিতিশীল ভোল্টেজ সাপ্লাই আপনার মূল্যবান হার্ডওয়্যারের মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আর্থিং। ভালো আর্থিং কম্পিউটারের জন্য অতীব প্রয়োজনীয়। কোনো ইলেকট্রিশিয়ানকে ডেকে আপনার আর্থিং ঠিক আছে কিনা তা চেক করে নিতে পারে। আর্থিং না থাকার কারণে অনেক সময় কোনো কোনো হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে। মনিটর কাঁপতে পারে, কেসিং-এর বডি শক করতে পারে; এমনকি মাদারবোর্ড বা হার্ডডিস্কের ক্ষতি পর্যন্ত হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আরেকটি সমস্যা অনেকসময় দেখা যায়। কম্পিউটারের উপর যখন বেশি চাপ পড়ে। হাইএন্ড গেম বা এপ্লিকেশন রান করতে যায় তখন পিসি রিস্টার্ট করে। এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত পাওয়ার সাপ্লাই। অর্থাৎ কাজের সময় আপনার পাওয়ার সাপ্লাই মাদারবোর্ডে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে না। এক্ষেত্রে আপনাকে পাওয়ার সাপ্লাইটি পরিবর্তন করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;img alt="70 পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৮:জেনে রাখা ভাল | Techtunes" class="aligncenter size-full wp-image-16721" height="640" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/shuknopata/16719/70.jpg" title="পিসি ট্রাবলশ্যুটিং পর্ব ৮:জেনে রাখা ভাল | 70" width="598" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;জানেন কি কম্পিউটারের ভেতরের যাবতীয় হার্ডওয়্যার চলে ডিসি পাওয়ারে? এসি ২২০ ভোল্ট পাওয়ারকে পাওয়ার সাপ্লাই ডিসি ৩.৫ ভোল্ট, ৫ ভোল্ট ও ১২ ভোল্টে রূপান্তর করে মাদারবোর্ডে সরবরাহ করে। ফলে সিপিইউর ভেতর যে কারেন্ট থাকে তা বিপদজনক নয়। তবে যদি পাওয়ার অন করে কখনও কাজ করতে হয় তখন খেয়াল রাখবেন যেন শর্টসার্কিট না হয় এবং আপনার পায়ে যেন শুকনা জুতা থাকে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;পিসির যত্ন&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;শুধুমাত্র মাত্র টেকনিক্যাল কারণ বা সমস্যাতেই যে পিসি নষ্ট হয় বা সমস্যা হয় ব্যাপারটা কিন্তু এমন না।আমাদের ব্যবহার পদ্ধতি,রক্ষনাবেক্ষনের উপরো এসব কিছু অনেকাংশে নির্ভরশীল।আপনার একটু সতর্কতাই পারে আপনার পিসিকে দীর্ঘায়ু দিতে।আসুন আজ আপনাদের বলব তেমনি কিছু সচেতনতার কথা যেগুলা মাথায় রেখে কাজ করলে অনেক অনাকাংখিত ঝামেলা থেকেই মুক্তি পাবেন আপনি।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;ভোল্টেজের ওঠানামা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;পাওয়ার সকেট ঠিকমতো ভু-সংযুক্ত(আর্থিং) থাকতে হবে। আজকাল যদিও অধিকাংশ ব্যবহারকারী ভূ-সংযোগ ছাড়াই পিসি চালান তবে পিসির সংবেদনশীলতা বিবেচনায় ভূ-সংযোগ থাকা ভালো। একটি সকেটের উপর মাল্টিপল না চাপিয়ে পাওয়ার স্টিপ ব্যবহার করুন। হিটার, এসি, ফ্রিজ বা ওয়াশিং মেশিনের সাথে যুক্ত পাওয়ার লাইন বাদ দিয়ে পিসির জন্য আলাদা একটি পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করুন। লোডশেডিং-এর ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে ইউপিএস ব্যবহার করতে পারেন। তবে তা ব্যবহারের আগে ঠিকমতো কাজ করছে কি-না পরখ করে নিবেন। এবং পিসির সবক’টি পেরিফিরিয়ালের লোড নিতে সক্ষম কি-না তা-ও যাচাই করে দেখুন।অযথা প্রিন্টার বা স্ক্যানার ইউপিএস এর সাথে লাগাবেন না।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;তাপমাত্রার তারতম্য&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;তাপমাত্রার পরিবর্তনের প্রতি কম্পিউটার বেশ সংবেদনশীল। ঠাণ্ডা আবহাওয়াই পিসির পক্ষে অনুকূল। তবে খুব শীতল আবহাওয়া নয়। আপনি যদি এটি সরিয়ে নিয়ে এমন কক্ষে রাখেন যেখানে তাপমাত্রা ভিন্ন রকমের তবে সেটা সাথে সাথে চালু না করে কিছুটা সময় নিয়ে করবেন। নতুন আবহাওয়ার সাথে কম্পিউটারকে আগে পরিচিত হতে দেন।&lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;তাপ, ধুলোবালি এবং আর্দ্রতা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;বর্তমানের উন্নত ও দ্রুতগতির কম্পিউটারগুলি ব্যবহার করা উচিত সাবধানতার সাথে। সরাসরি সূর্যের আলো লাগে এরকম জায়গায় একে রাখবেন না। এমন জায়গায় না যেখানে তাপমাত্রা খুব দ্রুত বদল হয় যেমন এসি, এয়ারকুলার বা হিটার এদের কাছাকাছি স্থান। এসি করা ঘরে যদি কম্পিউটার রাখেন তাহলে লক্ষ রাখতে হবে যেন এসির বাতাসের সরাসরি প্রবাহ তাতে না লাগে। প্রচুর জলীয় বাস্পযুক্ত বাতাস পিসির বিভিন্ন অংশগুলি ড্যাম্প করে দিতে পারে। কিছুটা ঠাণ্ডা, শুকনো এবং ধুলোমুক্ত পরিবেশ কম্পিউটার রাখার জন্য উপযুক্ত স্থান। গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চল হওয়ায় এদেশে কম্পিউটার ব্যবহারে সাবধানী হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। উষ্ণতা এর অন্যতম শত্রু। কম্পিউটারের কক্ষটিতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা বাঞ্চনীয়। ফ্যানযুক্ত সিপিইউ কেবিনেট ব্যবহার করুন।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;পিসির কভার&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;লক্ষ রাখবেন আপনার পিসির কভার যেন যথাযথ অবস্থায় থাকে। ড্রাইভ অথবা স্লট দিয়ে যেন বাইরের ধুলোবালি, পোকামাকড় না ঢোকে। পিসি চালানোর সময় কোনো কিছু ঢেকে ভেন্টিলেশন ছিদ্র বন্ধ করবেন না। তাহলে ব্যবহারের সময় অত্যধিক উষ্ণ হয়ে যাবে সেটা। তবে ব্যবহারের পর পিসি ঠাণ্ডা হওয়ার পরে তা কাপড় অথবা কোনো আবরণী দিয়ে ভালো করে ঢেকে রাখবেন। শীতের দিনে ইঁদুর, টিকটিকি আশ্রয় নিতে পারে কম্পিউটারের ভেতরে। তাছাড়া এর মধ্যে মাকড়সাও জাল বুনতে পারে। সেজন্য মাঝে মধ্যে কেস খুলে দেখতে পারেন তা পরিষ্কার আছে কিনা&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;পিসির গতিবৃদ্ধি&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;কোনো কোনো সময় মেশিন পূর্বের তুলনায় ধীর সময়ে কাজ করতে পারে। এতে বিচলিত না হয়ে কারণ নির্ণয়ের চেষ্টা করুন। বেশিরভাগ সময়ে দেখা যায় বাহুল্যজনিত কারণে অর্থাৎ প্রয়োজনীয় যে সকল প্রোগ্রাম রয়েছে সেগুলোর কারণে সিস্টেম স্লো হতে পারে। পিসি বুটিংয়ে যদি অনেকগুলো ইউটিলিটি ওপেন করে রাখা হয় সেক্ষেত্রে এই সময় বাড়তে পারে। কোনো কোনো সময় হার্ডডিস্কের জায়গা কমে আসার জন্যও এই সময় লাগতে পারে।&lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;স্ক্যানডিস্ক করা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;প্রতি সপ্তাহে একবার অন্ততপক্ষে স্ট্যান্ডার্ড স্ক্যান ডিস্কটি চালান আপনার কম্পিউটারের ওপরে। স্ক্যানডিস্ক টুলসটি পাবেন স্টার্ট মেন্যুর প্রোগ্রাম&amp;gt;এক্সেসরিজ&amp;gt;সিস্টেম টুলসের ভেতরে।এটি চালালে দুটি অপশন পাবেন স্ট্যান্ডার্ড এবং থ্রু স্ক্যানের অপশন। ডিস্কের যে কোনো ধরনের সমস্যা, ডাটা করাপশনের সম্ভাবনা থাকলে তা সারাতে স্ক্যান ডিস্ক টুলটি ব্যবহার করতে হয়। আর থ্রু স্ক্যানডিস্কটি চালান প্রতি মাসে অন্তত একবার। আর আমাদের দেশে কারেন্ট খুব বেশি যাওয়া আসা করে। সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ কোনো এপ্লিকেশন চালাতে থাকা অবস্থায় কারেন্ট চলে যায় তবে পরবর্তীতে কম্পিউটার চালানোর পরে অবশ্যই স্ট্যান্ডার্ড স্ক্যানডিস্ক করুন। এজন্য প্রয়োজনে স্ক্যানডিস্কের একটি শর্টকার্ট তৈরি করে রাখতে পারেন ডেস্কটপে।&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;নিয়মিত&lt;/b&gt;&lt;b&gt; ডিফ্র্যাগমেন্ট&lt;/b&gt;&lt;b&gt; করা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;ডিফ্র্যাগ টুলটির সাথেও আপনার নিয়মিত পরিচয় থাকা ভালো। এটি হার্ডডিস্কের এফিসিয়েন্সি বাড়িয়ে দেয় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফাইলগুলোকে এক সাথে এনে। প্রোগ্রাম দ্রুত চালাতে চাইলে মাঝে মধ্যেই ডিফ্র্যাগ করা প্রয়োজন। কত নিয়মিত ডিফ্র্যাগ করা উচিত ? নির্ভর করে কত দ্রুত আপনি সফটওয়্যার ইন্সটল ও আনইন্সটল করেন তার ওপরে। যদি আপনার মাঝে মধ্যেই হার্ডডিস্কে প্রচুর পরিমাণে ডাটা পরিবর্তন হয়ে থাকে তবে দু সপ্তাহে একবার ডিফ্র্যাগ করতে পারেন।নতুবা মাসে একবার করলেই হবে।&lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;খুব বেশি সফটঅয়্যার ইন্সটল না &lt;/b&gt;&lt;b&gt;করা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;আমাদের অনেকেরই এই অভ্যাস আছে যে যে কেউ যেকোন সফটওয়ারের কথা বললেই আমরা নিজের পিসিতে ইন্সতল করে ফেলি।এটা আদৌ আমাদের কোন কাজে আসবে কিনা তা ভেবে দেখি না।সেই যে ইন্সটল করে একবার চালিয়ে দেখা সেটাই কিন্তু শেষ।জীবনেও দেখা যায় ঐ প্রোগ্রাম আর খুলে দেখা হয় না।আর এভাবেই আমরা আমাদের উইন্ডোজকে আরো স্লো হতে যথেষ্ঠ সাহাজ্য করি।দয়া করে এই কাজটি থেকে বিরত থাকবেন।প্রোগ্রাম যতটা সম্ভব কম ইন্সত্যল করবেন।কেননা পরে আনইন্সটল করলেও দেখা যায় এর কিছু না কিছু ভ্যালু রেজিস্ট্রিতে রয়ে যায়।তাই এই কাজ থেকে বিরত থাকুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;যে-সব কাজ কখনো করা উচিত নয়&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** চলন্ত অবস্থায় সিপিইউতে ঝাঁকুনি দেবেন না। এতে বিদ্যুতিক শক লাগতে পারে কিংবা হার্ডডিস্ক ও অন্যান্য কম্পোনেন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** ঢাকনাবিহীন স্পিকার- সিভিটি অথবা ইউপিএস মনিটরের কাছাকাছি আনবেন না। বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বাধার সৃষ্টি হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;** পিসি চালু রেখে কিছু পান করবেন না বা ধুমপান করবেন না। কারণ তরল কী-বোর্ডে পড়ে যেতে পারে অথবা ধোঁয়ার ক্ষুদ্র কণিকা ঢুকে পড়তে পারে কম্পিউটারে।&lt;b&gt;&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: magenta;"&gt;&lt;b&gt;শেষ কথা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ট্রাবলশুটিং নিয়ে এতোক্ষণ অনেক কথাই হলো। আশাকরি এর কোনো না কোনোটি আপনার দৈনন্দিন কম্পিউটার সমস্যায় কিছুটা হলেও সাহায্য করবে। তবে বড় কথা হচ্ছে কম্পিউটারে প্রতিদিনই নিত্যনতুন বিচিত্র সব সমস্যা দেখা দেয়। তার অনেকগুলোই মাথা ঘুরিয়ে দেবে আপনার। আবার অনেকগুলোর কোনো সমাধান নেই। যেমন কম্পিউটার মাঝে মাঝে চালু হয় না। ডিকশনারীর এ টু জেড সবকিছুই চেষ্টা করে ব্যর্থ আপনি। কিন্তু দেখলেন পরদিন আপনার চোখকে কপালে তুলে দিয়ে দিব্যি কম্পিউটার চালু হয়ে গেছে। একটা কথাই বলবো, কম্পিউটারের সব সমস্যার কারণ খুঁজতে যাবেন না। তা হবে বোকামি। অনেকক্ষেত্রেই যন্ত্রটি খামখেয়ালি। মনে রাখবেন কথাটি।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-2771649873528741605?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/2771649873528741605/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=2771649873528741605' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2771649873528741605'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2771649873528741605'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_27.html' title='&lt;b&gt;পিসি ট্রাবলশ্যুটিং&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7287865098599785392</id><published>2009-12-23T03:16:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:22:59.854+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শিক্ষা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><title type='text'>সারা দেশে প্রথম সাদিয়া, শীর্ষ দশের সাতজনই ছাত্রী</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;প্রা&lt;/span&gt;থমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় সারা দেশের সম্মিলিত মেধাতালিকার শীর্ষ ১০ শিক্ষার্থীর সাতজনই ছাত্রী। আবার শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে চারজনই টাঙ্গাইলের। সেরা দশের মধ্যে ঢাকার নামীদামি স্কুলগুলোর কেউ নেই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সম্মিলিত মেধাতালিকায় এবার প্রথম হয়েছে নরসিংদীর মনোহরদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী সাদিয়া শিকদার। দ্বিতীয় হয়েছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের আড়পাড়া শিবনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দীপান্বিতা তিথি, তৃতীয় টাঙ্গাইলের আর কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাসিন তানভীর অন্তু, চতুর্থ টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সিলভিয়া মাহমুদ বৃষ্টি, পঞ্চম রাজশাহীর বোয়ালিয়ার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের ফাহিম তাজওয়ার, ষষ্ঠ টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের ছাব্বিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেখ ফজলে রাব্বী, সপ্তম নরসিংদীর মনোহরদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মুন ইসলাম, অষ্টম ঢাকার ডেমরার সামসুল হক খান স্কুলের মুসফিকা ভূঁইয়া, নবম মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সাদিয়া আফরিন শাম্বা এবং দশম স্থান অধিকার করেছে টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নুরান তানসুনা হূদি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সাদিয়াকে নিয়ে আনন্দের কান্না: গতকাল দুপুরের আগেও নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা সদর ছিল অন্য সব দিনের মতোই স্বাভাবিক। কিন্তু সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের পরই পাল্টে যায় সেই চিত্র। দুপুর ১২টার দিকে মনোহরদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছুটে যান সাদিয়ার বাড়িতে। বলেন, ‘আর কেউ নয়, আমাদের সাদিয়া সারা দেশে প্রথম হয়েছে।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে এমন খবর পাওয়ার পর আনন্দে কেঁদে ওঠেন সাদিয়ার বাবা তাজুল ইসলাম। তারপর মেয়েকে জড়িয়ে ধরে বাকরুদ্ধ হয়ে যান তিনি। ততক্ষণে খবর ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশীদের কাছে। তারাও এসে যোগ দেয় এই আনন্দে। এরপর দলে দলে লোকজন এসে ভিড় জমায় সাদিয়ার বাড়িতে। এক ঘণ্টার মধ্যে সাদিয়ার ঘর ভরে চারপাশ লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। চলে দিনব্যাপী আনন্দ-উত্সব আর মিষ্টি বিতরণ।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সাদিয়ার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়ি উপজেলার অঞ্জুনেরচর গ্রামে। তারা থাকে সদরের উপজেলা পরিষদ সড়কে ভাড়াবাসায়। বাবা তাজুল ইসলাম গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার খিরাতী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক আর মা শেফালী বেগম শিক্ষকতা করেন স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মা শেফালী বেগম বললেন, ‘ভালো ফল আশা করেছিলাম, কিন্তু এতটা ভালো ভাবিনি। এখন এই সাফল্য ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সাদিয়া যে বিদ্যালয়ে পড়ে, সেই মনোহরদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০০২ সাল থেকে জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে আসছে। আর এ বছর প্রথমবারের মতো সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে। শুধু শতভাগ পাসই নয়, ১১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম বিভাগ পেয়েছে ১০৯ জন। সারা দেশের সপ্তম স্থান অধিকারী মুন ইসলামও এই স্কুলের ছাত্র। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকসানা আফরোজ বলেন, ‘এই সাফল্য আমাদের আরও দায়িত্বশীল করে তুলবে।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দ্বিতীয় তিথি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের দীপান্বিতা তিথি ৬০০ নম্বরের মধ্যে ৫৯২ পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছে। তার বাবা বিজয় কুমার বারোবাজার বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, মা অর্চনা রানী শহরের শোয়াইবনগর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিথি তার মায়ের স্কুলের ছাত্রী।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ছোট্ট তিথি প্রথম আলোকে জানায়, তার বড় বোন ডাক্তারি পড়ছে। সেও ডাক্তারি পড়বে। এরপর দুই বোন মানুষের সেবা করবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দারুণ খুশি তানভীর: সারা দেশে তৃতীয় ও ছেলেদের মধ্যে প্রথম হয়েছে টাঙ্গাইলের হাসিন তানভীর অন্তু। গতকাল বিকেলে শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় নানাবাড়িতে অন্তু জানায়, সে খুবই খুশি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অন্তুর বাবা নুরুল ইসলাম খান ঢাকায় চাকরি করেন। মা নাজমুশ শিহার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা। ছেলের সাফল্যে খুশি হয়ে তিনি বললেন, ‘ফলাফল শোনার পর থেকে অন্য রকম ভালো লাগছে।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;লেখাপড়ার পাশাপাশি অন্তু নিয়মিত সাংস্কৃতিক চর্চা করে। তিন বছর ধরে সে টাঙ্গাইলের ষড়জ পঞ্চম সংগীত বিদ্যালয়ে রাগসংগীত শিখছে। তা ছাড়া বাসায় শিক্ষক রেখে তবলা শিক্ষা নিচ্ছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অন্তুকে নিয়ে রুক্মিণীকান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক সবাই গর্বিত। প্রধান শিক্ষক নাইয়ার জাহা ফারজানা জাকিয়া বলেন, অন্তু বরাবরই পড়াশোনায় মনোযোগী।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মা-বাবাই ফাহিমের শিক্ষক: ফাহিম তাজওয়ার মেধাতালিকায় পঞ্চম। ফাহিমের বাবা শেখ মজিবুর রহমান রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) ও বদরুন্নাহার গৃহিণী। তাঁদের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মা-বাবাই ছিল ফাহিমের শিক্ষক। ফাহিমের মা জানান, পড়াশোনার ব্যাপারে সে খুবই আন্তরিক। একটা পড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে আমাকে অথবা তার বাবাকে ছাড়ে না।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;{প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন রাজশাহীর আবুল কালাম আজাদ, ঝিনাইদহের আজাদ রহমান, ভৈরবের সুমন মোল্লা ও টাঙ্গাইলের কামনাশীষ শেখর}।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7287865098599785392?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7287865098599785392/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7287865098599785392' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7287865098599785392'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7287865098599785392'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_23.html' title='&lt;b&gt;সারা দেশে প্রথম সাদিয়া, শীর্ষ দশের সাতজনই ছাত্রী&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3182847629250250116</id><published>2009-12-16T22:54:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:21:49.867+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>Run কমান্ডের বহুবিধ ব্যবহার</title><content type='html'>&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;R&lt;/span&gt;un কমান্ডের বহুবিধ ব্যবহার নিম্নরূপ :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Accessibility Options : access.cpl&lt;br /&gt;Add Hardware :  hdwwiz.cpl&lt;br /&gt;Add/Remove Programs :  appwiz.cpl&lt;br /&gt;Administrative Tools : control admintools&lt;br /&gt;Automatic Updates :  wuaucpl.cpl&lt;br /&gt;Wizard file transfer Bluethooth :  fsquirt&lt;br /&gt;Calculator :  calc&lt;br /&gt;Certificate Manager :  certmgr.msc&lt;br /&gt;Character :  charmap&lt;br /&gt;Checking disk : chkdsk&lt;br /&gt;Manager of the album (clipboard) : clipbrd&lt;br /&gt;Command Prompt : cmd&lt;br /&gt;Service components (DCOM) : dcomcnfg&lt;br /&gt;Computer Management : compmgmt.msc&lt;br /&gt;DDE active sharing : ddeshare&lt;br /&gt;Device Manager : devmgmt.msc&lt;br /&gt;DirectX Control Panel (if installed) : directx.cpl&lt;br /&gt;DirectX Diagnostic Utility : dxdiag&lt;br /&gt;Disk Cleanup : cleanmgr&lt;br /&gt;Disk Defragmenter : dfrg.msc&lt;br /&gt;Disk Management : diskmgmt.msc&lt;br /&gt;Partition manager : diskpart&lt;br /&gt;Display Properties : control desktop&lt;br /&gt;Properties of the display (2) : desk.cpl&lt;br /&gt;Properties display (tab "appearance") : control color&lt;br /&gt;Dr. Watson :  drwtsn32&lt;br /&gt;Manager vérirficateur drivers : check&lt;br /&gt;Event Viewer : Eventvwr.msc&lt;br /&gt;Verification of signatures of files :  sigverif&lt;br /&gt;Findfast (if present) : findfast.cpl&lt;br /&gt;Folder Options : control folders&lt;br /&gt;Fonts (fonts) : control fonts&lt;br /&gt;Fonts folder windows : fonts&lt;br /&gt;Free Cell ... :  freecell&lt;br /&gt;Game Controllers : Joy.cpl&lt;br /&gt;Group Policy (XP Pro) : gpedit.msc&lt;br /&gt;Hearts (card game) : mshearts&lt;br /&gt;IExpress (file generator. Cab) : IExpress&lt;br /&gt;Indexing Service (if not disabled) : ciadv.msc&lt;br /&gt;Internet Properties : inetcpl.cpl&lt;br /&gt;IPConfig (display configuration) :  ipconfig/all&lt;br /&gt;IPConfig (displays the contents of the DNS cache) :  ipconfig/displaydns&lt;br /&gt;IPConfig (erases the contents of the DNS cache) :  ipconfig/flushdns&lt;br /&gt;IPConfig (IP configuration cancels maps) :  ipconfig/release&lt;br /&gt;IPConfig (renew IP configuration maps) : ipconfig/renew&lt;br /&gt;Java Control Panel (if present) : jpicpl32.cpl&lt;br /&gt;Java Control Panel (if present) : javaws&lt;br /&gt;Keyboard Properties :  control keyboard&lt;br /&gt;Local Security Settings : secpol.msc&lt;br /&gt;Local Users and Groups :  lusrmgr.msc&lt;br /&gt;Logout :  logoff&lt;br /&gt;Microsoft Chat : winchat&lt;br /&gt;Minesweeper (game) :  winmine&lt;br /&gt;Properties of the mouse :  control mouse&lt;br /&gt;Properties of the mouse (2) :  main.cpl&lt;br /&gt;Network Connections : control NetConnect&lt;br /&gt;Network Connections (2) :  ncpa.cpl&lt;br /&gt;Network configuration wizard :  netsetup.cpl&lt;br /&gt;Notepad : notepad&lt;br /&gt;NView Desktop Manager (if installed) :  nvtuicpl.cpl&lt;br /&gt;Manager links :  packager&lt;br /&gt;Data Source Administrator ODBC :  odbccp32.cpl&lt;br /&gt;Screen Keyboard :  OSK&lt;br /&gt;AC3 Filter (if installed) : ac3filter.cpl&lt;br /&gt;Password manager (if present) :  Password.cpl&lt;br /&gt;Monitor performance : perfmon.msc&lt;br /&gt;Monitor performance (2) :  perfmon&lt;br /&gt;Dialing Properties (phone) :  telephon.cpl&lt;br /&gt;Power Options : powercfg.cpl&lt;br /&gt;Printers and Faxes : control printers&lt;br /&gt;Private Character Editor : eudcedit&lt;br /&gt;Quicktime (if installed) : QuickTime.cpl&lt;br /&gt;Regional and Language Options :  intl.cpl&lt;br /&gt;Editor of the registry : regedit&lt;br /&gt;Remote desktop connection : mstsc&lt;br /&gt;Removable Storage :  ntmsmgr.msc&lt;br /&gt;requests the operator to removable storage :  ntmsoprq.msc&lt;br /&gt;RSoP (traduction. ..) (XP Pro) :  rsop.msc&lt;br /&gt;Scanners and Cameras : sticpl.cpl&lt;br /&gt;Scheduled Tasks : control schedtasks&lt;br /&gt;Security Center : wscui.cpl&lt;br /&gt;Console management services :  services.msc&lt;br /&gt;shared folders : fsmgmt.msc&lt;br /&gt;Turn off windows : shutdown&lt;br /&gt;Sounds and Audio Devices : mmsys.cpl&lt;br /&gt;Spider (card game) :  spider&lt;br /&gt;Client Network Utility SQL server : cliconfg&lt;br /&gt;System Configuration Editor : sysedit&lt;br /&gt;System Configuration Utility : msconfig&lt;br /&gt;System File Checker (SFC =) (Scan Now) : sfc/scannow&lt;br /&gt;SFC (Scan next startup) :  sfc/scanonce&lt;br /&gt;SFC (Scan each démarraget) : sfc/scanboot&lt;br /&gt;SFC (back to default settings) :  sfc/revert&lt;br /&gt;SFC (purge cache files) :  sfc/purgecache&lt;br /&gt;SFC (define size CAHC x) : sfc/cachesize = x&lt;br /&gt;System Properties : sysdm.cpl&lt;br /&gt;Task Manager :  taskmgr&lt;br /&gt;Telnet client :  telnet&lt;br /&gt;User Accounts : nusrmgr.cpl&lt;br /&gt;Utility Manager (Magnifier, etc) : utilman&lt;br /&gt;Windows firewall (XP SP2) : firewall.cpl&lt;br /&gt;Microsoft Magnifier :  magnify&lt;br /&gt;Windows Management Infrastructure :  wmimgmt.msc&lt;br /&gt;Protection of the accounts database :  syskey&lt;br /&gt;Windows update :  wupdmgr&lt;br /&gt;Introducing Windows XP (if not erased) : tourstart&lt;br /&gt;Wordpad : write&lt;br /&gt;Date and Time Properties :  timedate.cpl&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3182847629250250116?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3182847629250250116/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3182847629250250116' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3182847629250250116'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3182847629250250116'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/run.html' title='&lt;b&gt;Run কমান্ডের বহুবিধ ব্যবহার&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1046946501675199934</id><published>2009-12-16T19:07:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:20:59.760+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>মজিলা ফায়ারফক্সে ব্রাউজিং স্পিড বাড়াতে কিছু টিপস্</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;F&lt;/span&gt;irefox চালু করে এড্রেসবারে about:config টাইপ করে এন্টার করুন। ফায়ারফক্সের কনফিগারেশন পেজ চালু হবে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;HTTP PIPELINING এনাবল করুন:&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১. HTTP পাইপলাইনিং এনাবল করে আপনি ব্রাউজিং এর গতি বাড়াতে পারেন। এর জন্য ওপেন হওয়া কনফিগারেশন পেজের ফিল্টারে টাইপ করুন network.http.pipelining. দু'টো ভ্যালু পাবেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২. network.http.pipelining.ssl অপশনের ভ্যালু True করুন।(ডাবল ক্লিক করলে False থেকে True হবে।)&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৩. network.http.pipelining.maxrequests অপশনে ডাবল ক্লিক করে এর ভ্যালু বাড়িয়ে নিন।(ডিফল্ট থাকে ৪ আপনি আপনার নেট লাইনের গতি বুঝে পরিবর্তন করুন। আমার ব্রাউজারে এটি ৮ করা আছে।)&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;HTTP PROXY পাইপলাইন এনাবল ও network.dns.disableIPv6 ট্রু করুন:&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১. HTTP PROXY পাইপলাইন এনাবল করতে ফিন্টারে টাইপ করুন- network.http.proxy.pipelining।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২. network.http.proxy.pipelining অপশনের ভ্যালু পরিবর্তনের জন্য ডাবল ক্লিক করে True করুন।&lt;/div&gt;৩. ফিন্টার বক্সে network.dns.disableIPv6 লিখুন।&lt;br /&gt;৪. network.dns.disableIPv6 অপশনে ডাবলক্লিক করে True করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;CONTENT INTERRUPT PARSING যুক্ত করুন:&lt;br /&gt;১. এই অপশনটি আগে থেকে থাকে না। সুতরাং আপনাকে যুক্ত করে নিতে হবে।&lt;br /&gt;২. about:config এ রাইট ক্লিক করে একটি New -&amp;gt; Boolean যুক্ত করুন।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৩. New boolean value নামের যে পপ আপ উইন্ডোটি আসবে সেখানে content.interrupt.parsing টাইপ করুন।&lt;/div&gt;৪. True ভ্যালু সেট করে OK করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;CONTENT MAX TOKENIZING TIME যুক্ত করুন:&lt;br /&gt;১. about:config এ রাইট ক্লিক করে একটি New -&amp;gt; Integer যুক্ত করুন।&lt;br /&gt;২. content.max.tokenizing.time লিখে OK করুন।&lt;br /&gt;৩. ভ্যালু হিসেবে 2250000 সেট করে OK করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;CONTENT NOTIFY ONTIMER:&lt;br /&gt;১. about:config এ রাইট ক্লিক করে একটি New -&amp;gt; Boolean যুক্ত করুন।&lt;br /&gt;২. পপ আপ বক্সে content.notify.ontimer টাইপ করে ওকে করুন।&lt;br /&gt;৩. ভ্যালু হিসেবে True নির্বাচন করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;CONTENT NOTIFY BACKOFFCOUNT:&lt;br /&gt;১. about:config এ রাইট ক্লিক করে একটি New -&amp;gt; Integer যুক্ত করুন।&lt;br /&gt;২. content.notify.backoffcount লিখে OK করুন।&lt;br /&gt;৩. ভ্যালু হিসেবে সেট করুন ৫।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;Firefox বন্ধ করে আবার চালু করুন এবং ব্রাউজ করে দেখুন। পার্থক্যটা নিজেই ধরতে পারবেন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1046946501675199934?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1046946501675199934/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1046946501675199934' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1046946501675199934'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1046946501675199934'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_16.html' title='&lt;b&gt;মজিলা ফায়ারফক্সে ব্রাউজিং স্পিড বাড়াতে কিছু টিপস্&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7026895418045703603</id><published>2009-12-14T00:57:00.002+07:00</published><updated>2010-08-05T20:19:25.037+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইতিহাস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নিবন্ধ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নামকরণ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রবন্ধ'/><title type='text'>'পেংওয়া' থেকে কক্সবাজার</title><content type='html'>&lt;div class="content"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TBkwMM393TI/AAAAAAAAAgQ/hyQ0J4TM7_c/s1600/DSC_0000084.jpg" imageanchor="1" style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://1.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TBkwMM393TI/AAAAAAAAAgQ/hyQ0J4TM7_c/s320/DSC_0000084.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;বাং&lt;/span&gt;লাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে একটি হচ্ছে সীমান্ত জেলা কক্সবাজার। দেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে ২০.৩৫ ডিগ্রি থেকে ২১.৫৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা এবং ৯১.৫০ ডিগ্রি থেকে ৯২.২৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে এর অবস্থান। এর উত্তরে চট্টগ্রাম, পূর্বে পার্বত্য বান্দরবান জেলা ও মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ, দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে আন্তর্জাতিক রেখা বরাবর 'নেহ ম্রাই' অর্থাৎ নাফ নদী অবস্থিত। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জেলার আয়তন ২ হাজার ২৬০ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ১০ লাখ ২৬ হাজার ১৭২ জন। রামু, চকরিয়া, মহেশখালি, টেকনাফ, উখিয়া, কুতুবদিয়া ও সদরসহ ৭টি থানা নিয়ে গঠিত এই জেলার নামকরণ হয়েছে মূলত কক্সবাজার সদরের নাম থেকেই। 'কক্সবাজার' নামটি ইতিহাসের বিবেচনায় খুব প্রাচীন নয়, মাত্র ২০০ বছরের পুরোনো। কিন্তু এলাকার ভূভাগটি যেমন প্রাচীন তেমনি এই ভূভাগের ইতিহাসও সুপ্রাচীন। কক্সবাজারের বর্তমান নামের মধ্যে স্মৃতি হিসাবে অম্লান ও অক্ষয় রয়েছে সাতসমুদ্দুর তেরো নদী পারের এক সৈনিক 'ক্যাপ্টেন হাইরাম কক্স'-এর নাম।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="content" style="text-align: justify;"&gt;বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার মতো কক্সবাজারের নামকরণকে ঘিরেও প্রচলিত রয়েছে হরেক কিংবদন্তি। ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগিজ ঐতিহাসিক 'জোঁ অ্যা দ্য বেরোস' তাঁর মানচিত্রে এবং ১৫৫৪ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি নাবিক 'ছিদি আলি ছিদিবি' তাঁর বর্ণনায় এই অঞ্চলের নাম বাকোলিয়া বলে উল্লেখ করেছেন। ইতিহাস গবেষকদের মতে কক্সবাজারের প্রাচীন নাম 'পেংওয়া'। এটি একটি রাখাইন শব্দ যার অর্থ হলদে ফুল। কক্সবাজার সদরের পার্শ্ববর্তী থানা রামু অঞ্চলটি রাখাইনদের কাছে আজও 'পেংওয়া' বা 'পাংওয়া' নামে পরিচিত। ধারণা করা হয়ে থাকে যে, খ্রিস্টীয় সপ্তদশ শতাব্দির মাঝামাঝি পর্যন্ত কক্সবাজার শহরাঞ্চলসহ বর্তমান রামু অঞ্চলটির পরিচিতি ছিল 'পেংওয়া' নামে।&lt;/div&gt;&lt;div class="content" style="text-align: justify;"&gt;১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে আরাকান রাজা শ্রী সুধম্মার মৃত্যুতে সমগ্র আরাকানে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য প্রকটভাবে দেখা দেয়। সেই সময় শ্রী সুধম্মার পুত্র 'ঙা থোয়েং খাইং' আরাকান থেকে পালিয়ে এসে বাকোলিয়া (এর বর্তমান নাম বাঁকখালি) নদীর তীরে এক ছোট পাহাড়ে আশ্রয় নেন। পরবর্তীকালে তাঁর সহযোগী আরাকানের সাবেক মন্ত্রী 'ঙা লাহ রুন' বৌদ্ধ ভিক্ষু হয়ে 'উ অগ্গমেধাবী' নাম ধারণ করে পাহাড়ের পাদদেশে নতুন বসতি স্থাপন করেন এবং এর নাম রাখেন 'অং খ্যেং থা'। নতুন বসতি স্থাপনের ফলে খ্রিস্টীয় সপ্তদশ শতাব্দির দ্বিতীয়ার্ধে তৎকালীন 'পেংওয়া'র একাংশ নতুন বসতির নামে অর্থাৎ 'অং খ্যেং থা' হিসাবে পরিচিতি লাভ করে বলে অনেকে মনে করেন। এর পরের ইতিহাস তো সবার জানা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে 'রাখাইন-প্রে' তথা আরাকানের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও কেন্দ্রীয় শাসনের প্রতি দেশবাসীর আস্থাহীনতার সুযোগে তৎকালীন বার্মার সাম্রাজ্যবাদী রাজা 'মং ওয়াইং' ওরফে 'বোদফারাহ' স্বাধীন আরাকান আক্রমণ করেন এবং আরাকানের তৎকালীন নির্বাচিত রাজা 'থামাদা'কে হত্যা করে সমগ্র আরাকান দখল করে নেন। পরবর্তীকালে বর্মি সেনাপতি 'বেনদুলা'র নেতৃত্বে পরাজিত আরাকানি তথা রাখাইনদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। ১৭৮৫ থেকে ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মাত্র ৪ বছরে দখলদার বর্মি সেনাবাহিনী বর্বরোচিতভাবে প্রায় আড়াই লাখ নিরীহ রাখাইনকে হত্যা করে। এই হত্যাযজ্ঞ থেকে রেহাই পাওয়ার উদ্দেশ্যে আরাকানের দুই-তৃতীয়াংশ অধিবাসী তাদের পিতৃভূমি আরাকান থেকে পালিয়ে এসে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসিত বৃহত্তর চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালি এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল। পালিয়ে আসা এসব শরণার্থীর পুনর্বাসন কার্যক্রম তদারকি করার জন্য ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ক্যাপ্টেন হাইরাম কক্সকে সুপারিনটেনডেন্ট পদে নিয়োগ করেন। পুনর্বাসন কার্যক্রম চলাকালে ক্যাপ্টেন হাইরাম কক্স স্থানীয়ভাবে একটা বাজারও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যার পরিচিতি ছিল 'কক্স সাহেবের বাজার' নামে। দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২ আগস্ট ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাজারসহ পুরো এলাকাটাই 'কক্সবাজার' নামে পরিচিতি লাভ করে। 'কক্সবাজার' নামের উৎপত্তির ফলে এর পুরোনো 'অং খ্যেং থা' নামটি কালের গর্ভে হারিয়ে যায়। এই কক্সবাজার নামটি রাখাইনদের কাছে 'ফলং জিঃ' নামেই পরিচিত যার অর্থ শ্বেতাঙ্গ সাহেবের বাজার। তবে উচ্চারণগত বিকৃতির কারণে রাখাইনদের 'ফলং জিঃ' আজ 'ফলং খ্যি'-তে ঠেকেছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অসংখ্য মতভেদ আর গবেষণার পরও কালের স্রোতধারায় কিংবদন্তি হয়ে সকল নাম তলিয়ে গেছে সভ্যতার গহ্বরে। সবশেষে ক্যাপ্টেন হাইরাম কক্সকে চিরসম্মানিত করে তাঁর নামেই বর্তমানে 'কক্সবাজার' ইতিহাসে ঠাঁই নিয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div class="content" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="content" style="text-align: justify;"&gt;[&lt;b&gt;পুনশ্চ :&lt;/b&gt; &lt;u&gt;এই ফিচারটি আমারই লেখা, যা জাতীয় দৈনিক 'ভোরের কাগজ'-এর ৩১ আগস্ট ১৯৯৮ সংখ্যার পৃষ্ঠা-৫ ফিচার পাতায় ছাপা হয়েছিল। তখন কক্সবাজার জেলার থানা/উপজেলার সংখ্যা ছিল ৭টি। বর্তমানে পেকুয়াসহ ৮টি। আমি তখন প্রচলিত 'রাখাইন' বানানটি না লিখে উচ্চারণ অনুযায়ী 'রাখাইং' লিখতাম।&lt;/u&gt;]&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7026895418045703603?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7026895418045703603/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7026895418045703603' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7026895418045703603'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7026895418045703603'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_14.html' title='&lt;b&gt;&apos;পেংওয়া&apos; থেকে কক্সবাজার&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_d7HZZ-bqJEo/TBkwMM393TI/AAAAAAAAAgQ/hyQ0J4TM7_c/s72-c/DSC_0000084.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3186734471508841866</id><published>2009-12-10T18:15:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:17:38.814+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>Hard Disk-এর Partition ভাঙব কীভাবে?</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;আ&lt;/span&gt;মার Desktop PC টা কেনা হয়েছে প্রায় ছ'মাস আগে। PC টা কেনার আগ পর্যন্ত কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না, তবে কম্পিউটার সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা ছিল। Net Browsing-এর উদ্দেশ্যেই মূলত PC টা কেনা। কেনার সময় আমার Hard Disk-এর Partition করে দিয়েছিল এভাবে:&lt;/div&gt;System (C):~~Capacity 14.6 GB~~এখন Free Space 4.1 GB (Percentage 28%)&lt;br /&gt;Software (D):~~Capacity 70.7 GB~~এখন Free Space 68.2 GB (Percentage 96%)&lt;br /&gt;Audio (E):~~Capacity 70.7 GB~~এখন Free Space 68.9 GB (Percentage 97%)&lt;br /&gt;Video (F):~~Capacity 70.7 GB~~এখন Free Space 63.6 GB (Percentage 89%)&lt;br /&gt;Collection (G):~~Capacity 71.0 GB~~এখন Free Space 67.9 GB (Percentage 95%)&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এখানে উল্লেখ্য, আমি আমার প্রয়োজনীয় অধিকাংশ Software System (C) Drive-এ জায়গা না থাকায় Collection (G) Drive-এ Install করে রেখেছি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;টেকি ব্লগাররা বলে থাকেন যে, System (C) Drive-এর কমপক্ষে ৩৩% জায়গা খালি রাখতে/থাকতে হবে। না হলে Net Browsing-এর গতি কমে যাবে। এখানে আরও উল্লেখ্য, আমার RAM 2 GB (1 GB+1 GB করে দু'টি প্যারালাল)। এ ব্যাপারে বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা বলেন, আমার প্রয়োজনীয় File/Software গুলো অন্য একটা Portable Hard Disk-এ কপি করে তার পর PC-এর Hard Disk-এর Partition ভাঙতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমি চাই, Partition ভাঙার পর আমার প্রয়োজনীয় কোনো File/Software যেন হারিয়ে না যায়। এ ব্যাপারে আমি টেকি ব্লগারদের পরামর্শ/সহযোগিতা কামনা করছি।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3186734471508841866?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3186734471508841866/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3186734471508841866' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3186734471508841866'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3186734471508841866'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/hard-disk-partition.html' title='&lt;b&gt;Hard Disk-এর Partition ভাঙব কীভাবে?&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1967763347109237730</id><published>2009-12-08T00:26:00.004+07:00</published><updated>2010-08-05T20:16:48.973+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সিডি/ডিভিডি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>সফটঅয়্যার ছাড়াই সিডি/ডিভিডি রাইট করা যায়</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;সি&lt;/span&gt;ডি/ডিভিডি রাইট করার নতুন পদ্ধতি। কোনো সফটঅয়্যার ছাড়াই সিডি/ডিভিডি রাইট করা যায়। প্রথমে যে ফাইলগুলো রাইট করব সেগুলোর উপর কার্সর রেখে রাইট বাটন ক্লিক করে সেন্ড টু দিয়ে সিডি/ডিভিডিতে ক্লিক করতে হবে। এখন টাস্কবারে নোটিফিকেশন দেখাবে, এটার উপর ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করলে সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ ওপেন হবে। ওখানে রাইট দিস ফাইল টু সিডি-তে ক্লিক করতে হবে। এর পর সিডি/ডিভিডি রাইটিং উইজার্ড আসবে। এখন সিডি/ডিভিডির নাম লিখে নেক্সট-এ ক্লিক করতে হবে। এবার সিডি/ডিভিডি রাইট হচ্ছে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1967763347109237730?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1967763347109237730/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1967763347109237730' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1967763347109237730'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1967763347109237730'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_08.html' title='&lt;b&gt;সফটঅয়্যার ছাড়াই সিডি/ডিভিডি রাইট করা যায়&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-2827255259308399198</id><published>2009-12-06T21:29:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:16:03.089+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রস্তাব'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পরামর্শ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><title type='text'>ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ই&lt;/span&gt;দানীং বাংলা/বাংলাদেশি ব্লগগুলোতে যে ভাষায় কিছু-কিছু পোস্ট লেখা ও পরবর্তীতে মন্তব্য প্রদান হচ্ছে তা পড়ে ভিরমি খেতে হয়। এই সমস্ত পোস্ট ও মন্তব্য এক কথায় অরুচিকর, অকথ্য, অশ্রাব্য ও অপাঠ্য। আর যাঁরা এসব করেন তাঁরা কেউ-ই আসল নামে ব্লগিং করেন না। তাঁদের Nick গুলোই এর প্রমাণ।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে অন্যতম পার্থক্য এই-- মানুষ লোকলজ্জার ভয়ে/কারণে অনেক কিছু প্রকাশ্যে করে না, যা অন্য প্রাণীগুলো করে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;Facebook-এর মতো ব্লগগুলোতেও যদি &lt;u&gt;যার-যার প্রোফাইলে আসল ছবি ও প্রকৃত নাম-ঠিকানা দেওয়ার ব্যবস্থা/বাধ্যবাদকতা থাকত&lt;/u&gt; তা হলে বোধহয় পোস্ট ও মন্তব্যের ভাষা এই পর্যায়ে নেমে আসত না।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যুক্তি-তর্ক কিংবা বিশ্বাস-আদর্শের কথা প্রকাশ/প্রচারের জন্য ছদ্মনাম ধারণ করতে হবে কেন? যাঁরা ছদ্মনামে এসব করেন, আমি মনে করি তাঁদের বিশ্বাসে খাদ আছে কিংবা তাঁদের আদর্শ ভুয়া।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-2827255259308399198?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/2827255259308399198/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=2827255259308399198' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2827255259308399198'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/2827255259308399198'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_06.html' title='&lt;b&gt;ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-6259767143401890562</id><published>2009-12-05T23:49:00.002+07:00</published><updated>2010-08-05T20:14:09.904+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>PC কে fast রাখতে প্রয়োজনীয় টিপস্</title><content type='html'>&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img alt=" আপনার পিসি কে দ্রতগামী রাখুন ৪ টি টিপসে...(অভিজ্ঞদের প্রবেশ নিষেধ) | Techtunes" class="alignnone size-full wp-image-15267" height="320" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/almas/15229/untitled51.JPG" title="আপনার পিসি কে দ্রতগামী রাখুন ৪ টি টিপসে...(অভিজ্ঞদের প্রবেশ নিষেধ) | " width="273" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img alt=" আপনার পিসি কে দ্রতগামী রাখুন ৪ টি টিপসে...(অভিজ্ঞদের প্রবেশ নিষেধ) | Techtunes" class="alignnone size-full wp-image-15265" height="231" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/almas/15229/untitled21.JPG" title="আপনার পিসি কে দ্রতগামী রাখুন ৪ টি টিপসে...(অভিজ্ঞদের প্রবেশ নিষেধ) | " width="320" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img alt=" আপনার পিসি কে দ্রতগামী রাখুন ৪ টি টিপসে...(অভিজ্ঞদের প্রবেশ নিষেধ) | Techtunes" class="alignnone size-full wp-image-15263" height="168" src="http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/almas/15229/untitled1.JPG" title="আপনার পিসি কে দ্রতগামী রাখুন ৪ টি টিপসে...(অভিজ্ঞদের প্রবেশ নিষেধ) | " width="320" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;প্র&lt;/span&gt;থম টিপস্ :&lt;/b&gt; Run এর মাধ্যমে PC কে fast রাখা যায়। প্রথমে Start&amp;gt;Run-এ click করে&amp;nbsp; তার পর Text Bar-এ লিখতে হবে নিম্নরূপ :&lt;/div&gt;tree লিখে তার পর Ok করা।&lt;br /&gt;tree exe লিখে তার পর Ok করা।&lt;br /&gt;temp লিখে তার পর Ok করা এবং Ctrl+A চেপে select করে delete করা।&lt;br /&gt;%temp% লিখে তার পর Ok করা এবং Ctrl+A চেপে select করে delete করা।&lt;br /&gt;prefetch লিখে তার পর Ok করা এবং Ctrl+A চেপে select করে delete করা।&lt;br /&gt;recent লিখে তার পর Ok করা এবং Ctrl+A চেপে select করে delete করা।&lt;br /&gt;recover লিখে তার পর Ok করা।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;sfc লিখে তার পর Ok করা।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;দ্বিতীয় টিপস্ :&lt;/b&gt; Event Viewer-এর মাধ্যমে PC কে fast রাখা যায়। এজন্য ধাপে-ধাপে Start&amp;gt;Settings&amp;gt;Control Panel&amp;gt;Administrative Tools&amp;gt;Event Viewer-এ click করতে হবে। এর পর নিম্নরূপ :&lt;/div&gt;Application-এ right click করে তার পর Clear all Events-এ click করে No করা।&lt;br /&gt;Security-এ right click করে তার পর Clear all Events-এ click করে No করা।&lt;br /&gt;System-এ right click করে তার পর&amp;nbsp;Clear all Events-এ click করে No করা।।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;তৃতীয় টিপস্ :&lt;/b&gt; PC ২-৩ ঘণ্টা চলার পর অবশ্যই Win XP Drive ( Local Disk C )-এর Disk Cleanup করতে হবে।&lt;/div&gt;এজন্য My Computer&amp;gt;Local Disk C-এর উপর right click করে তার পর Properties-এ click করে Disk Cleanup-এ click করতে হবে। তার পর সেখানে থাকা Downloaded Progarm Files, Offline Web Page ইত্যাদি বিষয় mark করে Ok করা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;b style="color: magenta;"&gt;চতুর্থ টিপস্ :&lt;/b&gt; PC ২-৩ ঘণ্টা চলার পর অবশ্যই একবার Stand By করতে হবে। Stand By করার জন্য Start&amp;gt;Turn off&amp;gt;Stand By-এ click করতে হবে। Stand By করতে হবে ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট। তার পর Key Board/Mouse-এ click করে PC On করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-6259767143401890562?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/6259767143401890562/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=6259767143401890562' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6259767143401890562'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6259767143401890562'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_55.html' title='&lt;b&gt;PC কে fast রাখতে প্রয়োজনীয় টিপস্&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-6438140014836441635</id><published>2009-12-05T13:03:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:08:52.114+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোহিঙ্গা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মন্তব্য</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;আ&lt;/span&gt;মার জীবদ্দশায় দেখেছি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে রোহিঙ্গাদের (বর্মি মুসলমান) দলে-দলে অনুপ্রবেশ ঘটেছে দু'বার, প্রথম বার ১৯৭৮-এ আর দ্বিতীয় বার ১৯৯১-এ। প্রথম বারের সমস্যাটা মোটামুটি সমাধান করে গছেন তৎকালীন সরকার। কিন্তু ১৯৯১-এর সমস্যাটার অদ্যাবধি সুষ্ঠু সমাধান হয়নি। কারণ তখনকার সরকার এই সমস্যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব চিন্তা না করে ধর্মীয় আবেগের তাড়নায় রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের সুযোগ দিয়েছিলেন। সেই দিনের সেই সরকারের বিচক্ষণতার অভাবই আমাদের আজকের ভোগান্তি। তখনকার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে সাংবাদিকদের ভূমিকাও প্রশ্ন সাপেক্ষ। পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন এবং আমলারা এসব রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে পাকিস্তানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গমনের সুযোগ করে দিয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-6438140014836441635?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/6438140014836441635/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=6438140014836441635' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6438140014836441635'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6438140014836441635'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_05.html' title='&lt;b&gt;রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মন্তব্য&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7059283270045002727</id><published>2009-12-04T15:41:00.003+07:00</published><updated>2010-08-05T20:09:50.405+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ট্রলারডুবি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দুর্ঘটনা'/><title type='text'>কিশোরগঞ্জে ট্রলারডুবি, এ পর্যন্ত ৩৭ জনের লাশ উদ্ধার</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img height="82" src="http://www.desh.tv/news/news_image/thumbs/6754_1.jpeg" width="200" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ল&lt;/span&gt;ঞ্চের সঙ্গে ধাক্কায় কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওড়ে আজ সকালে ডুবে গেছে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার। দুপুর সোয়া দুটো পর্যন্ত ৩৭ জন যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div class="content"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ট্রলারটি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইনের কাঞ্চনপুর থেকে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে করিমগঞ্জের চামটা বন্দরে যাচ্ছিল। সকাল ৯টার দিকে ফুলপুর এলাকায় পৌঁছার পর একটি লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা খায় ট্রলারটি। ফলে সেখানেই ডুবে যায় যাত্রীবোঝাই ট্রলারটি।&lt;/div&gt;&lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-12-04/news/23130" target="_blank"&gt;বিস্তারিত এখানে&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7059283270045002727?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7059283270045002727/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7059283270045002727' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7059283270045002727'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7059283270045002727'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_04.html' title='&lt;b&gt;কিশোরগঞ্জে ট্রলারডুবি, এ পর্যন্ত ৩৭ জনের লাশ উদ্ধার&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-8619811745511195851</id><published>2009-12-03T23:11:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:06:41.814+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ছবি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাখাইন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><title type='text'>ছবি ব্লগ : দুই (রাখাইন বিয়ে)</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;বাং&lt;/span&gt;লাদেশে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়। তবে তিন পার্বত্য (রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) জেলায় বসবাসরত রাখাইন জনসংখ্যাও খুব একটা নগণ্য নয়। বাংলাদেশে বসবাসরত রাখাইন সম্প্রদায়ের একশো শতাংশই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। রাখাইনদের বিয়ে অনুষ্ঠান খুবই বর্ণাঢ্য হয়। আমার ছবি ব্লগের দ্বিতীয় পর্ব রাখাইন সম্প্রদায়ের বিয়ে নিয়ে।&lt;/div&gt;&lt;div class="content"&gt;&lt;img src="http://photos-f.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs071.snc3/13858_104962546187338_100000207786661_127246_1032041_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০১। বন্ধু পরিবেষ্টিত বর&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-e.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs048.snc3/13551_1254614839791_1062168779_787992_7228047_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০২। বিয়ে লগ্নে বর-কনে&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-c.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs048.snc3/13551_1254614879792_1062168779_787993_5971320_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০৩। কনের শ্বশুর বাড়ি গমন&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-h.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs031.snc3/11839_1243614180993_1548513787_630636_3506174_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০৪। লগ্নে আশীর্বাদ&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-f.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs068.snc3/13551_1254618719888_1062168779_788006_926779_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০৫। প্রথামাফিক বরযাত্রা&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-f.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs068.snc3/13551_1254614999795_1062168779_787996_6391300_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০৬। প্রথামাফিক পোশাকে কনে&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-e.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs048.snc3/13551_1255714987294_1062168779_791165_3328019_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০৭। নিকটাত্মীয় পরিবেষ্টিত বর-কনে&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-h.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs025.snc3/11267_105027096179220_100000157914173_135860_3423699_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০৮। বান্ধবী পরিবেষ্টিত কনে&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-f.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs031.snc3/11839_1242764279746_1548513787_628777_3921580_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;০৯। আত্মীয় পরিবেষ্টিত কনে&lt;br /&gt;&lt;img src="http://photos-b.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs031.snc3/11839_1242764199744_1548513787_628775_3237331_s.jpg" width="400/" /&gt;&lt;br /&gt;১০। প্রথামাফিক পোশাকে বর-কনে&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-8619811745511195851?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/8619811745511195851/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=8619811745511195851' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/8619811745511195851'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/8619811745511195851'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_03.html' title='&lt;b&gt;ছবি ব্লগ : দুই (রাখাইন বিয়ে)&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-5522310525153695246</id><published>2009-12-02T21:08:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T20:04:19.509+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নারী নির্যাতন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><title type='text'>সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, একজন টুটুল পাল এবং তসলিমার আশঙ্কা</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img src="http://www.prothom-alo.com/resize/maxDim/460x1000/img/uploads/media/2009-12-01-17-57-57-028793000-toslima.jpg" width="200/" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;তাঁ&lt;/span&gt;র নাম টুটুল পাল। চাকরি করেন কক্সবাজারস্থ মুক্তি নারী সহায়তা কেন্দ্রে। তাঁর পদবি বহিঃসমন্বয়কারী। এই ধরনের সেচ্ছাসেবী সংগঠন/সংস্থায় চাকরি করতে যে পরোপকারি মানসিকতার প্রয়োজন, &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2009-12-02/news/22569" target="_blank"&gt;পত্রিকায় প্রকাশিত ঘটনার তথ্য&lt;/a&gt; অনুযায়ী আমার কিন্তু তাঁকে সেই ধরনের মানবিক গুণাবলি সমৃদ্ধ মানুষ বলে মনে হয় না। মুক্তি কর্তৃপক্ষও এর দায় এড়াতে পারেন না।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এই টুটুল পাল স্বামী কর্তৃক নির্যাতিতা (বর্তমানে মুক্তি নারী সহায়তা কেন্দ্রে আশ্রিতা) এক পুত্রসন্তানের জননী তসলিমা আক্তার (২০)-কে সহায়তার পরিবর্তে বিপদেই ঠেলে দিয়েছেন। স্বামী, সতিন ও সতিনের ছেলের বিরুদ্ধে লেখা তসলিমার এজাহারটি গায়েব করে দিয়ে এই টুটুল পাল নিজের মতো করে আরেকটি এজাহার লিপিবদ্ধ/দায়ের করেন থানায়। এতে করে মামলাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বাদি তসলিমা এখন শঙ্কিত।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;টুটুল পাল যে নগদপ্রাপ্তির বিনিময়ে এই কাণ্ডটি করেননি তাও-বা বিশ্বাস করি কী করে? এই ধরনের সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে টুটুল পালদের মানায় না।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-5522310525153695246?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/5522310525153695246/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=5522310525153695246' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/5522310525153695246'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/5522310525153695246'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post_02.html' title='&lt;b&gt;সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, একজন টুটুল পাল এবং তসলিমার আশঙ্কা&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1899022351254787310</id><published>2009-12-01T19:42:00.004+07:00</published><updated>2010-08-05T20:02:57.014+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>উইন্ডোজের মালিকের নাম পাল্টানো</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ক&lt;/span&gt;ম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দেওয়ার পর উইন্ডোজের মালিকের নাম পরিবর্তন করা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;প্রথমে START এবং RUN-এ ক্লিক করার পর REGEDIT লিখে এন্টার চাপতে হবে। তারপর Go to HKEY_LOCAL_MACHINE/SOFTWARE/Microsoft/Windows NT/Current Version-এর ডান পাশে &lt;b&gt;Registered Owner-&lt;/b&gt;এ ডাবল ক্লিক করতে হবে। এখানে ভেলু ড্যাটা আপনার ইচ্ছামতো পাল্টান এবং উইন্ডোজের মালিকের নাম পাল্টে ফেলুন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1899022351254787310?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1899022351254787310/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1899022351254787310' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1899022351254787310'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1899022351254787310'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/12/blog-post.html' title='&lt;b&gt;উইন্ডোজের মালিকের নাম পাল্টানো&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3421040498098293694</id><published>2009-11-30T16:07:00.003+07:00</published><updated>2010-08-05T20:05:12.278+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী লে. কর্নেল (অব.) ডালিমের কানাডা সফর</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img height="200" src="http://thebengalitimes.ca/admin-bt/news_images/13/image_13_620.gif" width="162" /&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;ব&lt;/span&gt;ঙ্গবন্ধুর খুনি লে. কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম সম্প্রতি কানাডা থেকে ঘুরে গেছেন। তিনি বহন করছেন ব্রিটিশ পাসপোর্ট । এই পাসপোর্টের সুবাদেই ডালিম ঘুরে বেড়াচ্ছেন নানা দেশ। এ কারণেই যে-কোনো সময় যে-কোনো দেশ ভ্রমণ করতে পারছেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেলহত্যার পর ৪ নভেম্বর ডালিমসহ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের একটি বিশেষ বিমানে রেঙ্গুন হয়ে ব্যাংকক পাঠানো হয়। সেখান থেকে পাকিস্তান সরকারের দেওয়া একটি বিমানে তাঁদের লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৭৬ সালের ৮ জুন এই ১২ জনকে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্বদানকারী লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান ও লে. কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশিদ চাকরিতে যোগ দিতে রাজি হননি। তাঁরা সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করেন। এঁদের মধ্যে লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিমকে চীন দূতাবাসে প্রথম সচিব, লে. কর্নেল আজিজ পাশাকে আর্জেন্টিনায় প্রথম সচিব, মেজর একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে আলজেরিয়ায় প্রথম সচিব, মেজর বজলুল হুদাকে পাকিস্তানে দ্বিতীয় সচিব, লে. কর্নেল শাহরিয়ার রশিদকে ইন্দোনেশিয়ায় দ্বিতীয় সচিব, মেজর রাশেদ চৌধুরীকে সৌদি আরবে দ্বিতীয় সচিব, মেজর নূর চৌধুরীকে ইরানে দ্বিতীয় সচিব, মেজর শরিফুল হোসেনকে কুয়েতে দ্বিতীয় সচিব, কর্নেল কিসমত হাশেমকে আবুধাবিতে তৃতীয় সচিব, লে. খায়রুজ্জামানকে মিসরে তৃতীয় সচিব, লে. নাজমুল হোসেনকে কানাডায় তৃতীয় সচিব এবং ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে সেনেগালে তৃতীয় সচিব হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পোল্যান্ডে ডালিমকে একই পদে নিয়োগ দিলেও সেদেশের সরকার তাঁকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;পরবর্তীতে এরশাদ সরকার ডালিমকে বেইজিঙে নিয়োগ দিতে গিয়ে না পেরে পরে হংকঙে ভারপ্রাপ্ত মিশন প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেন। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;বিস্তারিত পড়ুন &lt;a href="http://thebengalitimes.ca/details.php?pub_no=13&amp;amp;menu_id=2&amp;amp;val=620" target="_blank"&gt;এখানে।&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3421040498098293694?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3421040498098293694/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3421040498098293694' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3421040498098293694'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3421040498098293694'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_30.html' title='&lt;b&gt;ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী লে. কর্নেল (অব.) ডালিমের কানাডা সফর&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-1062948233524126095</id><published>2009-11-28T22:03:00.002+07:00</published><updated>2010-08-05T19:51:02.070+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ট্রলারডুবি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দুর্ঘটনা'/><title type='text'>মধ্যরাতের লঞ্চ ডুবি, ৩২ জনের লাশ উদ্ধার</title><content type='html'>&lt;div style="clear: right; float: right; margin-bottom: 1em; margin-left: 1em;"&gt;&lt;img height="320" src="http://www.noakhaliweb.com.bd/documents/2/0/5441.jpg" width="320" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;আ&lt;/span&gt;গে দেখতাম যাওয়ার পথে নয়, ফেরার পথে ডুবত। এবার দেখলাম যাওয়ার পথেই ডুবল। মূলত সার্বিক অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের বিয়োগান্তক ঘটনাগুলো ঘটেই চলেছে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বলছিলাম গত মধ্যরাতের &lt;a href="http://www.desh.tv/news/index.php?display=news_details&amp;amp;id=6648" target="_blank"&gt;লঞ্চ ডুবির কথা&lt;/a&gt;। ভোলার লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীতে শুক্রবার রাতে যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবির পর শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৩২ জনের লাশ পাওয়া গেছে। ঢাকা থেকে লালমোহন যাওয়ার পথে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে 'এম.ভি.কোকো-৪' নামের লঞ্চটি নাজিরপুর ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছলে যাত্রীদের হুড়োহুড়িতে একদিকে কাত হয়ে যায়। এ সময় পানিতে ডুবে যায় লঞ্চটির অর্ধেক অংশ।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলাধীন নাজিরপুরে শুক্রবার মধ্যরাতের লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে সরকার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)'র খবরে বলা হয়েছে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বাইতুল আমিনকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটি সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে বলে সূত্রে উল্লেখ করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-1062948233524126095?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/1062948233524126095/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=1062948233524126095' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1062948233524126095'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/1062948233524126095'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_28.html' title='&lt;b&gt;মধ্যরাতের লঞ্চ ডুবি, ৩২ জনের লাশ উদ্ধার&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3688590385477616015</id><published>2009-11-28T02:22:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T19:49:20.613+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কম্পিউটার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>GP Internet SIM-এর Browsing গতি কি বেশি?</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;আ&lt;/span&gt;মি GP Smile SIM দিয়ে Vodafone Modem-এর মাধ্যমে গত ছ'মাস ধরে Internet Browse করে আসছি। Internet-এ থাকা অবস্থায় ওই SIM দিয়ে আর কথা বলা যায় না। তাই ভাবছি আরেকটা GP SIM কিনব। স্থানীয় GP Customer Care Point-এর কর্মী জানালেন Internet Browsing-এর জন্য GP Internet SIM-ই ভালো। এতে নাকি বেশি গতি পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে কারও অভিজ্ঞতা/পরামর্শ থাকলে শেয়ার করবেন কি? আমি কিন্তু আপনাদের মন্তব্যের অপেক্ষায় আছি। আগাম ধন্যবাদ।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3688590385477616015?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3688590385477616015/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3688590385477616015' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3688590385477616015'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3688590385477616015'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/gp-internet-sim-browsing.html' title='&lt;b&gt;GP Internet SIM-এর Browsing গতি কি বেশি?&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-4803058134083772834</id><published>2009-11-25T23:57:00.002+07:00</published><updated>2010-08-05T19:41:53.336+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দুর্নীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রস ফায়ার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সংবাদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>'হ্যালো, স্যার আপনার মতামত প্রয়োজন'</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;হ্যা&lt;/span&gt;লো, স্যার আপনার মতামত প্রয়োজন...&lt;/i&gt;&lt;i&gt;।&lt;/i&gt; ২০০৫ সালের আগস্ট মাসের এক মধ্যরাতে তৎকালীন সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মো. সহিদুজ্জামানের মুঠোফোনে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এলাকার জনৈক সন্ত্রাসীকে ক্রস ফায়ারে দেওয়ার আগে উপরের সংলাপটি বলেন। &lt;i&gt;সিবিএন&lt;/i&gt; র আজকের সংখ্যায় তাঁর অনিয়মিত কলাম &lt;i&gt;নানা মুনির নানা মত &lt;/i&gt;র ১৮ পর্বে সাবেক সাংসদ এই তথ্যটি প্রকাশ করেন। বিস্তারিত পড়ুন নীচের লিংকে---&lt;/div&gt;&lt;a href="http://www.coxsbazarnews.com/shownewsdetails.php?details=7475" target="_blank"&gt;Click This Link&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-4803058134083772834?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/4803058134083772834/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=4803058134083772834' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/4803058134083772834'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/4803058134083772834'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_25.html' title='&lt;b&gt;&apos;হ্যালো, স্যার আপনার মতামত প্রয়োজন&apos;&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-6505626331611291563</id><published>2009-11-20T13:38:00.003+07:00</published><updated>2010-08-05T19:40:41.401+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>হাইকোর্টের রায় বহাল, ফাঁসি ১২ জনেরই</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;দী&lt;/span&gt;র্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায়ে মৃতু্যদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দী পাঁচ আসামির আপীল নাকচ করে দিয়েছে আপীল বিভাগ। এর ফলে হাইকোর্টের দেয়া ১২ আসামির মৃতু্যদণ্ড বহাল রেখেছে আদালত। আপীল বিভাগ যে পাঁচ আসামির আবেদন নাকচ করেছে তারা হলো, লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (অব) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর (অব) বজলুল হুদা, লে. কর্নেল (অব) মহিউদ্দিন আহমেদ (আর্টিলারি), লে. কর্নেল (অব) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ (ল্যান্সার)।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে বাঙালী জাতি পেল এই ঐতিহাসিক রায়ের ঘোষণা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা। আপীল বিভাগের ১ নম্বর বিচারকক্ষ আইনজীবী, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদসহ গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনে ভর্তি। সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগে তখন পিনপতন নিস্তব্ধতা। শুধু অপেক্ষার পালা। আইনজীবী এবং সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বেড়ে যাচ্ছে। ঘড়ির কাঁটা ১১টা থেকে সরে আস্তে আস্তে ১১টা ৪৫ মিনেটে এসেছে। তখনই বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বে বিচারপতি মো. আব্দুল আজিজ, বিচারপতি বিজন কুমার দাস (বিকে দাস), বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন এবং বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এসকে সিনহা) বিচারকক্ষে এসে নিজ নিজ আসনে বসেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারের আপীল বিভাগের বেঞ্চ প্রধান মোঃ তাফাজ্জাল ইসলাম গুরুগম্ভীরভাবে রায় ঘোষণা শুরু করেন। উদ্বেগ ও নীরবতার অবসান ঘটিয়ে বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলাম ঘোষণা করলেন পাঁচ আসামির আপীল না মঞ্জুর করা হলো। এর ফলে হাইকোর্টের দেয়া ১২ আসামির মৃতু্যদণ্ড বহাল থাকল। এই রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে অবসান হলো বাঙালী জাতির এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার। পেঁৗছল বাঙালী ইতিহাসের একটি যুগের দ্বারপ্রান্তে। মৃতু্যদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি কারাগারে আটক রয়েছে। অন্যদিকে ৬ আসামি পলাতক রয়েছে। এরা হলো লে. কর্নেল (অব) খোন্দকার আব্দুর রশিদ, লে. কর্নেল (অব) শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল (অব) এ এম রাশেদ চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব) এন এইচএমবি নূর চৌধুরী, ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ, রিসালদার মোসলেহ উদ্দিন। লে. কর্নেল (অব) আব্দুল আজিজ পাশা ২০০১ সালে জিম্বাবুইয়েতে মারা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে বিচারপতিরা এজলাসে বসেন, বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলাম ১১টা ৪৬ মিনিটে রায় পড়া শুরু করে ১১টা ৫০ মিনিটে শেষ করেন। রায়ে বলা হয় "আমাদের অভিমত হলো হাইকোর্টের তৃতীয় বিচারপতি ছয় আসামির বিষয়ে নি্#৬৩৭৪৩;ত্তি করে কোন ভুল করেননি। বিচারিক আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগ মামলা দায়েরের বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। ব্যাখ্যা গ্রহণ করে আদালত কোন ভুল করেননি।" রায়ে আরও বলা হয় "আসামিরা ঘটনার সময় একটিভ সার্ভিসে ছিলেন না। তাই সেনা আইনে বিচার না করে সাধারণ আইনে বিচার করায় আইনী কোন ভুল ছিল না।" বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের জন্য ষড়যন্ত্র হয়েছিল বিদ্রোহের জন্য। রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এসব কারণে আসামিদের আপীল খারিজ করা হল।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আপীল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর সরকার পক্ষের প্রধান কেঁৗসুলি আনিসুল হক তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, জাতি ন্যায়বিচার পেয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, হাইকোর্টে পুরো রায় বহাল রয়েছে। পলাতক ৭ জনের কেউ ফিরে এলে বিলম্ব মার্জনার আবেদন করতে পারবে। পরে সরকার ও আসামি পক্ষ সাংবাদিকদের ব্রিফিং প্রদান করেন। সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। বিচারকক্ষে আইনজীবী ও সাংবাদিকদের সকাল ১০টার সময় ঢুকতে দেয়া হয়। রাজনীতিবিদদের মধ্যে এসেছিলেন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবীর নানক, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান কেঁৗসুলি এ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, এএফএম মেজবাহউদ্দিন, আজমালুর হোসেন কিউসি, তৌফিক নেওয়াজ, শ ম রেজাউল করিম, জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম, মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী, রবিউল আলম বুদু, তাজউদ্দিন মেহেদী, নুরুল ইসলাম সুজন, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, মোশারফ হোসেন কাজল, তৌফিক করীম, ইমতিয়াজ উদ্দিন আসিফ, এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, আব্দুল মতিন খসরু, বাদী আ ফ ম মহিতুল ইসলাম ও আইও আব্দুল কাহার আকন্দ।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অন্যদিকে এ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে ছিলেন এ্যাটর্নি জেনারেল মাহাবুবে আলম, অতিরিক্ত এ্যাটর্নি জেনারেল একেএম জহিরুল হক, ডিএজি এএস মো. আব্দুল মোবিন, ডিএজি মো. মোতাহার হোসেন সাজু, এএজি মাহফুজা বেগম, এএজি মো. একরামুল হক, এএজি খোন্দকার দিলারুজ্জামান, এএজি ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পি, এএজি সর্দার মো. রাসেদ জাহাঙ্গীর ও এএজি এবিএম আলতাফ হোসেন। আসামি পক্ষে ছিলেন আব্দুর রেজ্জাক খান ও ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বহু প্রতীক্ষিত এ রায় শোনার জন্য গোটা জাতি ছিল উন্মুখ। শত শত আইনজীবী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আদালত প্রাঙ্গণে আসেন। লাখ লাখ জনতা টেলিভিশন ও বেতারে সরাসরি সম্প্রচার শোনেন। সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে রায় ঘোষণার পরই আদালত প্রাঙ্গণে মৃতু্যদণ্ড কার্যকর করার পক্ষে স্লোগান দেয়া হয়। এরপর আইনজীবী সম্মেলনকক্ষে ব্রিফিং প্রদান করেন সরকার ও আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। নিম্নে তা তুলে ধরা হল:&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এ্যাটর্নি জেনারেল&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এ্যাটর্নি জেনারেল মাহাবুবে আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, ১৯ নবেম্বর বাঙালী জাতির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। এই ঐতিহাসিক দিনে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় ঘোষণা হলো। এটি মানব ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ রায় হিসেবে পরিচিত হবে। মামলায় আসামিদের সমস্ত স্বচ্ছতা দেয়া হয়েছে। মামলা যাতে না করা হয়, সে কারণে মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি বিল জারি করেছিল। জিয়াউর রহমান, এরশাদ সরকার ইনডেমনিটি বহাল রেখেছিলেন। '৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না আসলে ঐ কালো অধ্যায় বাতিল হতো না। এই রায়ের মধ্য দিয়ে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মাহবুবে আলম বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা দায়েরের জন্য বাদী মহিতুল ইসলামকে তাঁর সাহসিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দকেও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই মামলা বিলম্বিত করার জন্য আসামি পক্ষ বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়েছে। প্রথমে তারা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে আদালতকে চ্যালেঞ্জ করে। এতে তারা আদালতে হেরে যায়। আপীল বিভাগেও তারা হেরে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। মাহবুবে আলম আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় সেশন আদালতে ১৫০ দিন, হাইকোর্টে ৬৩ দিন, তৃতীয় বেঞ্চে ২৫ দিন শুনানি হয়েছে। এতে ১২ জনের আদেশ বহাল থাকে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ৪ জন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দেশে ছিল। একজনকে বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়। তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, সুলতানা কামাল, শেখ নাসের, শেখ মনি, আব্দুর রব সেরনিয়াবাতকে হত্যা করেছে। তাদের ফিরে পাব না। এই রায়ে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;আনিসুল হক&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সরকারপক্ষের প্রধান কেঁৗশুলি আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আজকে আমরা শেষ দরজায় এসে বিচার পেয়েছি। আপীল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ৫টি বিবেচ্য বিষয় শুনানি করেছিল, তার রায় দিয়েছেন। অন্যান্য সময় যে রায় দেয়া হয়, তার ব্যতিক্রম ছিল এটি। আগে শুধু অর্ডার প্রসেসিং হতো। আজকে রায়ের বেশ কিছু অংশ পড়ে শোনানো হয়েছে। আদালত আসামিদের বক্তব্য নাকচ করে দিয়েছে। তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, জাতি ৩৪ বছর অপেক্ষার পর বিচার পেয়েছে। এ রায়ের পর শুকরিয়া আদায় করছি। যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের জন্য মাগফিরাত কামনা করছি। অনেক দিন পর জাতি ন্যায় বিচার পেয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;ফজলে নূর তাপস&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধুর দৌহিদ্র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৪ বছর সংগ্রাম করতে হয়েছিল স্বাধীনতা পাবার জন্য। আজকে লজ্জা লাগে ৩৪ বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার পাওয়ার জন্য। আজ গর্ববোধ করি স্বাধীন দেশে সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীমকোর্ট মাইলফলক রায় দিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছে। হাইকোর্টে মামলা পরিচালনা করার জন্য সিরাজুল হককে স্মরণ করতেই হয়। তিনি বলেন, '৭৫ সালের ১৯ নবেম্বর মা-বাবা আমার জন্মদিন পালন করতে পারেনি। আজ আমার জন্মদিনে সুপ্রীমকোর্ট রায় দিয়ে সর্বোচ্চ উপহার দিয়েছে। মা-বাবার হত্যার বিচার পেয়েছি। এটি ঐতিহাসিক রায়।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;আ. ফ. ম. মোহিতুল ইসলাম&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী আ. ফ. ম. মোহিতুল ইসলাম বলেছেন, আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। এই দিনটির জন্য অনেক দিন অপেক্ষা করেছি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে পারিনি। আমার ছোট ভাই রাসেল বলেছিল ওরা আমাকে মারবে না তো; আমি বলেছিলাম, না ওরা তোমাকে মারবে না। আমার সেই আশ্বাস ভুল ছিল। খুনীরা শিশু রাসেলকেও রক্ষা করেনি। '৭৬ সালে লালবাগ থানায় এজাহার করতে গেলে থানার এসআই আমার গালে থাপ্পড় মেরে বলে, তুইও মরবি, আমাদেরও মারবি। সময় আসাতে আমি '৯৬-তে মামলা করেছি। দীর্ঘদিন হলেও মামলার খুনীদের বিচার হয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বলেন, ৩৪ বছর পর আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। জাতি আজ কলঙ্কমুক্ত হলো। রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌশলি আনিসুল হক ১৫ আগস্টে বাবা-মা হারানো বঙ্গবন্ধুর নাতি ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে জড়িয়ে কেঁদে ওঠেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর একদল সদস্য ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে হানা দিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। নিহত হন বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে রাসেলসহ ২৮ জন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ নবেম্বর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল করে। ১৯৯৮ সালের ৮ নবেম্বর বিচারিক আদালত ২০ আসামির মধ্যে ১৫ জনকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃতু্যদণ্ড প্রদান করে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ও মৃতু্যদণ্ড নিশ্চিতকরণের শুনানি হয় হাইকোর্টে। হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ দ্বিধাবিভক্ত রায় দেয়। পরে তৃতীয় বেঞ্চ ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল ১২ জনের মৃতু্যদণ্ড অনুমোদন করে রায় দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে কারাগারে আটক পাঁচ আসামি আপীল করে। আপীল বিভাগের শুনানি শেষে, বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করা হয়। ঐ রায়ে পাঁচ আসামির আপীল নাকচ করে দেয়া হয়। ফলে হাইকোর্টের দেয়া ১২ আসামির মৃতু্যদণ্ড এখন বহাল থাকল।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-6505626331611291563?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/6505626331611291563/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=6505626331611291563' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6505626331611291563'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6505626331611291563'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_1404.html' title='&lt;b&gt;হাইকোর্টের রায় বহাল, ফাঁসি ১২ জনেরই&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-4193244106175125694</id><published>2009-11-20T13:36:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T19:40:01.376+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>সেরনিয়াবাত শেখ মণিসহ ২৪ নিহতের মামলা চালু হচ্ছে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;১&lt;/span&gt;৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার সেই রাতে আরও ২৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ৩টি হত্যা মামলা পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি হত্যা মামলা, বঙ্গবন্ধুর ভগি্নপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত হত্যা মামলা ও মোহাম্মদপুরের কামানের গোলায় হত্যাকাণ্ড_এই ৩টি হত্যা মামলায় ২৪ জন নিহত হয়েছে। জোট সরকারের সময়ে এই মামলাগুলোকে স্থগিত ও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হলেও সেই রাতে এই ৩ হত্যা মামলায় ২৪ নিহত হওয়ার বিচার আজ অবধি হতে দেয়া হয়নি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে ও ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের পিতা শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মনিকে '৭৫ সালের ১৫ আগস্টে ভোরে হত্যা করা হয়েছে ধানমণ্ডির বাসভবনে। এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে থানায় মামলা হয়। মামলাটি তদন্তভার দেয়া হয় সিআইডিকে। সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমানকে এই মামলার তদন্তকারী অফিসার নিযুক্ত করা হয়। জোট সরকার মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরও জোট সরকারের প্রত্যাহার করে নেয়া শেখ মনি হত্যা মামলাটি পূর্বাবস্থায়ই রয়ে গেছে। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;শেখ মনি হত্যা মামলার তদন্তকারী অফিসার সিআইডির এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে একুশে আগস্টে গ্রেনেড হামলা মামলা সাজানো নাটকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অভিযোগে মামলা হয়েছে। তিনি সিআইডি থেকে ইতোমধ্যেই অবসর নিয়েছেন। তারপর থেকে এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা সর্বোচ্চ আদালতে রায় ঘোষণার পর শেখ মনি হত্যা মামলাটির খোঁজ করা হচ্ছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধুর ভগি্নপতি সাবেক পানি, সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণমন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাতসহ ৮ জন নিহত হন মিন্টু রোড্রে তার সরকারী বাসভবনে। সাবেক চীফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পিতা আবদুর রব সেরনিয়াবাত হত্যা মামলাটি বর্তমানে হাইকোর্টে স্থগিত অবস্থায় আছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত খুনীদের পক্ষে আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতে মামলাটি স্থাগিতাদেশ দিয়ে রাখা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে খুনীদের পক্ষে উচ্চ আদালতে এই স্থাগিতাদেশ হয়।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;'৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভোরে সাবেক মন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাতের ২৭ নম্বর মিন্টু রোডের সরকারী বাসভবন আক্রমণ করে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার খুনীরাসহ উচ্ছৃক্মখল সেনাসদস্যরা। অস্ত্রের মুখে বাসার ভেতরে ঢুকে বাসার সবাইকে একত্রিত করে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি সেরনিয়াবাত, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি চার বছরের শিশু বাবু সেরনিয়াবাত, চাচাত ভাই শহীদ সেরনিয়াবাত, বাসার গৃহপরিচারিকা লক্ষ্মীর মা, কাজের ছেলে পোটকা, আবদুর রহিম খান ওরফে রিন্টু। শিশু বাবু হচ্ছে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;'৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর স্ত্রী সাহান আরা বেগম বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন। মেজর শাহরিয়ার, মেজর আজিজ পাশা, ক্যাপ্টেন মাজেদ, ক্যাপ্টেন নুরুল হুদাসহ অন্যদের আসামি করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত শেষে '৯৭ সালের ৩০ জুলাই ১৬ সাবেক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করা হয়। চার্জশীট দাখিলের পর মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে যায়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে খুনীদের পক্ষে উচ্চ আদালতে আবেদন জানানোর প্রেক্ষিতে মামলাটি বিচারের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়া হয়।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;'৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি আক্রমণের সময়ে খুনীদের কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হলে তা গিয়ে মোহাম্মদপুরের শের শাহসুরি রোডের ৮ ও ৯ নম্বর বাড়িতে গিয়ে পড়ে। গৃহিণী রোজিয়া বেগম, তার ছোট মেয়ে নাসিমা, হাবিবুর রহমান, আনোয়ারা বেগম-১, আনোয়ারা বেগম-২, ময়ফুল বিবি, সাবেরা বেগম, আবদুল্লাহ্, রফিকুল, সাবিয়া, সাহাবুদ্দিন, আমিনুদ্দিন, কাশেদা ও দুই বছরের শিশু আনোয়ারা মারা যায়। '৯৬ সালের ২৯ নবেম্বর রোজিয়ার স্বামী মোহাম্মদ আলী একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০১ সালে সিআইডি এই হত্যা মামলাটি তদন্ত করে চার্জশীট দেয়। চার্জশীটে লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, তাহের উদ্দিন ঠাকুরসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দেয়া হয়। তারপর থেকে এই মামলাটির ন্যায় বিচারের আলোর মুখ দেখতে দেয়া হয়নি।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তদন্তকারী অফিসার সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শেখ মনি হত্যা মামলার তদন্তভার দেয়া হয়েছিল সিআইডিকে। সিআইডির তদন্তকারী অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল সিআইডির এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমানকে। মুন্সি আতিকুর রহমান সিআইডি থেকে অবসরে চলে গেছেন। জোট সরকারের আমলে শেখ মনি হত্যা মামলাটির তদন্ত স্থগিত করে রাখা হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় সর্বোচ্চ আদালতে ঘোষিত হওয়ার পর এখন শেখ মনি হত্যা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে আর কোন বাধা নেই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আইনজীবী এ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন কাজলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আবদুর রব সেরনিয়াবাত হত্যা মামলাটি বর্তমানে হাইকোর্টে স্টে করে রাখা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে খুনীদের পক্ষে আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি স্থগিত করে রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ে খুনীদের ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল রাখার পর এখন এই মামলাটির স্থগিতাদেশ ভেকেন্ট করার আবেদন করে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলাপ করে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় সর্বোচ্চ আদালত থেকে ঘোষিত হওয়ার পর '৭৫-এর ১৫ আগস্টের সেই রাতে মোহাম্মদপুরে কামানের গোলায় হত্যাকাণ্ড, শেখ মনি হত্যাকাণ্ড ও আবদুর রব সেরনিয়াবাত_এই ৩ হত্যা মামলার পুনর্তদন্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-4193244106175125694?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/4193244106175125694/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=4193244106175125694' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/4193244106175125694'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/4193244106175125694'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_9784.html' title='&lt;b&gt;সেরনিয়াবাত শেখ মণিসহ ২৪ নিহতের মামলা চালু হচ্ছে&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-7157981575731186219</id><published>2009-11-20T13:19:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T19:38:53.438+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবন</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;১&lt;/span&gt;৯২০ সালের ১৭ মার্চ। এই স্বর্ণখচিত দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। শেখ লুৎফর রহমান ও মোসাম্মৎ সায়রা বেগম দম্পতির ঘর আলো করে আসা তাদের তৃতীয় সন্তান 'খোকা' একদিন হয়ে উঠলেন বাঙালির জিয়নকাঠির নায়ক।&lt;/div&gt;&lt;div id="news_image_content" style="width: 181px;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৭ বছর বয়সে পার্শ্ববর্তী গিমাডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুলে পড়াশোনার শুরু তার। দু'বছর পর গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন। পরে মিশনারি স্কুলে; কিন্তু ১২ বছর বয়সে বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হলে পড়াশোনায় সাময়িক বিরতি ঘটে। চার বছর পর আবার স্কুলে ভর্তি। ১৮ বছর বয়সে চাচাতো বোন বেগম ফজিলাতুন্নেসার সঙ্গে বিয়ে হয় তার।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৪০ সালে মুজিব যোগ দেন নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে। এক বছরের জন্য বেঙ্গল মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৪২ সালে এন্ট্রান্স (এখনকার এসএসসি) পাসের পর কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন। ওই বছরই তিনি পাকিস্তান আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। পরের বছর মুসলিম লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৪৬ সালে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন। পরের বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' বাংলা ভাষা নিয়ে মুসলিম লীগের 'ষড়যন্ত্রের' প্রতিবাদে ১১ মার্চ সাধারণ ধর্মঘট ডাকে। ধর্মঘট পালনকালে সহকর্মীদের সঙ্গে গ্রেফতার হন মুজিব। ছাত্র আন্দোলনের মুখে ১৫ মার্চ তাদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় সরকার। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ফরিদপুরে কর্ডনপ্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করায় ১১ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরের বছর ২১ জানুয়ারি তিনি মুক্তি পান। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা তাদের দাবি আদায়ে ধর্মঘট ঘোষণা করলে মুজিব সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেন। কর্মচারীদের এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে ২৯ মার্চ কর্তৃপক্ষ তাকে জরিমানা করে। এ নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন মুজিব। ১৯ এপ্রিল উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৩ জুন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করা হয়। কারাবন্দি মুজিব এর যুগ সম্পাদক নির্বাচিত হন। জুলাই মাসে মুক্তি পান। মুক্তি পেয়েই খাদ্য সংকটের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। সেপ্টেম্বরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের দায়ে গ্রেফতার হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের আগমন উপলক্ষে আওয়ামী মুসলিম লীগের ভুখা মিছিলের নেতৃত্ব দেওয়ায় ১৪ অক্টোবর তাকে আবার গ্রেফতার করা হয়। এবার প্রায় দু'বছর পাঁচ মাস জেলে আটক থাকেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি খাজা নাজিমউদ্দিন উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করলে বন্দি অবস্থায় ২১ ফেব্রুয়ারিকে রাজবন্দি মুক্তি এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি দিবস হিসেবে পালনের জন্য সংগ্রাম পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান মুজিব। এ দাবিতে ১৪ ফেব্রুয়ারি জেলখানায় অনশন শুরু করেন তিনি। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্রসমাজের মিছিলে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক ও শফিউর শহীদ হন। মুজিব জেলখানায় এর প্রতিবাদে টানা ১৭ দিন অনশন করেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৫৩ সালের ৯ জুলাই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ পাকিস্তান গণপরিষদের নির্বাচনে ২৩৭টি আসনের মধ্যে ২২৩টিই পায় যুক্তফ্রন্ট। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ পায় ১৪৩টি। শেখ মুজিব গোপালগঞ্জের আসনে মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা ওয়াহিদুজ্জামানকে ১৩ হাজার ভোটে পরাজিত করেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৫ মে তিনি প্রাদেশিক সরকারের কৃষি ও বনমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ৩০ মে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে দেয়। ৩০ মে মুজিব করাচি থেকে ঢাকায় ফেরেন এবং গ্রেফতার হন। ২৩ ডিসেম্বর মুক্তি পান। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৫৫ সালের ৫ জুন মুজিব গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৭ জুন পল্টন ময়দানের জনসভায় আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন দাবি করে ২১ দফা ঘোষণা করে। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দলকে সব ধর্মের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে ২১ অক্টোবর আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দ প্রত্যাহার করা হয়। মুজিব আবার দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে ১৯৫৭ সালের ৩০ মে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;পরের বছরের ৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। ১১ অক্টোবর মুজিবকে গ্রেফতার করে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে আইয়ুব শাহি। প্রায় ১৪ মাস পর মুক্তি দিয়ে আবার জেলগেটে তাকে গ্রেফতার করা হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগের এক সভায় মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও মুজিব সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মুজিব ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি পেশ করেন। এতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি জোরালোভাবে তোলা হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১ মার্চ তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ৬ দফার পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য সারাবাংলায় গণসংযোগ সফর শুরু করেন। &lt;/div&gt;১৯৬৬ সালের প্রথম তিন মাসে একবার-দু'বার নয়, মোট আটবার গ্রেফতার হন মুজিব। &lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার তাকে প্রধান আসামি করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। এ মামলার আসামিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে ফুঁসে ওঠে গোটা পূর্ববাংলা। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি ৬ দফাসহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। পরিষদ আগরতলা মামলা প্রত্যাহার ও মামলায় আটকদের মুক্তি দাবিতে আন্দোলন শুরু করে যা, গণআন্দোলনে পরিণত হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৪৪ ধারা ও কারফিউ ভঙ্গ, পুলিশ-ইপিআরের গুলি আর বহু হতাহতের মধ্যদিয়ে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে আইয়ুব সরকার ১ ফেব্রুয়ারি গোলটেবিল বৈঠকের আহ্বান জানায়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২২ ফেব্রুয়ারি চাপের মুখে সরকার আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে মুজিবসহ আসামিদের মুক্তি দেয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয়। এ সময় তিনি ছাত্রসমাজের ১১ দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানান। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু রাওয়ালপিন্ডিতে আইয়ুব খানের গোলটেবিল বৈঠকে বলেন, গণঅসন্তোষ নিরসনে ৬ দফা ও ১১ দফার ভিত্তিতে আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;পাকিস্তানি শাসকরা বঙ্গবন্ধুর দাবি অগ্রাহ্য করলে ১৩ মার্চ তিনি বৈঠক ত্যাগ করে ঢাকা চলে আসেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৫ মার্চ জেনারেল ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসন জারির মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭০ সালের ৬ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু আবার আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৭ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩১০টির মধ্যে ৩০৫টি আসন পায় দলটি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৩ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া ৩ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন; কিন্তু ১ মার্চ তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণা দিলে সারাবাংলায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। আওয়ামী লীগ ২ মার্চ দেশব্যাপী হরতাল ডাকে। হরতালের পরদিন বঙ্গবন্ধু অবিলম্বে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানান। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৭ মার্চ রেসকোর্সের জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু অনিবার্য হয়ে ওঠা স্বাধীনতা যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়ে ঘোষণা দেন_ 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৬ মার্চ ঢাকায় ক্ষমতা হস্তান্তর প্রশ্নে মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক শুরু হয়। আলোচনার জন্য ভুট্টোও ঢাকায় আসেন। ২৪ মার্চ পর্যন্ত ইয়াহিয়া-মুজিব-ভুট্টোর আলোচনা হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৫ মার্চ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর সন্ধ্যায় ইয়াহিয়া গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন। বলা হয়ে থাকে, এ সময় পাকিস্তানি বাহিনী আসলে দমন অভিযানের প্রস্তুতি নেয়। ২৫ মার্চ মধ্যরাতেই নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবন্ধু ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে একটি বার্তা পাঠাতে সক্ষম হন। এতে তিনি বলেন, 'সম্ভবত এটাই আমার শেষ বার্তা। আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন।' তিনি সবাইকে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করার আহ্বান জানান। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৬ মার্চ চট্টগ্রামে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এমএ হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এরপর ২৭ মার্চ বাঙালি সেনা কর্মকর্তা মেজর জিয়াউর রহমান ঘোষণাপত্রটি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে একাধিকবার পাঠ করেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৬ মার্চ ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধুকে দেশদ্রোহী আখ্যা দেন এবং তাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি করে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। এতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (মুজিবনগর) বাংলাদেশ সরকারের শপথ হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশকে সহায়তাকারী ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বাংলাদেশি মুক্তিবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নতিস্বীকার করে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয়। বঙ্গবন্ধু লন্ডন ও দিলি্ল হয়ে ১০ জানুয়ারি ঢাকায় পেঁৗছলে তাকে অবিস্মরণীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৩ সালে নতুন সংসদের প্রথম নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পায় ২৯৩টি। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ, সিপিবি ও ন্যাপের সমন্বয়ে ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ দুর্নীতি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতিসহ নানা ধরনের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়ে। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ৬ জুন বঙ্গবন্ধু এক বিতর্কিত উদ্যাগে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, দেশে বিদ্যমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য তাকে এটি করতে হচ্ছে এবং এটি দেশের জন্য ভালো হবে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-7157981575731186219?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/7157981575731186219/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=7157981575731186219' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7157981575731186219'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/7157981575731186219'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_5061.html' title='&lt;b&gt;বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবন&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-6817298084587580988</id><published>2009-11-20T12:57:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T19:38:09.175+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>ইনডেমনিটির আদ্যোপান্ত</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;১&lt;/span&gt;৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করেন। সেদিন ছিল শুক্রবার। ‘দি বাংলাদেশ গেজেট, পাবলিশড বাই অথরিটি’ লেখা অধ্যাদেশটিতে খন্দকার মোশতাকের স্বাক্ষর আছে। মোশতাকের স্বাক্ষরের পর আধ্যাদেশে তত্কালীন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এইচ রহমানের স্বাক্ষর আছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর মোশতাক নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দেন। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অধ্যাদেশটিতে দুটি ভাগ আছে। প্রথম অংশে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বলবত্ আইনের পরিপন্থী যা কিছুই ঘটুক না কেন, এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টসহ কোনো আদালতে মামলা, অভিযোগ দায়ের বা কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া যাবে না। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দ্বিতীয় অংশে বলা আছে, রাষ্ট্রপতি উল্লিখিত ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে যাদের প্রত্যয়ন করবেন তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হলো। অর্থাত্ তাদের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা, অভিযোগ দায়ের বা কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া যাবে না। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ন্ত্রকারী হিসাবে আবিভূর্ত হন। সে সময় বিচারপতি সায়েম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৭৬ সালের ২৯ এপ্রিল জনাব সায়েম জেনারেল জিয়াউর রহমানের কাছে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল সায়েম রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং জিয়া রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সামরিক আইনের অধীনে দেশে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশসহ চার বছরে সামরিক আইনের আওতায় সব অধ্যাদেশ, ঘোষণাকে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়। সংশোধনীটি পাস হয় ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল। সংসদে উত্থাপিত আইনটির নাম ছিল ‘সংবিধান (পঞ্চম সংশোধনী) আইন, ১৯৭৯’। এটি এখন সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৮ অনুচ্ছেদে সংযুক্ত আছে। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এতে বলা হয়েছে, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হইতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল তারিখের (উভয় দিনসহ) মধ্যে প্রণীত সকল ফরমান, ফরমান আদেশ, সামরিক আইন প্রবিধান, সামরিক আইন আদেশ, ও অন্যান্য আইন, এবং উক্ত মেয়াদের মধ্যে অনুরূপ কোনো ফরমান দ্বারা এই সংবিধানের যে সকল সংশোধন, সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন ও বিলোপসাধন করা হইয়াছে তাহা, এবং অনুরূপ কোনো ফরমান, সামরিক আইন প্রবিধান, সামরিক আইন আদেশ বা অন্য কোনো আইন হইতে আহরিত বা আহরিত বলিয়া বিবেচিত ক্ষমতাবলে, অথবা অনুরূপ কোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে গিয়া বা অনুরূপ বিবেচনায় কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত কোনো আদেশ কিংবা প্রদত্ত কোনো দণ্ডাদেশ কার্যকর বা পালন করিবার জন্য উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত আদেশ, কৃত কাজকর্ম, গৃহীত ব্যবস্থা বা কার্যধারাসমূহ, অথবা প্রণীত, কৃত, বা গৃহীত বলিয়া বিবেচিত আদেশ, কাজকর্ম, ব্যবস্থা বা কার্যধারাসমূহ এতদ্বারা অনুমোদিত ও সমর্থিত হইল এবং ঐ সকল আদেশ, কাজকর্ম, ব্যবস্থা বা কার্যধারাসমূহ বৈধভাবে প্রণীত, কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া ঘোষিত হইল, এবং তত্সম্পর্কে কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো কারণেই কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে বৈধতা দেওয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা দায়মুক্তি পেয়ে যায়। মোশতাকের জারি করা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বৈধতা দেওয়া না হলে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল সামরিক আইন প্রত্যাহারের সঙ্গে সঙ্গেই ১৫ আগস্টের খুনিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেত। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিচারপতি আবদুস সাত্তার, এইচ এম এরশাদ এবং ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এলেও ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি বাতিল বা রহিত করেননি। ফলে দায়মুক্তি পেয়ে খুনিরা ১৫ আগস্টের হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা প্রকাশ্যেই বলে বেড়াত। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দীর্ঘ ২১ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়। ওই বছর ২৩ জুন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা জার্মানীতে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার আইনি বাধা অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ (রহিতকরণ) বিল, ১৯৯৬ সালে সপ্তম সংসদে উত্থাপন করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর আইনটি সংসদে পাস হয়। ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর এটি পরিপূর্ণভাবে আইনে পরিণত হয়। ফলে মোশতাকের জারি করা এবং জিয়াউর রহমানের সময় বৈধতা পাওয়া ইনডেমনিটি অধ্যাদেশটি বিলুপ্ত বলে গণ্য হয়। এরপর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা দায়ের করা হয় এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-6817298084587580988?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/6817298084587580988/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=6817298084587580988' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6817298084587580988'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/6817298084587580988'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_4436.html' title='&lt;b&gt;ইনডেমনিটির আদ্যোপান্ত&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-3229815710037596199</id><published>2009-11-20T12:54:00.001+07:00</published><updated>2010-08-05T19:37:24.453+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>১৫ আগস্টের আগে ও পরে যেসব খবর ছাপা হয়</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;১&lt;/span&gt;৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট ছিল শুক্রবার। সকালে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা ছিল। ওই খবর ফলাও করে পত্রিকায় ছাপা হয়। দৈনিক বাংলা ও ইত্তেফাক-এ প্রকাশিত হয় আট পৃষ্ঠার বিশেষ ক্রোড়পত্র। আর এই পত্রিকা পাঠকের হাতে পৌঁছানোর আগেই সপরিবারে নিহত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৭৫ সালের ১ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত সংবাদপত্রের খবর ছিল অনেকটাই বাকশালকেন্দ্রিক। ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করা হয়। কিন্তু আগস্টে বাকশালের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। এর পাশাপাশি, বঙ্গবন্ধু সরকারকে উত্খাতের ষড়যন্ত্র যে চলছিল তার প্রমাণ ১৫ আগস্ট। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দৈনিক ইত্তেফাক-এর ৪ আগস্ট সংখ্যার শীর্ষ খবর ছিল ‘জেলা বাকশাল সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকদের নাম ঘোষণা’। ওই দিন দৈনিক বাংলার শীর্ষ খবর ছিল ‘জাতীয় দলের জেলা সম্পাদকদের নাম ঘোষণা’। ওই খবরের উপশিরোনামে বলা হয়, প্রতিটি কমিটিতে একজন সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচজন যুগ্ম সম্পাদক নিয়োগ। ৫ আগস্ট বাকশালের জেলা সম্পাদকদের প্রশিক্ষণের খবর ছাপা হয় দৈনিক বাংলার প্রথম পাতায়। অবশ্য ওই দিন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মোশতাকের বরাত দিয়ে পত্রিকাটির শীর্ষ খবরে বলা হয় ‘আটটি দেশের সঙ্গে শুল্ক রহিতের চুক্তি হবে।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বাকশাল নিয়ে ১০টি খবর: ১৫ আগস্ট দৈনিক বাংলার প্রথম পাতায় বাকশাল নিয়ে ১০টি খবর প্রকাশিত হয়। প্রধান শিরোনাম ছিল ‘গ্রামপর্যায়ে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে’। শিল্পমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান বাকশাল জেলা সম্পাদকদের প্রশিক্ষণ কোর্সে এ কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রত্যেক মন্ত্রীর বক্তব্য আলাদা শিরোনামে এক বা দুই কলামে প্রকাশ হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আব্দুল মান্নান বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য চাই পরিকল্পিত জনসংখ্যা’। শ্রম ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ইউসুফ আলী বলেন, ‘প্রথম পরিকল্পনাকালে ৪১ লাখ নতুন চাকরি হবে’। শিক্ষামন্ত্রী মোজাফফর আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘দ্বিতীয় বিপ্লব সফল করতে সততার সাথে কাজ করুন’। আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই সমাজতন্ত্রে উত্তরণের পথ’। বাকশালের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনি জেলা সম্পাদকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না’। এ ছাড়া প্রথম পৃষ্ঠায় আরেকটি খবরের শিরোনাম ছিল, বঙ্গবন্ধু কাল জেলা গভর্নর ও সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। অপর খবরটি ছিল জেলা সম্পাদক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ রদবদল।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দৈনিক বাংলার প্রথম পাতায় বাকশাল নিয়ে ১০টি খবর প্রকাশ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এটা স্পষ্ট যে তখন সরকার কর্মকাণ্ড ছিল মূলত বাকশালকেন্দ্রিক। ১৪ আগস্টের পত্রিকায়ও বাকশাল জেলা সম্পাদকদের প্রশিক্ষণ কোর্সে তথ্যমন্ত্রী কোরবান আলীর ‘অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যই দ্বিতীয় বিপ্লব’ শীর্ষক বক্তব্য শীর্ষ খবর হিসেবে ছাপা হয়। এ ছাড়া জিল্লুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ ফজলুল হক মনি, অধ্যাপক ইউসুফ আলীসহ কয়েকজন বাকশাল নেতার বক্তব্য পৃথক শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হয়েছিল। ১৩ আগস্টও দৈনিক বাংলার খবরে প্রাধান্য পায় বাকশালের খবর।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সেদিন সেজেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ১৫ আগস্ট, রাষ্ট্রপতি হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা। ওই দিন দৈনিক বাংলার প্রথম পৃষ্ঠায় বাম পাশে দুই কলামে প্রধান খবরে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধু আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন।’ এ খবরের পাশাপাশি আরেকটি খবর ছিল ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণের সাড়া’। পত্রিকার শেষ পাতায় বঙ্গবন্ধুর হাস্যোজ্জ্বল ছবি দিয়ে বক্স ফিচার ছিল ‘বঙ্গবন্ধুকে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাগত জানাবে’। ওই দিন সকালে পাঠক পত্রিকায় এ খবর পেলেও তার আগেই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। অবশ্য ওই দিন কোনো সংবাদমাধ্যম সে খবর প্রকাশ করতে পারেনি। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দৈনিক বাংলায় যা ছাপা হয়েছিল: বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পরদিন ১৬ আগস্ট দৈনিক বাংলার শীর্ষ খবর ছিল ‘খন্দকার মোশতাক নয়া রাষ্ট্রপতি’। ওই খবরের উপশিরোনামে ছোট্ট করে বলা হয়, ‘শেখ মুজিব নিহত: সামরিক আইন ও সান্ধ্য আইন জারি: সশস্ত্র বাহিনীসমূহের আনুগত্য প্রকাশ’।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;খবরের প্রথম অনুচ্ছেদ ছিল—‘শুক্রবার সকালে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের পতন ঘটিয়ে প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে ক্ষমতা গ্রহণ করে। সশস্ত্র বাহিনীর এই ক্ষমতা গ্রহণের সময় সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বাসভবনে নিহত হন বলে বলে ঘোষণা করা হয়।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস-এর বরাত দিয়ে একই খবরে বলা হয়, সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা ও সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। দুপুরের পর অবশ্য মুসল্লিদের জুমার নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে দেড় ঘণ্টার জন্য সান্ধ্য আইন তুলে নেওয়া হয়। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ওই খবরে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ এ বি মাহমুদ হোসেনের কাছ থেকে খন্দকার মোশতাকের শপথ নেওয়ার তথ্য, মোহাম্মদ উল্লাহকে ভাইস প্রেসিডেন্ট নিয়োগ, ১০ মন্ত্রী ও ছয় প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। আরও উল্লেখ করা হয়, সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ, নৌবাহিনী প্রধান কমোডর মোশাররফ হোসেন খান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার পৃথক পৃথক বেতার ভাষণে মোশতাক আহমদের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকারের প্রতি আনুগত্য ও দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান, রক্ষীবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সাবিউদ্দিন আহমেদ এবং আইজিপি এ এইচ নুরুল ইসলাম বেতার মারফত মোশতাক সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন মর্মে খবর প্রকাশ করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ওই সংখ্যায় শীর্ষ খবরের বাঁ পাশে ছিল অস্থায়ী প্রধান বিচারপতির কাছে মোশতাকের শপথ নেওয়ার ছবি। এর নিচে ছিল ‘দুর্নীতির সঙ্গে আপস নেই’ মর্মে মোশতাকের বেতার ভাষণ। ওই ভাষণের প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘প্রিয় দেশবাসী ভাই ও বোনেরা। এক ঐতিহাসিক প্রয়োজনে এবং বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের সঠিক ও সত্যিকারের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপদানের পূত-পবিত্র দায়িত্ব সামগ্রিক ও সমষ্টিগতভাবে সম্পাদনের জন্য পরম করুণমায় আল্লাহ তায়ালা ও বাংলাদেশের গণমানুষের দোয়ার ওপর ভরসা করে রাষ্ট্রপতি হিসেবে সরকারের দায়িত্ব আমার ওপর অর্পিত হয়েছে। বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের বজ্রকঠিন দায়িত্ব সম্পাদনের পথ সুগম করার জন্য বাংলাদেশের সেনাবাহিনী সত্যিকারের বীরের মতো অকুতোভয়চিত্তে এগিয়ে এসেছেন।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;দৈনিক ইত্তেফাকে যা ছাপা হয়েছিল: ১৬ আগস্ট ইত্তেফাকে মূল শিরোনাম ছিল ‘খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনীর শাসনক্ষমতা গ্রহণ’। খবরের কোথাও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়নি। শীর্ষ খবরের প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী জাতির বৃহত্তর স্বার্থে গতকাল প্রত্যুষে সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে ক্ষমতাচ্যুত করিয়া দেশের শাসনভার গ্রহণ করিয়াছেন। শাসনভার গ্রহণকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান স্বীয় বাসভবনে নিহত হইয়াছেন।’&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ওই দিন ইত্তেফাকের বিশেষ সম্পাদকীয় ছিল ‘ঐতিহাসিক নবযাত্রা’। এর শুরুতে বলা হয়, দেশ ও জাতির এক ঐতিহাসিক প্রয়োজন পূরণে গতকাল প্রত্যুষে প্রবীণ জননায়ক খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সরকারের সর্বময় ক্ষমতা গ্রহণ করিয়াছেন। পূর্ববর্তী সরকার ক্ষমতাচ্যুত হইয়াছেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সম্পাদকীয়তে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জীবনে এই পরিবর্তনের এক বিষাদময় গুরুত্ব রহিয়াছে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত ও অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা একদিন যে স্বাধীনতা অর্জন করিয়াছিলাম সেখানে আমাদের আশা ও স্বপ্ন ছিল অপরিমেয়। কিন্তু গত সাড়ে তিন বছরেরও ঊর্ধ্বকালে দেশবাসী বাস্তবক্ষেত্রে যাহা লাভ করিয়াছে তাহাকে এক কথায় গভীর হতাশা ও বঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। ...গণমানুষের ভাগ্য উন্নয়নের পরিবর্তে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির আশ্রয় গ্রহণ করিয়া এবং একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে স্থায়ীভাবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রাখিবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষায় মাতিয়া উঠিয়া স্বাধীনতার সুফল হইতে জনগণকে নির্মমভাবে বঞ্চিত করা হইয়াছে।’ সম্পাদকীয়তে এসব প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সামরিক হস্তক্ষেপ অনিবার্য হয়ে ওঠার কথা উল্লেখ করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৬ আগস্টের ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবার ও নিরাপত্তাকর্মীদের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কোনো তথ্য ছিল না। অন্যান্য খবরের মধ্যে ছিল মোশতাক সরকারের প্রতি পাকিস্তানের স্বীকৃতি, নয়া সরকারের জন্য জুমার নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাত, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাভাবিক কূটনৈতিক কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ, বিদেশি দূতাবাসের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার আশ্বাস, গাজী গোলাম মোস্তফাকে অপসারণ করে বি এ সিদ্দিকীকে রেডক্রসের চেয়ারম্যান নিয়োগ, লন্ডন হাইকমিশন ভবনে বিক্ষোভ ও সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ফেলাসহ কয়েকটি খবর। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ওসমানি, জিয়া, এরশাদ ও ভাসানী: ২৪ আগস্ট মোশতাক সরকারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা পরদিন সংবাদপত্রে প্রকাশ হয়। রাষ্ট্রপতির প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান জেনারেল এম এ জি ওসমানি। দৈনিক বাংলায় এ সংক্রান্ত খবরে বলা হয়, জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ওসমানী জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। একদলীয় শাসন পদ্ধতি নিয়ে মতানৈক্যের কারণে তিনি পদত্যাগ করেন। ওই দিনের পত্রিকায় মওলানা হামিদ খান ভাসানী বিবৃতিতে বলেন, মুষ্টিমেয় সংখ্যক লোক মুজিব সরকারের সহায়তায় বিদেশি শোষকদের সঙ্গে আঁতাত করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ দেশের বাইরে পাচার করে দিয়েছে। তিনি দুর্নীতিবাজদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তাদের কঠোর সাজা দেওয়ার দাবি জানান। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এদিকে ২৪ আগস্ট সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং দৈনিক বাংলায় এটা ছিল মূল খবর। এতে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে রদবদলের খবর প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব দিয়ে কে এম সফিউল্লাহর চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল খলিলুর রহমানকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভারতে প্রশিক্ষণরত ব্রিগেডিয়ার এইচ এম এরশাদকে মেজর জেনারেল পদমর্যাদায় উন্নীত করে মেজর জিয়ার স্থলে ডেপুটি চিফ অব আর্মি স্টাফ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার কাজী গোলাম দস্তগিরকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে বিডিআরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অন্যান্য খবর: ১৫ আগস্টের পর সংবাদমাধ্যমে মোশতাক সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। এ ছাড়া উন্নয়ন ও আশাব্যঞ্জক খবর প্রকাশিত হয়। ২০ আগস্ট দৈনিক বাংলার শীর্ষ খবর ছিল ‘নয়া সরকারের সাথে বাদশাহ খালেদের ইসলামী সংহতি প্রকাশ, সৌদী আরব ও সুদানের স্বীকৃতি’। ওই দিন প্রথম পৃষ্ঠায় ছবিসহ খন্দকার মোশতাকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ছাপা হয়। আরেক খবরে বলা হয়, ‘দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক’। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী মনসুর আলী, উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রী কোরবান আলী ও আব্দুস সামাদ আজাদসহ ২৬ শীর্ষ মন্ত্রী, সাংসদ ও বাকশাল নেতাকে গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হয়। ওই সময়ের পত্রিকায় ভারত, পাকিস্তান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, সুদানসহ বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বড় করে ছাপা হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২২ আগস্ট মোশতাক সরকার দৈনিক ইত্তেফাক ও সংবাদ তাদের আগের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তথ্যমন্ত্রী তাহেরউদ্দিন ঠাকুরের এই ঘোষণা ২৩ আগস্ট দৈনিক বাংলায় ছাপা হয়।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5775050202959842911-3229815710037596199?l=biprotip.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://biprotip.blogspot.com/feeds/3229815710037596199/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5775050202959842911&amp;postID=3229815710037596199' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3229815710037596199'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5775050202959842911/posts/default/3229815710037596199'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://biprotip.blogspot.com/2009/11/blog-post_20.html' title='&lt;b&gt;১৫ আগস্টের আগে ও পরে যেসব খবর ছাপা হয়&lt;/b&gt;'/><author><name>মং হ্লা প্রু পিন্টু</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10197838198370194506</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='24' height='32' src='http://2.bp.blogspot.com/-363BIC0c_iM/TbhpQISbagI/AAAAAAAAAug/ME-gPvzf8dk/s220/DSC002275.JPG'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5775050202959842911.post-6275804948715098229</id><published>2009-11-19T23:55:00.002+07:00</published><updated>2010-08-05T19:36:21.001+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবন্ধু হত্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মুক্তিযুদ্ধ'/><title type='text'>১৯৭৫ থেকে ২০০৯</title><content type='html'>&lt;div style="color: magenta; text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: x-large;"&gt;১&lt;/span&gt;৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এ পর্যন্ত এই হত্যা মামলার কালপঞ্জি তুলে ধরা হল:&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট-&lt;/span&gt; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে শেষ রাতে এক অভ্যুত্থানে নিহত হন। এই অভ্যুত্থান স্বাধীনতা উত্তর আওয়ামী লীগ সরকারকেও উৎখাত করে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর-&lt;/span&gt; স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খোন্দকার মোস্তাক আহমদ বিচারের হাত থেকে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের রক্ষা করতে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরবর্তী বিএনপি সরকার ১৯৭৭ সালে ইনডেমনিটিকে আইন হিসাবে অনুমোদন করে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৬ সালের ২৩ জুন-&lt;/span&gt; জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সুদীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট-&lt;/span&gt; বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তিন প্রধান আসামী বরখাস্তকৃত লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাহের &lt;span style="color: black;"&gt;উদ্দিন ঠাকুরকে গ্রেফতার করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর-&lt;/span&gt; রাষ্ট্রপতির আবাসিক একান্ত সহকারি (পিএ) এএফএম মোহিতুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় একটি এফআইআর করেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৬ সালের ৩ অক্টোবর-&lt;/span&gt; বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং তারা এ মামলার তদন্ত শুরু করে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর-&lt;/span&gt; খুনীদের বিচারের হাতে ন্যস্ত করতে পার্লামেন্টে ইনডেমিনিটি আইন বাতিল।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি-&lt;/span&gt; সিআইডি এই মামলায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৭ সালের ১ মার্চ-&lt;/span&gt; ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর বিচার কার্যের জন্য মামলাটি ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠান।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;১৯৯৭ সালের ১২ মার্চ-&lt;/span&gt; ছয় আসামীর উপস্থিতিত
