সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১০

এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?

কান টানলে যেমন মাথা আসে, তেমনি মতিউর রহমান প্রসঙ্গ এলে প্রথম আলোও আপনা-আপনি চলে আসে। তিনি যেভাবে ভোরের কাগজ থেকে দলবলসহ বেরিয়ে এসে প্রথম আলো জন্ম দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে একে শীর্ষস্থানে নিয়ে এসেছেন তাতে করে আমার বিবেচনায় মতিউর রহমানকে প্রথম আলো থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখার কোনো অবকাশ নেই।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনার পর থেকে প্রথম আলো যেভাবে সোচ্চার (যেমন: ফলো-আপ রিপোর্ট, সম্পাদকীয়, উপ-সম্পাদকীয় এবং মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশ করে) হয়েছে অন্য কোনো পত্রিকা কি সে রকম সোচ্চার হয়েছে?

সেই সফল সম্পাদক মতিউর রহমান সম্পর্কে কিনা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন! মতিউর রহমানের দিকে সন্দেহের আঙুল তুলেছেন কে বা কারা? অভিযোগটা কি আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের পক্ষ থেকে, না কি বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ থেকে তোলা হয়েছে?

মঙ্গলবার, মে ২৫, ২০১০

ইভটিজিঙের শিকার আরও এক ছাত্রী আত্মহননের পথ বেছে নিল

দেশে এখন অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় ইভটিজিং। এটি এখন অন্যতম প্রধান সামাজিক সমস্যাও। তাই মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি এর বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন এবং একে প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরকারিভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার পরও ইভটিজিং কিংবা এর শিকার মেয়েদের আত্মহনন বন্ধ হচ্ছে না। তাই অবক্ষয়ে নিমজ্জিত এই সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়ে শায়লা আক্তার তুলি (১৪)-কেও অভিমান নিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিতে হল। আর তথাকথিত সভ্য সমাজের কাছে রেখে গেল চরম ঘৃণা।
বিস্তারিত এখানে
সভ্য সমাজ, সামাজিক জীব ইত্যাদি তকমাগুলো এখন ঠুনকোয় পরিণত হয়েছে। আমরা নিজেদেরকে সভ্য সমাজের একজন বা প্রকৃত অর্থে সামাজিক জীব কিংবা সৃষ্টির সেরা যদি দাবিই করি, তা হলে সামাজিক এসব অনাচারে আমরা বিচলিত হই না কেন কিংবা ঘরে-বাইরে এর বিরুদ্ধে সুদৃঢ় অবস্থান নিই না কেন?

একটি সংবাদ এবং এর নেতিবাচক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

ক্সবাজার থেকে প্রকাশিত একটি প্রিন্ট মিডিয়ায় গত ২২ মে সংবাদটি প্রথম ছাপা হয়। এর পর কক্সবাজার থেকে পরিচালিত একমাত্র ওয়েব পত্রিকায় সেদিনই সংবাদটি হুবহু প্রকাশ করা হয় ওই প্রিন্ট মিডিয়ার সূত্রে। সংবাদটির সার কথা হল এই, কক্সবাজার শহরের বিশেষ-বিশেষ মহল্লায় বসবাসরত স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কতিপয় ছাত্রী (বোরকা পরা) হোটেল-মোটেল জোনে গিয়ে দেহব্যবসা করে যাচ্ছে। তারা গেস্ট হাউজ খ্যাত আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফোনকল পাওয়ার পর সেখানে গিয়ে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে তথাকথিত সার্ভিস দিয়ে থাকে।
বিস্তারিত সংবাদ এখানে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক ছাত্রী (যাঁর বাড়ি কক্সবাজার জেলায়) আলোচ্য সংবাদটির অত্যন্ত তির্যক ও তীক্ষ্ণ ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা সংশ্লিষ্ট ওয়েব পত্রিকায় গতকাল প্রকাশিত হয়। তাঁর মতে, উপযুক্ত তথ্য ও নির্ভরশীল সূত্রবিহীন ওই সংবাদটির কারণে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া সাধারণ ছাত্রীরা বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি প্রাসঙ্গিকভাবে ওই প্রিন্ট মিডিয়ার প্রকাশক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এবং ওয়েব পত্রিকারটির পরিচালকের জীবিকা অর্থাৎ মূল পেশার (শিক্ষকতা) ব্যাপারে প্রশ্ন রেখেছেন।
বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এখানে
এখন আমারও মনে হচ্ছে, ওই প্রকাশক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও পরিচালকের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কন্যাসন্তান কিংবা নিকট-আত্মীয়া থাকলে সংবাদটি প্রকাশের আগে এর নেতিবাচক প্রভাব বা প্রতিক্রিয়ার কথা দ্বিতীয়বার ভাবতেন। তবে দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন এলাকা হিসাবে কক্সবাজার শহরে এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ যে একদম হচ্ছে না, তাও-বা বলি কী করে?
প্রতিক্রিয়ার জবাবে ওই প্রিন্ট মিডিয়ার জবাবটি পড়ুন এখানে

রবিবার, জানুয়ারি ১০, ২০১০

শিক্ষকতা কি কেবলই জীবিকা?

তাঁরা চাকরিপ্রার্থী। তাই তাঁরা নিয়োগ পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় পত্রিকার খবর অনুযায়ী তাঁরা যে উপায় অবলম্বন করেছেন তা প্রশ্নাতীতভাবে অসৎ।
তাঁরা যে পেশার জন্য নিয়োগ পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন, উন্নত বিশ্বে ওই পেশাকে শ্রেষ্ঠ পেশা হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। পেশাটা হচ্ছে মানুষ গড়ার পেশা। যদিও তৃতীয় বিশ্বে পেশা আর জীবিকাকে আলাদা করে দেখার তেমন প্রবণতা নেই। তবু মানুষ গড়ার পেশাটাকে কেবলই জীবিকার উপায় মাত্র ভাবলে চলবে না। এর সঙ্গে আদর্শ, সততা, নৈতিকতা ইত্যাদি অন্যান্য জীবিকার তুলনায় বেশি মাত্রায় জড়িত।
সুতরাং, যাঁরা জীবিকার জন্য যেনতেন প্রকারে একটা চাকরি চান, তাঁরা এই পেশার মর্যাদাকে সমুন্নত রাখার পরিবর্তে ভূলুণ্ঠিতই করে বসবেন। কারণ, এই মহান পেশায় ফাঁকতালে ঢুকে পড়া মানুষ গড়ার তথাকথিত কারিগরদের হাত দিয়ে প্রখর নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন ভবিষ্যৎ নাগরিক না বেরিয়ে কেবল সনদধারী তথাকথিত তারকাই বেরুতে থাকবে।
বর্তমান সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১-এর আলোকে সরকারের শিক্ষা-সংস্কার সংক্রান্ত চলমান প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গের উচিত শিক্ষকতা পেশার এই দিকটি ভেবে দেখা। কারণ, এর প্রভাব সুদূর প্রসারী।

শনিবার, ডিসেম্বর ০৫, ২০০৯

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মন্তব্য

মার জীবদ্দশায় দেখেছি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে রোহিঙ্গাদের (বর্মি মুসলমান) দলে-দলে অনুপ্রবেশ ঘটেছে দু'বার, প্রথম বার ১৯৭৮-এ আর দ্বিতীয় বার ১৯৯১-এ। প্রথম বারের সমস্যাটা মোটামুটি সমাধান করে গছেন তৎকালীন সরকার। কিন্তু ১৯৯১-এর সমস্যাটার অদ্যাবধি সুষ্ঠু সমাধান হয়নি। কারণ তখনকার সরকার এই সমস্যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব চিন্তা না করে ধর্মীয় আবেগের তাড়নায় রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের সুযোগ দিয়েছিলেন। সেই দিনের সেই সরকারের বিচক্ষণতার অভাবই আমাদের আজকের ভোগান্তি। তখনকার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে সাংবাদিকদের ভূমিকাও প্রশ্ন সাপেক্ষ। পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন এবং আমলারা এসব রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে পাকিস্তানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গমনের সুযোগ করে দিয়েছে।

বুধবার, ডিসেম্বর ০২, ২০০৯

সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, একজন টুটুল পাল এবং তসলিমার আশঙ্কা



তাঁর নাম টুটুল পাল। চাকরি করেন কক্সবাজারস্থ মুক্তি নারী সহায়তা কেন্দ্রে। তাঁর পদবি বহিঃসমন্বয়কারী। এই ধরনের সেচ্ছাসেবী সংগঠন/সংস্থায় চাকরি করতে যে পরোপকারি মানসিকতার প্রয়োজন, পত্রিকায় প্রকাশিত ঘটনার তথ্য অনুযায়ী আমার কিন্তু তাঁকে সেই ধরনের মানবিক গুণাবলি সমৃদ্ধ মানুষ বলে মনে হয় না। মুক্তি কর্তৃপক্ষও এর দায় এড়াতে পারেন না।
এই টুটুল পাল স্বামী কর্তৃক নির্যাতিতা (বর্তমানে মুক্তি নারী সহায়তা কেন্দ্রে আশ্রিতা) এক পুত্রসন্তানের জননী তসলিমা আক্তার (২০)-কে সহায়তার পরিবর্তে বিপদেই ঠেলে দিয়েছেন। স্বামী, সতিন ও সতিনের ছেলের বিরুদ্ধে লেখা তসলিমার এজাহারটি গায়েব করে দিয়ে এই টুটুল পাল নিজের মতো করে আরেকটি এজাহার লিপিবদ্ধ/দায়ের করেন থানায়। এতে করে মামলাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বাদি তসলিমা এখন শঙ্কিত।
টুটুল পাল যে নগদপ্রাপ্তির বিনিময়ে এই কাণ্ডটি করেননি তাও-বা বিশ্বাস করি কী করে? এই ধরনের সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে টুটুল পালদের মানায় না।

বুধবার, নভেম্বর ২৫, ২০০৯

'হ্যালো, স্যার আপনার মতামত প্রয়োজন'

হ্যালো, স্যার আপনার মতামত প্রয়োজন... ২০০৫ সালের আগস্ট মাসের এক মধ্যরাতে তৎকালীন সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মো. সহিদুজ্জামানের মুঠোফোনে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এলাকার জনৈক সন্ত্রাসীকে ক্রস ফায়ারে দেওয়ার আগে উপরের সংলাপটি বলেন। সিবিএন র আজকের সংখ্যায় তাঁর অনিয়মিত কলাম নানা মুনির নানা মত র ১৮ পর্বে সাবেক সাংসদ এই তথ্যটি প্রকাশ করেন। বিস্তারিত পড়ুন নীচের লিংকে---
Click This Link